Saturday, January 20, 2018

السلام عليكم আসসালামু আলাইকুম
প্রিয়  বিডি. পয়সাক্লিক সাইটের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। এবং আমার প্রকাশিত ৩৫তম টিউনে স্বাগতম। ভাবছি, আজকের ১ম টিউনটি অন্যকোন বিষয় দিয়ে শুরু করব। যেখানে প্রায় সকলেরই কাজে দিবে। তাই টিউনটি শেয়ার করছি এন্টিভাইরাস টিপস্ হিসাবে।
আমরা অনেকেই Antivirus Software ব্যবহার করি। এমন কোন পিসি ব্যবহারিকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যারা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করেন না। এই এন্টিভাইরাস আবার অনেকে ফ্রি এবং ক্রয় করে ব্যবহার করে। এর মধ্য অবশ্য ফ্রির সংখ্যাটাই বেশী। Antivirus যেটাই ব্যবহার করি না কেন তাকে যদি প্রতিনিয়ত Update না করা হয় তাহলে ক্ষতিকর ভাইরাসের বিপক্ষে কোন কাজে আসবে না।

ইসেটের কার্যকারীতা ও বৈশিষ্টবলী

আমি এই পর্যন্ত নিজে যতগুলো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করেছি। ইসেটের সাথে কারোর তুলনা হয়না। যদি প্রশ্ন করা হয় বর্তমানে কোন এন্টিভাইরাস টপ লিডার হিসাবে সবার উপরে? এখানে আমি ইসেটকেই সবার শীর্ষেই বলব। আরও বলব এখন ইসেটের প্রতিদ্বন্দী শুধু ইসেটই। বর্তমানে এন্টিভাইরাস হিসাবে ১ম Eset, ২য় Norton, ৩য় Kaspersky অবস্থানে আছে। তাছাড়া Eset একটি শান্ত শীষ্ট এন্টিভাইরাস। বিশ্বের প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউজার এটি ব্যবহার করছে। এবং পৃথিবীর প্রায় ১৯০ টি দেশেই এটির অনুমোদিত ডিলার রয়েছে। এর নানাবিধ বৈশিষ্ট আছে যেখানে অন্য এন্টিভাইরাসে পাবেন না। যেমন-


১। এটি পিসিকে কখনোই  স্লো করেনা। বরং পূর্বের থেকে পিসির গতিকে সাবলিল ও গতিশীল করে তোলে।
২। অযথা Ram এর  জায়গা দখল করেনা।
৩। ডাউনলোড ফাইল আকার বেশী নয় । যে কোন মডেম থেকে সহজেই ইনষ্টল করা যায়। কিন্তু অন্য এন্টিভাইরাস ডাউনলোডের ক্ষেত্রে বিরক্তিকর যেমন- নর্টনের প্রথমদিকে ডাউনলোড ফাইল এর  আকার প্রায় ১৩০ এমবি. ক্যাসপার স্কাই এর তাই। ইসেটের মাত্র ১৫-২৫ এমবি.
৪।  Eset  স্প্যাম মেইল ধরতে অত্যন্ত পটু।
৫। যে কোন সন্দেহজনক সাইটকে Automatic ব্লক করে দেয়।
৬। মাসে ২ বার হলেও আপডেট করতে পারবেন- যারা জিপি সীম কে ইন্টারনেট হিসাবে Use করেন, তারা ১০ টাকা ভরলেই হবে। অর্থাৎ ১৫ দিনে আপডেট ফাইল নামাতে সাইজ মাত্র ২ মেগাবাইটের মত লাগবে। কিন্তু অন্য সকল এন্টিভাইরাসে প্রতিনিয়তই আপডেট সচল রাখতে হয়।
৭। User Interface অসাধারন ও  সহজে বোধগম্য।
৮। যে কোন ভাইরাস পাওয়া মাত্রই ও ভাইরাস যুক্ত ফাইলকে Automatic ব্লক করে দেয়। ফলে পিসিতে কোন ভাইরাস ক্ষতি করতে পারেন।
৯। অন্য এন্টিভাইরাস USB কে ডিটেক্ট করতে পারেনা। আবার নিজেদের স্ক্যান করে দেখিয়ে দিতে হয়। কিন্তু ইসেট নিজেই ইউএসবিকে ডিটেক্ট করে নেয় এবং স্ক্যান করার জন্য তৈরি থাকে।

Eset  কে কিভাবে ইনষ্টল করবেন?


পূর্বে Eset Install করা অনেক সহজ ব্যাপার ছিল। অর্থাৎ পূর্বে Eset  সাইট থেকে যে কোন ফাইলকে ডাউনলোড করে নিলে শুধু Password ও Serial Key দিলেই হত। তাছড়া Download ফাইলকে অফলাইন হিসাবে যে কোন সময় পূনরায় ইনষ্টলের কাজে লাগানো যেত। বর্তমানে Eset Vendor অনেক চালাক হয়ে গেছে।  যেখানে অন্য এন্টিভাইরাস কোম্পানীর অফলাইনে Install এর সুবিধা দেয়  কিন্তু ইসেট এখানে অফলাইনের মত Install এর সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।  তাই Install করতে হলে ইসেটের সাইট থেকে Live Install করতে হবে। অবশ্য যাদের পিসিতে পূর্বে ইসেটের ফাইল Download করা অআছে ( প্রায় ৫৮ MB সাইজের) তারা অফলাইনে Install  করতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা একটি থাকছে যখনই নতুন করে আপডেট করা হচ্ছে তখন পূর্বেকার Install system কে ইসেট সার্পোট করছেনা। যেমন আমি পূর্বেকার System এ-ফাইল ডাউনলোড করতে গিয়ে ৪ বার ধরা খেয়েছি। দেখা গেছে এখানে সবই ইনষ্টল ও আপডেট হয়েছে কিন্তু ফাইল Missing করছে ইসেট সঠিকভাবে কাজ করছেনা। তাই সবচেয়ে উত্তম কাজ হল- Eset server থেকে সরাসরি Install ও Update করা। কিংবা অফলাইন ফাইল নামিয়ে তা ইনস্টল করা।

  • ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি ডাউনলোড করে নিন অফিসিয়াল সাইট হইতে এখানে

চিত্রের মাধ্যমে ইসেট ইনষ্টল ও সক্রিয় করুন

মনে করি আপনি সাকসেস ভাবে ইসেটের ফাইলটি ডাউনলোড করতে পেরেছেন। তাহলে এবার ইনস্টলের পালা। আমি চিত্র আপলোড করে দিচ্ছি। আপনারা চিত্রের দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করলে সফলভাবে ইনস্টল করতে পারবেন। তাহলে শুরু করি।
১। ডাউনলোকৃত ফাইলটিতে ক্লিক করুন ইনস্টলের জন্য । চিত্র আসলে তাতে Continue তে ক্লিক করুন

