Sunday, October 2, 2016

নিজের কম্পিউটার নিজেই কিনি ও শিখি! [পর্ব-০৭] কোন ব্রান্ডের মনিটর ক্রয় করবেন, কোনটি সব থেকে ভালো? মনিটর সম্পর্কিত A-Z তথ্যাদি!

আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। হার্ডওয়্যার টিউটোরিয়াল পর্ব হিসাবে আজকে আলোচনা করব মনিটর (Monitor)  বিষয়ে যথারুপঃ Monitor কি, হার্ডড্রাইভ ক্যাটাগরী, কোন ব্যান্ডের Monitor ব্যবহার করবেন,Monitor ক্রয়ের নির্দেশিকা সহ অন্যান্য তথ্যাবলী। সুতরাং আর কথার কলেবর বৃদ্ধি না করে মূল আলোচনাতে ফিরছি।

দৃষ্টি আকর্ষণঃ হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত আমার অন্যান্য প্রকাশনা

মনিটর

মনিটর বা ডিসপ্লে হল কম্পিউটারের জন্য একটি ইলেকট্রনিক দৃষ্টি সহায়ক প্রদর্শক। একটি মনিটর সাধারণত ডিসপ্লে ডিভাইস, সার্কিট, আবরণ, এবং পাওয়ার সাপ্লাই দিয়ে গঠিত। কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস হিসাবেই বেশি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত মনিটর বলতে বুঝি টেলিভিশনের মতো বড় আকৃতির যন্ত্রকে, কিন্তু প্রযুক্তিতে মনিটরের ধারণা অ্যারও ব্যাপক অর্থে ব্যবহার হয়। মনিটর হল সেই সরঞ্জাম যাতে সিস্টেমে চলমান প্রক্রিয়া সরাসরি দেখা যায়। মনিটর একটি বহুল ব্যবহৃত অউটপুট সরঞ্জাম যা ছাড়া বর্তমানে কম্পিউটিং অসম্ভব। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে মহাকাশ প্রযুক্তিতে মনিটর ব্যবহার হচ্ছে।
অতিতে যখন মনিটর তৈরি করা হয় তখন তা ছিল আকার আকৃতিতে বিশাল, এতে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হত। প্রথম দিকে সব মনিটরে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহার হত। টিউব এর বিপরীত পাশে ফসফরাসের প্রলেপ লাগানো থাকতো। যখন টিউব থেকে প্রচণ্ড গতিতে ইলেকট্রন টিউব থেকে বেরিয়ে এসে ফসফরাসে আঘাত করে তখন তা আলো বিকিরণ করে এবং এই আলো সামগ্রিক ভাবে বোধগম্য চিত্র ফুটিয়ে তোলে। টিউব থেকে ইলেকট্রন বেরিয়ে আসার হার প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৭০ বার। মনিটর Video card এর সাহায্যে কাজ করে যা এর Case এর ভিতরে অবস্তিত এর মাধ্যমে আমরা ছবি ও লিখা দেখতে পারি। বর্তমান নতুন সকল মনিটর LCD (liquid crystal display) or LED (light-emitting diode) এর হয়ে থাকে। সকল মনিটর এর control buttons থাকে যা আমাদের মনিটর এর ডিসপ্লে settings পরিবর্তন করতে সাহায্য করে, আবার অনেক মনিটর এর সাথে built-in speakers ও থাকে।

মনিটর ও টিভির মধ্য পার্থক্য

মনিটরের পর্দায় কোন নির্দিষ্ট বিন্দুকে (পিক্সেল) আমরা দেখি, মানে, মনিটরে, একজন মানুষ প্রত্যেকটা পিক্সেলকে আলাদা আলাদা ভাবে দেখে। কিন্তু টিভিতে কোন নির্দিষ্ট বিন্দুকে না বরং সমষ্টিগত ভাবে, সম্মিলিতভাবে সকল বিন্দুকে মিলিয়ে একটা ছবি প্রকাশ করা হয়, মানে অনেক পিক্সেল মিলিয়ে একটা ছবি তৈরি করা হয় টিভিতে। অর্থাৎ আমরা যখন টিভি দেখি, তখন আমরা মনিটরের মত আলাদা আলদা পিক্সেল দেখি না বরং 'অনেকগুলো পিক্সেল' একত্রে দেখি। এই কারনে, মনিটর-এর পর্দায় যেমন "সিনেমা" ভাল দেখা যায় না এবং উল্টোটাও সত্যি যে, টিভির পর্দায় কোন "লেখা" ভাল দেখা যায় না। টিভিতে স্পিকার লাগানো থাকে কিন্তু মনিটরে তা থাকে না | আলাদা করে কিনতে হয় | ২.মনিটর লাগিয়ে সাথে একটি স্পিকার যোগ করে টিভির কাজ করতে পারবেন কিন্তু টিভি দিয়ে মনিটর এর কাজ করতে পারবেন না।  এইক্ষেত্রে একটা কথা বলা যেতে পারে। সকল মনিটর-ই একপ্রকার টিভি কিন্তু সকল টিভি- ই মনিটর না | অনেক গুলো পার্থক্যের মধ্যে মুল পার্থক্য হোল, টিভি তে টিউনার থাকে যেটা মনিটর এ থাকে না। আপনি টিভি দিয়ে চ্যানেল টিউন করতে পারেন যেটা মনিটর দিয়ে অসম্ভব (টিভি কার্ড লাগানো ছাড়া)। আর ডিসপ্লে বিবেচনা করলে, মনিটর এর রেজুলেশন টিভির চাইতে অনেক বেশি।