২।  চিত্রের দিকে লক্ষ করে টিকমার্ক সহ ইনস্টলে ক্লিক করুন

 ৩। ইনস্টল প্রসেস হতে থাকবে



 ৪। সাকসেস হলে Done বাটনে ক্লিক করবেন এবং লাইসেন্স একটিভেশনের জন্য একটি ফাঁকা ঘর বিশিষ্ট চিত্র আসবে। সেখানে লাইসেন্স কোড প্রয়োগ করতে হবে। লাইসেন্স কোড আমার পোস্টের সবার নিচের লিংক হতে নামিয়ে নিবেন।


৫।  লাইসেন্স কোড একটিভ/সক্রিয় করার জন্য আপনার ইন্টারনেট কানেকশন চালু করুন। ইন্টারনেট চালু হলে একটি বার্তা আসবে। এখানে পাবলিক নেটওয়ার্ক নির্বাচন করলেই হবে। কিংবা হোম নেটওয়ার্ক হলেও চলবে।


৬।  লাইসেন্স কোড সঠিক ভাবে প্রয়োগ করলে একটি চিত্র আসবে। সেখানে Done বাটনে ক্লিক করুন।


৭। এবার এন্টিভাইরাসটি আপডেট করুন ও আপডেট হতে থাকবে


৮। ব্যাস! কাজ শেষ। এবার লাইসেন্স কী শো করবে পরিপূর্ণ ১ বছরের জন্য।

 Eset License Key Download করুন

 এখানে 

দৃষ্টি আকর্ষণঃ

** এখানে প্রেরিত মেডিসিন ফাইল কিছুদিন পরপর  মাঝেমধ্য ব্লক কিংবা ইনভেলিড দেখাতে পারে। সেই সময় ইসেট আপডেট নিবেনা, বার্তা দিবে। সুতরাং পরবর্তী এরুপ কোন সমস্যা হলে অাপনাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উক্ত কী গুলো আপডেট করা হবে। 
*** যখনই কোনরুপ সমস্যাতে পড়বেন, তখনি আমাদের ব্লগে কমেন্ট করে জানাবেন। অথবা ম্যাসেজ বক্সে ফেসবুক লগইন করে ফেসবুকে কমেন্ট করলেও হবে।

সর্বশেষ

আশা করি টিউটোরিয়াল অনুযায়ী কাজটি করতে সফল হয়েছেন। ব্যাস! এবার আরামসে ব্যবহার করুন ৩৬৫ দিনের জন্য ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি। এবং পিসিকে রাখুন ১০০% ভাইরাস মুক্ত।আজ এই পর্যন্তই। পোষ্টটির কোন ভূল ত্রুটি দৃষ্টি গোচর হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবান রাখছি। পরিশেষে সবার সুখীজীবন ও সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ হাফেজ-

Friday, January 19, 2018

সুপ্রিয় বিডি পয়সাক্লিক সাইটের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি সকলেই কুশলেই আছেন। টিউনের শিরোনাম দেখে বোধ হয় বুঝতে পেরেছেন যে, বিটকয়েন এর আয় বৃদ্ধি করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।

বর্তমানে বিট কয়েন আয় একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হওয়াতে বাংলাদেশে এর ইউজার সংখ্যা প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে নিজের কাছে ভাল ভালছে এই জন্য যে, স্ক্যাম পিটিসি বাদ দিয়ে এখন অনেকেই বিট কয়েন আয়ে মনোযোগী হচ্ছেন। বিট কয়েন এমন একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্মে পরিচিত হয়েছে যে, ডেল, মাইক্রোসফট, আমাজনের মত সাইটগুলোও ক্রেতাদের কাছ হতে বিট কয়েন পে নিচ্ছে। তখাপি যে কোন মুদ্রাতে কনভার্ট করা যাচ্ছে।


যাইহোক আমার ব্লগসহ টেকটিউনে বিট কয়েন আয় নিয়ে আমি বেশ কয়েকটি টিউন করেছিলাম। টিউটোরিয়াল অনুযায়ী অনেকেই কাজ করছেন। এর মধ্য অনেকেই অভিযোগের সুর করেছেন যে, ব্রাদার! বিট কয়েন আয় বৃদ্ধি করার কোন সিক্রেট কৌশল আছে কিনা! সত্যিকার অর্থে তেমন কোন সিক্রেট টিপস নাই, কিন্তু কিছু কৌশলের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধি করা যাবে যাহা নিচে আলোচনা করব। কেননা, ১ ঘন্টা পরপর ক্যাপচা পূরন হিসাবে ০.১৭০ বিটিসি মত পাওয়া যায়। সুতরাং আয় পরিমানটাও অনেক মামুলি!!

বিট কয়েন আয় বৃদ্ধি করার কিছু টিপস:

 ১। আমি পূববর্তী টিউনে উল্লেখ করেছিলাম বিটকয়েন সাইট তথা freebitco.in সাইটে প্রতিঘন্টা পর পর ক্যাপচা পূরন করতেই হবে। এখানে তেমন নেট খরচ নাই। কারন পিটিসি সাইটের মত অ্যাড দেখা লাগেনা। তথাপি এন্ড্রয়েড সেট দ্বারাও কাজ করা যায়।
২। বিট কয়েন জাতীয় কিছু লিগ্যাল সাতোশি সাইট আছে। সেখানে কাজ করার চেষ্টা করবেন।
৩। কিছু রেফারেল থাকলে আরো ভাল। কারন, ১০% হলেও আয় বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং আপনার সোস্যাল সাইটের মাধ্যমে রেফারেল সংগ্রহ করতে পারেন।


৪। কিছু মাইনিং সফটওয়্যার/ প্যাচ ফাইল আছে যাহার মাধ্যমে বিট কয়েন হ্যাক করা যায়। তবে এইগুলোও বেশী দিন কাজ করেনা। ২-৩ দিন কাজ করার পর রিজেক্ট হয়ে যায়।
৫। আপনারা যারা ফ্রিবিটকো.ইন সাইটে কাজ করছেন। সেখানে লটারী কিংবা গেম খেলে আনলিমিটেড বিট কয়েন আয় করতে পারবেন। একবার যদি নেশা পেয়ে যায় তবে এর মজাটা আপনি ভূলতে পারবেন না।

কিভাবে কাজটি করবেন?

১। প্রথমে freebitco.in সাইটে লগইন করুন এখানে । প্রতি ঘন্টাতে কিভাবে ক্যাপচা পূরন করতে হয়, সেটি সবাই জানেন। সুতরাং ক্যাপচা পূরন করে সাবমিট করুন।

  • বিঃদ্রঃ কিভাবে একাউন্ট ওপেন করতে হয় ও বিট কয়েন সাইটে কাজ করতে হয় সেটি দেখুন এখানে


২। ক্যাপচা সাবমিট করলে আপনি ফ্রিভাবে ২ টি লটারী ক্রয় করার কিংবা অংশগ্রহন করার ‍সুযোগ পাবেন ও বার্তা দেখতে পাবেন নিম্নরুপ। সুতরাং পারতপক্ষে প্রতি ক্যাপচা পূরন করার পর লটারীতে অংশ নিবেন। 

৩। লটারীতে অংশ গ্রহন করার জন্য 2 Free Lotary Tickes এ- ক্লিক করবেন। খালি বক্সে ২ লিখে সাবমিট করবেন।(বলে রাখা ভাল: এখানে প্রতি সপ্তাহে লটারী ড্র করা হয়। ভাগ্য যদি ভাল থাকে আপনিও বিভিন্ন এমাউন্টের বিটিসি জেতার সুযোগ লাভ করতে পারেন। যেমনঃ আমি একবার এখানে প্রায় ৪০ ডলারের মত বিটিসি পেয়ে ছিলাম। 


৪। এবার আসি আসল কাজে। যেখানে আনলিমিটেড গেম খেলার মত আয় বৃদ্ধি করা যাবে। যা অনেকটা বাজী ধরে বলা যেতে পারে। তাহলে চলুনন দেখে নেওয়া যাক। আপনি উক্ত সাইটে উপরে Multiply BTC ট্যাবে ক্লিক করলে নিম্নরুপ চিত্র আসবে।


৫। উপরের চিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন। মনে করি, আপনি স্টার্ট করবেন তাহলে প্রথমে Bit Amount এর Min বাটনে ক্লিক করুন (নীল দাগ চিহৃত)= 0.00000001দেখাবে। BET HI তে- মাউস পয়েন্টার দ্বারা ক্লিক করুন। যদি লস করেন তাহলে লাল দাগ বার্তা হিসাবে দেখাবে যেমন: You BET HI so you lose 0.00000001 BTC


৬। এবার বাম পাশে Bit Amount এর 2X বাটনে ক্লিক করে নিজের সুবিধা মত রেটিং বৃদ্ধি করে ক্লিক করবেন (লাল তীর চিহৃত)। যখনই লস করবেন তখনই নিজের সুবিধা মত রেটিং বৃদ্ধি করবেন যেমন: 2X ডাবল ক্লিক করলে 0.00000002, তিনবার ক্লিক করলে 0.00000004, ছয়বার ক্লিক করলে 0.00000032 দেখাবে।

৭। যখন লাভ করবেন তখন সবুজ কালারে দেখাবে You BET HI so you win 0.000001 BTCলাভ/জেতার পর সর্বদা Min বাটনে ক্লিক করবেন। রেটিং বৃদ্ধি করতে যাবেন না। রেটিং বৃদ্ধি তখনই করতে যাবেন 2X বাটনে ক্লিক করে যখন লোকসান পড়বেন। অবশ্য ২/১ দিন ট্রাই করার পর বিষয়টি নিজেই বুঝতে পারবেন।
৮। আপনি কত লাভ/লোকসান করলেন তা নোট করে রাখতে পারেন। তখাপি নিজের মত চিত্রও পাবেন।

কিছু সতর্কতা ও নির্দেশনাঃ

১। এখানে বেশী লোভ করে রেটিং বৃদ্ধি করতে যাবে না। মূলত যারা নতুন ইউজার এবং যাদের এমাউন্ট কম আছে তারা সর্বদা বিট হিসাবে ০.১ হতে শুরু করে ০.১২৮ এর মধ্য রাখার চেষ্টা করবেন।
২। যারা নতুন ইউজার। তারা মূলত তাদের একাউন্টে ৩০,০০০ বিটিসি হলে লটারী খেলার চেষ্টা করবেন। বেশী রেটে খেলতে যাবেন না। নিজের ভূলে একাউন্ট শূন্যও হয়ে যেতে পারে।
৩। আমার অভিজ্ঞাতে বলতে গতকালকে ৩ ডলার উইথড্র করার পর ২৫,০০০ বিটিসি ছিল। খেলতে খেলতে সব শূন্য হয়ে যায়। অবশ্য পরবর্তীতে ৪০ মিনিট মত সময় ব্যয় করে ৯০,০০০ মত বিটিসি জিতে নিয়েছি। সুতরাং তাক বুঝে খেলতে হবে।


৪। তবে যাদের এমাউন্ট বেশী তাদের অন্য কথা। মূলত প্রফেশনাল যারা তাদের অনেকে আছেন যারা এই পদ্ধতিতে দিনে ৩-১০ ডলার পর্যন্ত আয় করছেন।
৫। তবে এই পদ্ধতিতে দেখেছি খুব সহজেই বিট কয়েন আয় হয়ে যায়। তথাপি ইন্টারনেটের অযথা অপ-ব্যবহার হয়না।
৬। নতুন ইউজার হিসাবে প্রতিদিনে প্রায় এখানে ১,২০০ বার Multiply BTC অংশ গ্রহন করতে পারবেন। মাসে ৫,০০০ বার। যারা পূরাতন/কিংবা মার্চেন্ট তারা আনলিমিটেড। যেমনঃ আমি নিজে এখন আনলিমিটেড।

 ্টিউটোরিয়াল ভিডিও দেখে কাজ করুনঃ

যারা এখনো এই টিউটোরিয়ালটির কোন বিষয় বুঝতে পারেননি। তারা ভিডি চিত্র দেথে কাজ করতে ও বুঝে নিতে পারেন। প্রায় ১২ এমবি সাইজের ভিডিওটি ডাউনলোড করুন এখানে

শেষকথাঃ

আলোচনার শেষ পর্যায়ে। টিউটোলিয়াল অনুসরন করে কারো সামান্যতম উপকার হলেও নিজেকে ধন্য মনে করব। তারপরেও কোন সমস্যা থাকলে টিউমেন্ট করতে পারেন। পরিশেষে পরবর্তীতে অন্য কোন টিউন শেয়ার করব আপনাদের সাথে। সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন।-আল্লাহ হাফেয-