মনিটর ক্রয়ের পূর্বে যে বিষয়গুলো জানা অতিব জরুরী

আউটপুট ডিভাইস  হিসেবে সবচাইতে বেশী ব্যাবহৃত  ডিভাইসটির নাম হচ্ছে মনিটর। এখন এই মনিটরে বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে, রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন টেকনোলজী, নিজস্ব ফীচার। সময়ের তালে তালে সেগুলো উন্নত হচ্ছে।
কাজেই নতুন একটা মনিটর কিনতে গেলে পুরোন টেকনোলজী প্রায় অবসোলেট, নতুন নতুন টেকনোলজীর ভীড়ে মোটামুটি কনফিউজ হয়ে যেতে হয় যে কোনটা কেনা হবে। আর সেই কনফিউশন দূর করার পরিকল্পনা থেকেই এই মনিটর কেনার আলোচনা।

কি কি জিনিস মনিটর কেনার সময় দেখা দরকার

ক) রেজুলেশ্যন সাপোর্ট, রেশিও।
খ) রেসপন্স টাইম
গ) রিফ্রেশ রেট।
ঘ) ডিসপ্লে টেকনোলজী
  • ক) রেজুলেশ্যন সাপোর্ট
আজকাল মনিটর মোটামুটি ১৯ বা ১৮.৫ ইঞ্চির গুলোই এভেইলএবল লোয়েস্ট কনফিগ হিসেবে। এই মনিটরগুলোর সর্বোচ্চ রেজুলেশ্যন সাপোর্ট 1366x768. এবং এগুলোর রেশিও সাধারনত 16:09। বাজেট একটু বাড়ালেই হাতের নাগালে থাকবে ২১.৫ ইঞ্চির মনিটরগুলো, এইগুলোর রেজুলেশ্যন শুরুই হয় HD থেকে। 1920x1080।  এই মনিটরগুলো 16:9 কিংবা 16:10 রেশিও মেইনটেইন করে। আপনি যদি গেমার হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে 16:10 রেশিও আপনাকে খানিকটা বাড়তি সুবিধা দিবে। বর্তমান সবগুলো গ্রাফিক্সকার্ডই FullHD সাপোর্ট করে কাজেই খুব একটা মাথা ঘামানোর দরকার পড়বে না সাপোর্ট নিয়ে। ম্যাকের রেজুলেশনগুলোও 16:10 রেশিও মেইনটেইন করে।