Thursday, January 18, 2018

সুপ্রিয় বিডি পয়সাক্লিক কমিউনিটি সাইটের সবাইকে সালাম ও বৈশাখী শুভেচ্ছা।
আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আজ অন্য রকম একটি টিউন করতে যাচ্ছি, টিউনটা অনেকটা ইনকাম বিষয়ক। তবে এটি কোন পিটিসি কিংবা ফ্রিল্যান্স বিয়ষক নই। আসলে আমাদের মধ্যে এমন কিছু ভিজিটর ও লেখকগণ আছেন যারা বিভিন্ন উপায়ে নেট হতে ইনকাম করে থাকেন। তার মধ্যে ইনকামের সবচেয়ে বড় বাহন হল- ফ্রিল্যান্সিং। হ্যা ফ্রিল্যান্স হিসাবে ওডেস্ক, ইল্যান্সে কাজ করে অনেকেই ভাল অবস্থানে আছেন। আসলে আমিও মাঝেমধ্যে ইল্যান্সে কাজ করে থাকি। ভেবে ছিলাম- “টেক টিউন ব্লগে” ইল্যান্স নিয়ে কয়েকটি পর্বে পোস্ট করব। কিন্তু ৭/৫ কারনে তা হয়ে উঠেনি। এর অন্যতম কারন হচ্ছে- এই বিষয়ে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে বিভিন্ন লেখকগণ অনেক রিভিউ দিয়েছেন, তাছাড়া অনেকেই হয়ত প্রশিক্ষণও নিয়েছেন, এমনকি বাজারেও এই বিষয়ে বেশ কিছু বই পাওয়া যায়।
 

অপরদিকে অনেকে সার্ভে বা পিটিসি সাইটে কাজ করেন। তবে এখানে খুব বেশী ইনকাম করা যায় না, মামুলি বিষয়ক। যাইহোক আমি নিজেও পিটিসিতে কাজ করিনা, অপরকেও এই ব্যাপারে সাজেস্ট করতে চাচ্ছি না।
তবে আজকে আপনাদেরকে একটি সাইট সম্পর্কে ধারনা দিব, যাহা টিউনের শিরোনামে উল্লেখ করেছি।এখানে কাজ করাটা খুবই সহজ। পূনরায় বলছি এটা কোন ফ্রিল্যান্স, পিটিসি বা কোন জবের সাইট নই। এটা একটি বিট কয়েন বিষয়ক সাইট। অবশ্য ফ্রিল্যান্স বলে কেউ ভূল করবেন না। এখানে ফ্রিল্যান্স সাইটের মত টাকার পাহাড় না হলেও নেহাত মন্দ নই, তবে ভূয়া পিটিসি সাইট হতে ভাল। আমার অভিজ্ঞাতে মনে হয়- বিট কয়েন সাইটের ইনকামের মত অত সহজ রাস্তা এখনও হয়নি।

বিট কয়েন সম্পর্কে টিউন করার উদ্দেশ্য:

আসলে বিট কয়েন বিষয় নিয়ে অনেকের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের বিষয় রয়েছে। একজন বলবেন এটা বৈধ এবং অন্যজন বলবেন অবৈধ। তবে আমার যুক্তির দিক হতে ৫০/৫০ তার কারন গুলো নিম্নরুপ:


১। বিটকয়েন কোনো দেশের বৈধ বা অনুষ্ঠানিক মুদ্রা না হলেও ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে এর জনপ্রিয়তা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইনে কেনাকাটা ও ইলেকট্রনিক লেনদেনে বিটকয়েন ভবিষ্যতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত মুদ্রা হবে। বাংলাদেশ ছাড়াও বিটকয়েন ফাউন্ডেশনে সদ্য যুক্ত হওয়া দেশগুলো হচ্ছে কানাডা, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও ডেনমার্ক। বাংলাদেশীদের জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তনে বিটকয়েন সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তথ্য সূত্র এখানে

২। অর্থনীতিবিদদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জাপান, আমেরিকাসহ ইউরোপের দেশগুলোতে এই বিটকয়েনের কিছু প্রচলন থাকলেও বাংলাদেশে এর প্রচলন করা সম্ভব নয়। তাছাড়া এটা দিয়েতো বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় করা যাবে না। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক অসিম কুমার দাশগুপ্ত বলেন, বিটকয়েনের কোন বাস্তব রুপ নেই। তাই এখানে মানুষের প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কোন মুদ্রা চলবে কি চলবে না তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের। একটা দেশের অভ্যন্তরে ঐ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অর্থনিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার অনুমোদন ছাড়া কোন মুদ্রা বিনিময় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হবে না । সম্প্রতি কৃত্রিম মুদ্রার ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিটকয়েনের প্রচলন নিষিদ্ধ করেছে।

বিট কয়েন সাইটে আমি যে কাজ করেছি তার প্রমাণাদি ও অভিজ্ঞতা:

ক। হ্যা আমিও জানি বাংলাদেশ ব্যাংক বিট কয়েনকে নিষিদ্ধ করেছে।  ইন্টারনেটে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বিট কয়েনের মাধ্যমে পে নিয়ে থাকে। সুতরাং মনে করলাম নেটে প্রায় সময়ই থাকি। সেখানে যদি কিছু মামুলি অর্থ আছে বিনা পরিশ্রমে, তাতে ক্ষতি কি? তাছাড়া এখানে তো নিজের কোন অর্থ ইনভেস্ট করতে হচ্ছে না। যেই ভাবা সেই কাজ। প্রায় ১৪ মাসের মাসের মত হল। এই পর্যন্ত বিট কয়েনে আয় করেছি প্রায় ১১৫ ডলারের মত। অবশিষ্ট আছে ৪৫ ডলার।


খ।। যেহেতু বাংলাদেশে বিট কয়েন দ্বারা কাজ করা যাবে না। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম এই কয়েন দ্বারা আমি ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করব। এই হিসাবে কয়েন দ্বারা আমিসহ আমার বন্ধুদেরকে প্রায় ৭ টির মত ডোমেইন ক্রয় করি। এই তো গতকালকেও একটি ডোমেইন রেজি: করি বিট কয়েন দ্বারা পেমেন্ট করেছি। পারলে আপনারা http://www.who.is সাইটে গিয়ে http://www.nabinbangla.com নামটি চেক করে দেখতে পারেন আমি কোন ভূয়া কথা বলছি কিনা!


গ। যেহেতু পূর্বেই বলেছি বিট কয়েন লেনদেন অনেক নামী ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানও সাপোর্ট করে। যেমন বিখ্যাত ডোমেইন প্রভাইডার http://www.namesilo.com এবং হোস্টিং প্রভাইডার http://www.hostdime.com তাদের সাইটে পেমেন্ট হিসাবে বিট কয়েন সাপোর্ট করে। সুতরাং আমার বন্ধুদের অনেকেরই উক্ত সাইট হতে ডোমেইন কিনে দিয়েছি।


ঘ। বিগত ১ বছর ধরে যে বিট কয়েন আয় করেছি এবং লেনদেনের প্রমাণ পত্র:


ঙ। বিট কয়েন অর্থ একাউন্টে যোগ হলে তা প্রতিবারই ইমেইলে বার্তা আসে নিম্নরুপ:
১।

২।

প্রায় ২ মাস পূর্বের ডোমেইন ক্রয়ের প্রমাণাদি:



উপরোক্ত আলোচনা ও প্রমাণাদির ভিত্তিতে বুঝতে পারলেন বিট কয়েন আয়ের উপযোগীতা। সুতরাং আপনিও আমার মত বিটকয়েনকে বাংলাদেশে লেনদেন না হলেও অনলাইনে অন্য কোন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন যেমনটি আমি করেছি ডোমেইন ও হোস্ট ক্রয়ে। এবং হ্যা বিট কয়েন হতে কিভাবে আয় করতে হয় এবং একাউন্ট ওপেন করতে হয় তা নিম্নে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করছি। তবে হ্যা কাজ শুরু করার পূর্বে আমার টিউনের নিচের অংশ টুকু ভাল করে পড়ে নিন, নোট করুন অতপর কাজ শুরু করুন।

প্রথমে জেনে নিই বিট কয়েন কি?

বিটকয়েন হল ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা। বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বা নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয় না। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার বা গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে বা মোবাইলে । বিটকয়েনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে অথবা কোন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ।



  • বর্তমানে ১টি বিটকয়েনের মূল্য প্রায় 12,000$ ডলার, প্রায় ৩ মাস পূর্বে ছিল 8975.58 ডলার, গত বছর ছিল 975.85 ডলার । অনেকটা শেয়ার বাজারের মতই এর দাম উঠানামা করে, যাহা অনেকেই প্রতিনিয়ত আপডেট দেখে বুঝতে পেরেছেন।

অর্থাৎ বর্তমানে 1 Bit coin = $12,000 !!!

বিট কয়েন এর উপযোগীতা:

১। বিট কয়েন পদ্ধতি অনেকটা নতুন বিষয়। এটাও এক ধরনের পেইজা, পেপাল, মানি বুকার্স এর মত বিট কয়েন লেনদেন পদ্ধতি বা গেট ওয়ে। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশেই বিভিন্ন গেটওয়ে পেমেন্ট প্রসেস হিসাবে অনেক সাইটে বিট কয়েন পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপ, অআমেরিকা উন্নত দেশেই অল্প সময়েই বিট কয়েন পদ্ধতি জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছে। খুব বেশী একটা সময় হয়ত নাই, যেখানে সমগ্র দেশে বিট কয়েন্ট পদ্ধতি চালু হয়ে যাবে। সম্প্রতি বাংলাদেশে অনেকেই বিট কয়েন আয় করছেন।

৩। এর মাধ্যমে যে কোন জায়গাতে পেমেন্ট পরিশোধ, বিল প্রদান, বেতন-বোনাস দেওয়া যাবে। তাছাড়া বিট কয়েন মোবাইলে, ব্যাংক একাউন্ট কিংবা অন্য মাস্টার কার্ডে ট্রান্সপার করতে পারবেন।
৪। অন্য কোন শেয়ার মার্কেট কিংবা বিট কয়েন মার্কেটে এটা বিক্রয় করতে পারবেন।

বিট কয়েন একাউন্টঃ

আপনাকে প্রথমে একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করা লাগবে । এই অ্যাড্রেস সাধারনত ৩৪ Character -এর হয় । এই কারনেই এটা এতো বেশি সিকিউর । এটা মূলত বিট কয়েন গেটওয়ে পেমেন্ট প্রসেস বলা হয়ে থাকে। অর্থাত আপনি যে কোন সাইট হতে বিট কয়েন আয় করুন না কেন, এখানে সমস্ত বিট কয়েন আয় যুক্ত হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এখান হতে সুবিধামত উইথ ড্র করতে পারবেন।

কিভাবে একাউন্ট তৈরি করবেন:

একাউন্ট তৈরি/ওপেন করা খুব সহজ। প্রথমত আমার এই পোস্ট ভালভাবে পড়ে নিন। অতপর পোস্টের টিউটোরিয়াল অনুসরন করে বাকি কাজ করলেই হবে।

১। প্রথমে এইলিঙ্কে যান > এরপর নিচের মত একটা পেজ আসবে


২। এখানে Name অংশে আপনার নামের ১ম এবং শেষ অংশ দিন> Email  এর বক্সে আপনার মেইল অ্যাড্রেস এবং> Password  এর বক্সে আপনার পাসওয়ার্ড লিখুন> এবার সবশেষে টিক মার্ক দিয়ে Create Bit coin Wallet  লিঙ্কে ক্লিক করুন।
৩। এরপর আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস ভেরিফাই করেত বলবে। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসে যান এবং VERIFY MY EMAIL ADDRESS-এ ক্লিক করুন। নতুন কোন উইন্ডো ওপেন হলে ক্লোজ করে দিন। অতপর এই সাইটে পূনরায় প্রবেশ করে  লগইন করুন আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দ্বারা ( রেজি: করার সময়ে যাহা ব্যবহার করেছিলেন)। যদি লগইন করতে পারেন তাহলে বুঝবেন সঠিকভাবে একাউন্টটি ক্রিয়েট করতে পেরেছেন।

(লগইন করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে )


৪। এখান থেকে Setting  থেকে Bit coin Addresses এর উপরে ক্লিক করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে। এরপর Create New Address করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। নিচের মত একটা অ্যাড্রেস তৈরি হবে। এটাকে সেভ করে অথবা কপি করে রাখুন নোটপ্যাডে, পরে কাজে লাগবে মূলত বিট কয়েন সাইট হতে আয় এবং প্রতিবার লগইন করার জন্য।

৫। চাইলে একাউন্টটি আপনি ভ্যারিফাইড করে নিতে পারেন মোবাইল নং দ্বারা। এই জন্য একাউন্ট লগইন করে Verify a Phone অপশনে ক্লিক করুন। একটি বার্তা আপনার মোবাইলে যাবে। সেখানের প্রেরিত কোডটি এখানে ইনপুট করে দিলেই হবে। এই ক্ষেত্রে কয়েন-বেজ একাউন্টের নিরাপত্তা থাকবে। অবশ্য ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাইড কিংবা যুক্ত করার অপশন আসবে, আপাতত এটি করার প্রয়োজন নাই।

বিট কয়েন আয়ঃ

  • নিয়মাবলী:

প্রথম তো বিট কয়েন গেটওয়ে একাউন্ট তৈরি করলেন অনেকটা পেইজার মত। এবার তো আয় করতে হবে। আসলে বিট কয়েন নিয়ে আয় করার অনেক সাইট দেখেছি। কোনটিই আমার তেমন পচ্ছন্দ হয়নি। যে কয়টি সাইট দেখেছি অনেকটাই স্ক্যাম। অর্থাত বিট কয়েন নাম দিয়ে ব্যবসার ফায়দা লুটছে। তাছাড়া নিজে পর্যবেক্ষনে অআছি। যদি তেমন ভাল সাইট পাই তাহলে পরবর্তী পোস্টে জানাব। তবুও মন খারাপের কোন কারন নাই। ফ্রিভাবে বিট কয়েন পাবার জন্য আপনাদের এমন একটি সাইটের লিংক দিব যেখানে প্রতি ঘন্টাতে বিট কয়েন পাবেন কোন রকম কাজ ছাড়াই!!