আরেকটা জিনিস। রেজুলেশনের সাথে ডিসপ্লে ইউনিটের সাইজের একটা ম্যাচিং আছে। ল্যাপটপের ১৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের রেসুলেশন যদি হয় 1366x768, সেক্ষেত্রে তার PPI হচ্ছে সম্ভবত 117 মাত্র। দ্যাটস রাইট! মোবাইলে আপনি যতই হাই পিপিআই নিয়ে টেনশন করেন না ক্যানো। আপনার কম্পিউটার মনিটরের PPI অনেক কম। বর্তমানে সবচাইতে বেশী PPI ওয়ালা ডিসপ্লে হচ্ছে 13" MBP-r ডিসপ্লে, PPI 228। কাজেই বেশী বড় ডিসপ্লে হলে আপনার কন্টেন্টএর শার্পনেস কমতে শুরু করবে।
কাজেই ডিসপ্লে যত বড় হবে, পিপিআই আস্তে আস্তে কমতে থাকবে। তবে সমস্যা কেন হবে না ? কারন, মনিটর কখনোই আপনি চোখের অতটা কাছে কখনো রাখবেন না। কাজেই পিক্সেলগুলো সহজে চোখে ধরা পড়বে না। তবে ২৭ ইঞ্চি মনিটরে FullHD রেজুলেশনে পিক্সেল মোটামুটি টের পাওয়া যায়, মোটামুটি দূরত্ব থেকে।
  • খ) রেসপন্স টাইম
রেসপন্স টাইম হচ্ছে একটা মনিটরের একটা পিক্সেলের ইনফো চেঞ্জ হতে যে সময় লাগে সেটা। কাজেই রেসপন্স টাইম যত কম মনিটর প্রায়োরিটি তত বেশী। স্টান্ডার্ড রেসপন্স টাইম ৫মিলিসেকেন্ড। গেমিং লেভেলের মনিটরগুলো ২মিলিসেকেন্ডের হয়। রেসপন্স টাইম বেশী হলে সমস্যাটা হচ্ছে, পিক্সেলের ইনফরমেশন আপডেট হওয়ার আগেই অন্য ইনফরমেশন চলে আসতে থাকে, কাজেই একটা "ঘোষ্ট" এফেক্ট তৈরী হয় যেটা গেমিং বা মুভির কোন ফাস্ট সীনের সময় বাজে ইমপ্রেশন ক্রিয়েট করে।
আপনার বাজেটের মধ্যে ২মিলিসেকেন্ড পেয়ে গেলে, নিয়ে নিন, যদি না হয়, ৫মিলিসেকেন্ড। কিন্তু ৭মিলিসেকেন্ড এভয়েড করা বেটার।


  • গ) রিফ্রেশ রেট
একটা মনিটর সেকেন্ডে কতবার ডিসপ্লে রিফ্রেস করবে সেটার হিসেব করা হয় রিফ্রেশ রেট দিয়ে। নরমালী এইটা হচ্ছে ৬০। তবে ৭৫ ও হয়। ৩ডি মনিটর গুলা সম্ভবত আরো বেশী রিফ্রেশ রেট রাখে (১২০ এর মত) মোটামুটি ৬০ এর নীচে রিফ্রেশ রেট নেমে আসলে মনিটরে ফ্লিকিং দেখতে পাবেন। যেটা আপনার ভিউইং এক্সপেরিয়েন্সে ১৪টা বাজিয়ে দিবে।
এখন এইটা নিয়ে খুব মজার কিছু ব্যাপার আছে। মানুষের চোখের রিফ্রেস রেট হচ্ছে ২৪ এফপিএস মাত্র। কাজেই এই রেটের উপরে থাকলে সমস্যা হওয়ার কথা না।
আবার মুভিগুলাও বানানো হয়, সাধারনত ৩০ বা ২৪ এফপিএসএই। কখনো ১৫ এফপিএসে ভিডিও রেকর্ড করে প্লে করে দেখতে পারেন, দেখবেন ফ্লিক করতে থাকে। এই জিনিসটা আমি শিওর না, @Invarbrass ভাই এর দৃস্টি আকর্ষন করছি এই ব্যাপারে। গেমিং গুলোতে নরমালী হাই এফপিএস রিকমেন্ড করে। কিন্তু যেখানে ডিসপ্লে নিজেই ৬০ এর বেশীবার রিফ্রেশ করে না, চোখ নিজে ২৪বারের বেশী রিফ্রেশ হয় না, সেখানে কেন গেমে বা ৩ডি কনটেন্টে বেশী এফপিএস রিকমেন্ড করা হবে ? এনিওয়ে, দ্যা হায়ার, দ্যা বেটার, অফকোর্স।
  • ঘ) ডিসপ্লে টেকনোলজী
মূল টেকনোলজী দুইটা, CRT এবং LCD, এর মধ্যে সিআরটি অবসোলেট। নতুন টেকনোলজীর মধ্যে LCD, LED, LED Backlit LCD, IPS ডিসপ্লে, AMOLED ডিসপ্লে ইত্যাদি আছে। সাধারন ডিসপ্লের মধ্যে, IPS ডিসপ্লে বেটার। এটার ভিউয়িং এঙ্গেল প্রায় ১৭৮ ডিগ্রী, অনেক ব্রাইট, কালার রিপ্রোডাকশন অনেক বেটার। বাকিগুলো মোটামুটি পুরোনো হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। AMOLED ডিসপ্লেগুলার কন্ট্রাস্ট রেশিও ইনিফিনিটি। এর কালো অংশ লিটারেলী কালো থাকে। সমস্যার মধ্যে কন্টেন্ট একটু বেশী স্যাচুরেটেড দেখায়। কিন্তু দেখতে ভাল লাগে। প্রিন্টিং কাজের জন্য এই জিনিস কেনা উচিত না। তবে সম্ভবত দাম অনেক বেশী। + এই মনিটর ক্যালিব্রেট করা যায় না। কাজেই একবার কালার ডিস্টর্শন হলে, মনিটর মোটামুটি ফেলে দিতে হবে।