১। প্রথমে এইলিঙ্কে যান

নিচের মত একটা পেজ আসবে । উক্ত কাজ গুলো করুন তথারুপ:

Your Bitcoin Address – এ কিছুক্ষণ আগে যে বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করলেন সেটা দিন ।
Password For Your Account – এখানে আপনার পাসওয়ার্ড দিন ।
Repeat Password – এখানে পুনরায় একই পাসওয়ার্ড দিন ।
Your Email – এখানে আপনার ইমেইল দিন ।

  • ব্যাস এরপর Sign upবাটনে ক্লিক করুন । আপনার একাউন্ট হয়ে গেছে । ইমেইল ভেরিফাই করা লাগবে না ।

অতপর বিট কয়েন সাইটে প্রবেশ করুন > Have Account ক্লিক করুন> এখানে কয়েনবেজ একাউন্টের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। ( কয়েনবেজ একাউন্টের ঠিকানা হচ্ছে- আপনি কয়েন বেইজ সাইটে রেজি: করার পর ৩৬ ওয়ার্ডের এলোমেলো যে লিংক পেয়েছিলেন সেটিকে বুঝাচ্ছি)
২। এরপর ও পরের চিত্রে ২নং চিহ্নিত অংশের ঘরগুলো পুরন করুন এবং কেপচা দিয়ে LOGIN বাটনে ক্লিককরুন। এরপর নিচের মত পেজ আসবে। এরপর ১নং চিহ্নিত অংশের কেপচা দেখে ২নংচিহ্নিত বক্স পূরণ করে ROLL!(3) এ-ক্লিক করুন।


৩। এরপর যদি নিচের চিত্রের মত টাইমার(2) উঠা শুরু করে তাহলে আপনি Success ।আরযদি Invalid Code লেখা আসে তাহলে আবার TRY করুন হয়ে যাবে।এভাবে প্রতি ঘণ্টায় আপনি বিটকয়েন আর্ন করতে পারবেন। আবার ১ ঘন্টা পর আসুন এবং কেপচা পূরণ করে  ROLL-এ ক্লিক করুন। দেখবেন একাউন্টে বিট কয়েন যোগ হয়েছে। এভাবে ১ঘণ্টা পরপর ওয়েবসাইটে যান এবং আর্ন করতে থাকুন। নিচের চিত্রে দেখুন ৩নংচিহ্নিত অংশে আমার আর্ন দেখাচ্ছে।




 পেমেন্টঃ

এবার আসি পেমেন্টের কথায় । এটা  ১০০% পে করে কারন একাউন্ট করার ১ বছরের মধ্যে প্রায় ১০০ বারের বেশী পে পেয়েছি । তাছাড়া আমার বন্ধুরা অনেকেই এটির সাথে সম্পর্কিত। তাদের অনেকেই প্রায় ১০-১৫ বারের বেশী পেমেন্ট পেয়েছে।
এরা প্রতি রবিবারে পে করে । আপনার একাউন্ট Balance যদি 0.00005460 বিটকয়েনের বেশি হয় তাহলে সেটা অটোমেটিকভাবে সোমবারে আপনার একাউন্টে চলে যাবে । আপনার কিছু করতে হবে না ।
যেমন এই পোস্টটি করেছি আমি নিজে পরীক্ষা করে।  যেহেতু ফ্রিল্যান্স ও ব্লগ করার জন্য আমাকে মাঝেমধ্যে নেটে ১০-১৪ ঘন্টা থাকতে হয়। তাই এই সুযোগটা কাজে লাগাই। তেমন আপনিও লাগাতে পারেন। কেননা-

১। অন্য কোন পিটিসি সাইটের মত সময় নষ্ট হচ্ছে না। কিংবা ক্লিক করতে হচ্ছেনা। ফ্রিল্যান্স করার সাথে সাথেই উক্ত কাজটি করতে পারবেন। শুধুমাত্র প্রতি ঘন্টাতে ক্যাপচা পূরন করলেই হলো। অনেক ফ্রিল্যান্সার গণ বিট কয়েন হতেও আয় করছেন।

২। কোন কাজ না করলেও একাউন্ট ডিলেট কিংবা নষ্ট হবার ভয় নাই।
৩। যরা অল্প মেগাবাইট ব্যবহার করছেন। তারা প্রতি ঘন্টাতে এই সাইটে প্রবেশ করে কাজ শেষ হবার পর নেট কানেকশন বন্ধ করে দিন। অতপর পূনরায় একই কাজ করুন। মূল কথা সর্বদা নেট কানেকশন অযথা চালু করার প্রয়োজন নাই।

৪। এখনো যেহেতু ইউজার কম। সেহেতু এই সাইট বোধ হয় ফ্রিভাবে বিট কয়েন দিচ্ছে। পরবর্তীতে হয়ত কি হবে কে জানে! তাই মনে হয় সময় থাকতে বিট কয়েন অর্জন করতে সমস্যাটা কোথায়?

৫। এখানে কোন ইনভেস্ট, ডোনেট এমন কিছুর শর্ত নাই।
 

কিছু নির্দেশনা ও কাজের কথা:

১। আমি এই পোস্টে মূলত ২ টি লিংকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি তথারুপ এর ১ম টি হচ্ছে coinbase। এটি মূলত একটি পেমেন্ট গেটওয়ে। এখানে কোন বাড়তি আয় হয় বলে ভূল করবেন না।  কেননা, এই সাইট অনেকটা অন্য পেমেন্ট গেটওয়ের মত যেমন: payapal, Ego pay, Payza ইত্যাদির মত। অর্থাত এখানে নিদিষ্ট অর্থ থাকলে তা অন্যত্র ট্রান্সপার কিংবা উইথ ড্র করতে পারবেন।
২। এমনকি যে সব সাইট গুলো হতে বিট কয়েন আয় করবেন, সেখানের অর্থ গুলো এই  coinbase সাইটে- জমা হয়। coinbase সাইটটি আসল ও ইন্টারন্যাশনালভাবে স্বীকৃত।
৩। বিট কয়েন একাউন্টে Multiply BTC অপশনে কোনরুপ পরিবর্তন আনবেন না তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন আছে সেভাবেই কাজ করুন। অবশ্য রেফার অপশন দেখলে দোষ নাই।



৪। মূলত কয়েনবেজ হতে টাকা কিভাবে ক্যাশ করবেন তা অবশ্যই আমার পরবর্তী পোস্টে জানানো হবে, সেইজন্য অপেক্ষা করতে হবে। আপনাদের সুবিধার্তে কিভাবে কি কাজ করলে সহজে বাংলাদেশে টাকা তুলতে পারবেন তার নিয়ম জানাতেই একটু দেরি করছি। কারন বিভিন্ন উপায়ে/মাধ্যমে এই টাকা ক্যাশ করার সিস্টেম আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল কোনটি তা আপনাদের জানানোই আমার একান্ত লক্ষ্য।

৫। কয়েন বেজে মিনিমাম ০.০১০০০০btc হলেই টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। পরামর্শ হল: মিনিমান ০.৫০০০০btc না হওয়া পর্যন্ত ট্রান্সফার না করাই ভাল। কারন এখানে প্রতি ট্রান্সফারে ০.০০২০০০btc চার্জ কাটে। তাই যত বেশি জমাতে পারবেন তত লাভ। একটু সময় দিয়ে যদি ১.০ BTC ইনকাম করতে পারলে মন্দ কি!!
৬। কয়েনবেজ ব্যাংক একাউন্ট আপাতত ভেরিফাইড করা লাগবে না, শুধুমাত্র টাকা জমা থাকলেই হবে।

৭। freebitco সাইটটি পিওর সাইট। যারা Auto-Withdraw ENABLED করা আছে তাদের 0.00005460 হলেই কয়েনবেজ ওয়েলেটে অর্থ পৌঁছে যাবে। তাহলেই বুঝতে পারবেন সত্যিই বিট কয়েন অর্জন করেছেন। অতপর: উক্ত একাউন্টে উক্ত পেমেন্ট সার্ভিসটি Disable করে দিন। কারন এতে আপনার ফ্রি কয়েন আয় করার পরিমান(২২০-৪৫০) বেড়ে যাবে।

৮। সুতরাং যতটুকু সময়-সুযোগ পান, কয়েন সাইটে বিট কয়েন উপার্জন করে যান। অন্য পিটিসি সাইটের মত সময় তো লাগছেনা। যেখানে অনেকেই বিনা কারনে অনলাইন থাকতেন, সেখানে এখন হতে সামান্য কিছু বিট কয়েন আপনার যদি সৌভাগ্য আনয়ন করে তাতে তো লাভ আপনারই!!

৯। একের অধিক একাউন্ট ওপেন  না করাটাই শ্রেয়। কারন যে কোন সময় ব্যান হতে পারেন।

১০। আপনার বিট কয়েনকে অন্য কারোর কাছে সেল করে টাকাতে কনভার্ট করে নিতে পারেন। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশ্বস্ত কিংবা মুখোমুখি লেনদেন করলে ভাল হয়। সুতরা্ং যারা লেনদেন করবেন তারা নিজ দ্বায়িত্বে করবেন।

সর্বশেষ

 বিট কয়েক কি এবং কিভাবে উপার্জন করতে তা হয়ত এই টিউটোরিয়াল অনুযায়ী নিজেই প্রতিটি ধাপে কাজ করতে পারবেন। সুতরাং অন্যান্য কাজের সাথে বিনা-পরিশ্রমে বিট কয়েন আয় করন এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন। যদি মনে করেন এই কাজ করে বড় কিছু করবেন। তাহলে নিজেকে ভূল পথে পরিচালিত করছেন। কারন, ইন্টারনেটে সত্যিকারভাবে টাকা আয় করতে হলে আপনাকে ভালকিছু জানতে হবে, ধৈর্য্য ও মেধার মননশীলতা দরকার এবং ফ্রিল্যান্সিং জানার ও শেখার চেষ্টা করতে থাকুন। অবশ্যই এক সময় ফ্রিল্যান্সিং সাফল্য আপনার কাছে ধরা দিবে। যেমন: এখন নিজে ফ্রিল্যান্সিং করছি ও শিখছি। ইন্টারনেট অর্থ উপার্জনে সঠিকভাবে ফ্রিল্যান্সিং ব্যতিত বিকল্প কিছু নাই।  তারপরেও সম্পূর্ণ ইচ্ছাটা আপনার!! সর্বশেষ টিউন সম্পর্কে মতামত থাকলে টিউমেন্ট করতে পারেন। – পরিশেষে সবাই ভাল থাকুন এবং আবারো নববর্ষের শুভেচ্ছ!!

Saturday, December 30, 2017


السلام عليكم আসসালামু আলাইকুম।
সুপ্রিয় কমিউনিটি সাইটের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। অাজকের প্রকাশিত টিউনে আলোচনা করব বিট কয়েন সাইটের মতই একটি  Crypto currency সাইট।  যেখান হতে বেশ কিছু আয়, উথড্র ও মুদ্রাতে কনভার্ট সহ যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।

Bitcoin ধাতব কোনো মুদ্রা নয়, তবে বিশ্বের কয়েকটি দেশে প্রচলিত রয়েছে অস্পৃশ্য ও মুক্ত এই সাংকেতিক [ক্রিপ্টোগ্রাফিক] কয়েন। প্রচলিত মুদ্রার মতোই ব্যবহৃত হচ্ছে মূল্য পরিশোধ কাজে। অথচ টাকা বা সোনার মতো বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই এই ভার্চুয়াল মুদ্রার। তার পরও যুক্তরাষ্ট্র, চীন, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, জার্মানি ও ভারতের মতো বিশ্বের বেশ কিছু দেশে বিকেন্দ্রীকরণ পদ্ধতির এই ডিজিটাল মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়েছে। অনলাইনে পণ্যমূল্য পরিশোধ করে বিট কয়েনের মতো Lite coin, Pear Coin, Ripple, Dark Coin, Dogecoin কয়েন- এমন অন্তত ডজনখানেক ভার্চুয়াল কয়েন দিয়ে কেনা যাচ্ছে প্রয়োজনীয় পণ্যও। অনলাইন থেকে পণ্য ক্রয়ে এই মুদ্রার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশেও। যাইহোক বিট কয়েন বিষয় নিয়ে আমি টিটিতে বেশ কয়েকটি টিউন করেছিলামাম।সুতরাং নতুন করে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছি না। বিট কয়েন সম্পর্কে পূর্বের টিউনগুলোর রিভিউ দেখতে পারেন এখানে

Dogecoin কি?