সবকিছু মিলিয়ে,  নতুন মনিটর কিনতে গেলে আগে মাথায় রাখবেন এই বিষয়গুলো। তারপর লুক, নিজের পছন্দের ব্রান্ড ইত্যাদি। তবে সবকিছু অবশ্যই বাজেটের ভিতরে। সব তথ্য আমি নিজেও জানি না। কাজেই অন্যান্যদের আহ্বান জানাচ্ছি তাদের আলোচনায় যোগ দিয়ে টপিকটিকে মোটামুটি আইডিয়াল গাইড হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।

বাজারে যে সকল ব্রান্ডের মনিটরগুলো বিদ্যমান

বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের মনিটর পাওয়া যাচ্ছে তার মধ্য উল্লেখযোগ্য হলঃ Dell, Samsung, HP, Viewsonic, Philips, Asus, Mercury, BenQ, LG, Fujitsu, AOC ইত্যাদি। উল্লেখ্য AOC হল পৃথিবীর মনিটর ম্যানুফ্যাচারিং সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান। আমি নিজেও এই মনিটর ব্যবহার করছি। তবে ছবি কিংবা মুভি দেখার দিক হতে আমি Samsung কে সাজেস্ট করব। এই ক্ষেত্রে মালেশিয়া প্রস্তুতকৃত স্যামসাং মনিটর দেখে ক্রয় করবেন। তারপরে Dell, HP, LG হইতে যে কোনটি ক্রয় করতে পারেন।

মনিটরের রকমারি

বিশেষ কাজের জন্য বিশেষ ধরনের মনিটর এখন বাজারে পাওয়া যায় যেমনঃ গেম  খেলার জন্য বিশেষ মনিটর,  মুভি দেখার  জন্য বিশেষ মনিটর, মাল্টি-মিডিয়ার জন্য বিশেষ মনিটর ইত্যাদি ।। আগে ভাল করে ভেবে নিন আপনি কোন ধরনের মনিটর চান আর কি কাজের জন্য চান।। দুই ধরনের মনিটর আজকাল চলছে LED আর LCD।। এদের মধ্যে LED একটু বেসি উন্নত।।

এলইডি ও এলসিডি মনিটরের মধ্য পার্থক্য

যদিও LED আর LCD প্রায় একি ধরনের কিন্তু LED আর LCD মধ্যে একটি বড় পার্থক্য হল LED Backlit নামক একটি চমৎকার প্রজুক্তি ব্যবহার করে অন্যদিকে LCD কোল্ড ক্যাথোড ফ্লুরসেন্ত বাতি(cold cathode fluorescent lamp সংক্ষেপে CCFL) ব্যবহার করে পর্দায় আলো বা ছবি আনার জন্য।। কিন্তু LED কোল্ড ক্যাথোড ফ্লুরসেন্ত বাতি ব্যবহার করার বদলে লাইট এমিটিং ডায়োড ব্যবহার করে যার বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে।। CCFL এ প্রজুক্তিতে টিউব লাইতের(fluorescent tubes) মতন বাতি ব্যবহার করা হয় যা স্ক্রীনে আলো ফেলে ছবি প্রদর্শন করে কিন্তু এর ফলে ছবি LED এর তুলনায় কিছুটা সাদা সাদা বা ঝাপসা লাগে তাছারা কোনও নির্দিষ্ট অংশ ডিম(dimming) করার ক্ষেত্রে এটা খুব কার্যকর নয়।। অন্য দিকে LED fluorescent tube ব্যবহার না করে ছোট ছোট led বাতি ব্যবহার করে যার ফলে স্ক্রীনে কোনও নির্দিষ্ট অংশ ডিম(dimming) করার ক্ষেত্রে এটা খুব কার্যকর জাতে করে ছবি খুব ভাল দেখায়।। অবশ্যই LCD থেকে LED কম বিদ্যুৎ খরচ করে প্রায় ২৫%।।


LCD ও LED মনিটর দুই ধরনের হয় Glossy আর Matte।। glossy হল চকচকে আয়নার মতন প্রতিফল দেখা যায় কিন্তু এতে ছবি হয় চমৎকার কিন্তু Matte চকচকে নয় কিন্তু এতে বিরক্তি কর প্রতিফল দেখা যায়না।। বলে রাখি যে glossy মনিটরের প্রতিফল মাঝে মাঝে বিরক্তি কর হতে পারে তাই অনেকে এটা পছন্দ করেনা।। কিন্তু সব মিলিয়ে glossy টাতেই ভালো ছবি পাওয়া যায় আর এটাই বেসি চলে পছন্দ আপনার।

সাইজ

১৫ থেকে ৩২ ইঞ্চি রেঞ্জের মধ্যে বিভিন্ন সাইজের মনিটর পাওয়া যায়।। মাপটা কোনাকুনি ভাবে নেওয়া হয়।।  বড় সাইজের মনিটর গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ফটোগ্রাফারদের জন্য ভাল।। আপনি সাধারণ কাজের জন্য কিনলে মিডিয়াম সাইজ কিনতে পারেন আর যদি গেম খেলা বা মুভি দেখার জন্য মনিটর কিনে থাকেন তাহলে একটু বড় দেখে কিনতে পারেন ।। তবে কেনার আগে দেখে নিবেন যে আপনার কম্পিউটার ডেস্কে বড় মনিটর রাখার জন্য পর্যাপ্ত যায়গা হবে কি না।।

 বাজার মূল্যে

আপনি সাধারণ কাজের জন্য যেমনঃ ইমেইল দেখা, ওয়েবসাইট দেখা, ছোট খাটো সফটওয়্যার চালানোর ইত্যাদি ছোট খাটো কাজের জন্য মনিটর ব্যবহার করলে দামি মনিটর কিনে টাকা নষ্ট করার কোন মানে হয়না।। কিন্তু আপনি যদি একজন প্রোফেসনাল হয়ে থাকেন বা এমন কেউ যে খুব মুভি দেখে বা খুব গেম খেলে বা ফটো এডিটিং এর কাজ করে তবে অবশ্যই আপনাকে একটা ভালো দেখে দামি মনিটর কেনার চেষ্টা করা উচিৎ।। এখন খুব কম টাকার ভেতরেই খুব ভাল মনিটর পাওয়া যাই।। প্রায় ৪,৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০,০০০ টাকা দামের মনিটরও বাজারে খুব সহজে পাওয়া যায় তবে আমি মনে করি মোটামুটি ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে ভাল মনিটর পাওয়া যাবে।। নিচে কিছু জনপ্রিয় মনিটরের দাম আমি দিলাম তবে পছন্দ পুরোপুরি আপনার বাজারে আরো অনেক মডেলের ভালো মনিটর আছে।

১. View Sonic VA2046A 20" LED  দাম - ৳ 7,800
২. Dell S2240L 21.5" LED  দাম - ৳ 13,100
৩. BenQ GL2023A 20 Inch LED দাম - ৳ 8,100
৪. Asus VX229H 21.5 Inch IPS দাম - ৳ 15,500
৫. Samsung S20C300B 20" LED দাম - ৳ 8,700
৬. Samsung S19C170B 18.5" LED দাম - ৳ 7,500
৭. LG 16M35A 15.6" LED দাম - ৳ 6,200
৮. HP LV1911 18.5" দাম - ৳ 7,400
৯. Dell 21.5 Inch S2240T LED  দাম - ৳ 26,000
১০. HP Elite Display E231 LED Backlit 23"  দাম - ৳ 17,200

শেষকথা

আলোচনার একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, মনিটর বিষয়ক এই প্রকাশনাটি আপনাদের অনেকের উপকারে আসবে। এবং সেই সাথে এখন নিজেই নিজের পচ্ছন্দমতো মনিটর ক্রয় করতে পারবেন। তথাটি এই টিউন সম্পর্কে কোন রিভিউ থাকলে টিউমেন্ট করতে পারেন ও শেয়ার করুন সবার মাঝে। পরিশেষে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। -আল্লাহ্ হাফেয-
Previous Post
Next Post

0 comments: Post Yours! Read Comment Policy ▼
লক্ষ্য করুনঃ
পোষ্টের সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন কোন কমেন্ট করা যাবে না। কোন কারণ ব্যতীত আপনার ব্লগের লিংক শেয়ার করতে যাবেন না। সবসময় গঠনমূলক মন্তব্য প্রদানের চেষ্টা করবেন। আমরা সবার মতামত সমানভাবে মূল্যায়ন করি এবং যথাসময়ে প্রতি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি।

Post a Comment

 
Copyright © বিডি.পয়সা ক্লিক,নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত. মডিফাইঃ পিসি টীম, সার্ভার হোস্টেডঃ গুগল সার্ভিস