Dogecoin একটি নতুন মজা, এবং ডিজিটাল মুদ্রার দ্রুত বর্ধনশীল ফর্ম. ডিজিটাল মুদ্রার এই ফর্ম "crypto currency" বলা হয়; ডিজিটাল মুদ্রা একটি টাইপ. Crypto currency বিকেন্দ্রীভূত, সম্পূর্ণরূপে বেনামী, এবং অত্যন্ত নিরাপদ


Dogecoin একটি আপনার কম্পিউটারে মানিব্যাগ, আপনার স্মার্টফোন, বা একটি ওয়েবসাইটের সাথে ব্যবহার করা হয়। আপনি পণ্য ও সেবা কিনতে, অথবা অন্যান্য মুদ্রা (অন্যান্য crypto currencies বা মার্কিন ডলার মত প্রথাগত একক উভয়) জন্য এটা ট্রেড করার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। Dogecoin জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবহারসমূহ এক সৃষ্টি বা মহান কন্টেন্ট ভাগ যারা সহকর্মী ইন্টারনেট-goers "tipping" হয়। সমস্ত ইন্টারনেট জুড়ে ব্যবহার করা যেতে পারে যে প্রকৃত মূল্য সঙ্গে আরো একটি অর্থপূর্ণ "জীবন" বা upvote, হিসাবে এটা মনে করা হয়। অস্ট্রেলিয়ার একটি ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ এবং আসলে সফলভাবে বছরের দুই সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা মিলিত হয়েছে পূরণ না যারা পোর্টল্যান্ড, আকরিক একটি প্রোগ্রামার যেখানে উইকিপিডিয়া পাওয়া যাবে এবং ডোজ ফল স্বরুপ নাম হয়েছে Dogecoin. আর মানুষ আসলে অন্য মুদ্রার মতই নেটে এটি ব্যবহার করছে। সাধারন ভাবে বলা যায় অনেকটা বিট কয়েনের মতই Crypto currency হল Dogecoin।

Dogecoin এর নাম করন!

ডগি কয়েনের নাম করন কিভাবে হল এবং কেনইবা আবিষ্কার হল তার সুনিদিষ্ট ব্যাখ্যা করা যাবে না। তবে যতটুকু জানা যায়, আপনি ডোজ মেমে সাথে পরিচিত না হন, তাহলে এটা ব্যাখ্যা করা কঠিন - আপনি সাজানোর শুধু এটা নিজেকে দেখতে আছে. মূলত, ইন্টারনেটে কেউ কমিক সান্স চিত্রের একটি devastatingly চতুর Shiba Inu কুকুর কাল্পনিক সিনট্যাক্স চিন্তা বুদবুদ টিউনিং শুরু করেন. মেমে উপর প্রকারভেদ এই মত চেহারা। Dogecoin তার লোগো হিসাবে "ডোজ" ইন্টারনেটের মেমে থেকে Shiba Inu কুকুর একটি উপমা সমন্বিত একটি crypt currency হয় যাহা  একটি ইন্টারনেট tipping সিস্টেম হিসাবে  ডিসেম্বর 8, 2013 তে চালু করা হয়।

Dogecoin বনাম Bitcoin. কোনটি এগিয়ে?


যেহেতু পূর্বেই বলেছি Bitcoin ব্যতিত বেশ কয়েকটি crypto currency মুদ্রা চালু হয়েছে তার মধ্য একটি হচ্ছে Dogecoin। বিট কয়েনের মতই এর কাজের ধারাও হুবুহ একই রকম। অনেকেই কাজ করছেন। তবে সত্যি কথা বলতে বিট কয়েনের জনপ্রিয়তার মত Dogecoin এখনো অনেকটা পিছিয়ে আছে। হয়ত আগামী কয়েক বছরের মধ্যই জনপ্রিয়তার দিকে যাবে। তথাপি আরেকটি মজার ব্যাপার হল আপনার Dogecoin কয়েন আয়কে কনভাট করে Bitcoin এ- রুপান্তর কিংবা ওয়ালেটে প্রেরন করতে পারবেন। অথবা কোন কনভার্ট না করে ডগি কয়েন ওয়ালেটে সংরক্ষণ করতে পারবেন। বর্তমানে 1 Doge = 0.00000048 BTC = 0.00012 USD. সুতরাং বুঝা যাচ্ছে বিট কয়েন মূল্য হইতে কিছুটা পিছিয়ে আছে। তাছাড়া এটিও অনেকটা শেয়ার বাজারের মত, প্রতিনিয়ত রেটিটেন্স উঠানামা করে। Dogecoin এর একটি দ্রুত প্রাথমিক মুদ্রার উৎপাদন সময়সূচী আছে যেখানে প্রতি বছরে একটি অতিরিক্ত 5.2 বিলিয়ন কয়েন সঙ্গে যোগ হয়। 2014 সালের শেষ নাগাদ এর প্রচলন প্রায় 100 বিলিয়ন দাড়িয়েছিল।. Dogecoin এর বাস্তবায়ন বিভিন্ন পরামিতি দ্বারা Bitcoin থেকে পৃথক. Dogecoin এর ব্লক সময় Bitcoin এর ৩.৫ মিনিট উল্টোদিকে 1 মিনিট.

Dogecoin সাইটে কাজ করতে কি যোগ্যতা সমূহ প্রয়োজন?

Dogecoin দিয়ে শুরু হচ্ছে Dogecoin ব্যবহার শুরু করা খুব সহজ যা বিট কয়েন সাইটের কাজের মতই। প্রথমত একটি Dogecoin ওয়ালেটে লাগবে > ভাল Dogecoin একচেঞ্জের কিছু Dogecoin সাইট > আপনার Dogecoin এর একটি আইডি/ইমেইল।

  • কাজের কৌশলঃ

প্রথমে আপনার একটি Dogecoin ওয়ালেট ঠিকানা লাগবে যেখানে আপনার Dogecoin আয়সমূহ উক্ত সাইটে জমা হবে। প্রয়োজনে সেখান হইতে কনভার্ট কিংবা উইথড্রসহ যাবতীয় ট্রানজেকশন করতে পারবেন। আসলে কাজটা হল বিটকয়েন সাইটের ওয়ালেট কয়েনবেইজ ঠিকানার মতই একটি আইডি। উল্লেখ্য Dogecoin আয়সমূহ কোনভাবেই বিটকয়েন ওয়ালেটে জমা হবেনা কিংবা সেন্ড করা যাবে না। সুতরাং এর নিজস্ব একটি ওয়ালেট ওপেন করতে হবে। এবং Dogecoin সাইটে কাজ করার পূর্বশর্ত হল Dogecoin ওয়ালেট ঠিকানা। Dogecoin সাইটের বেশ কয়েকটি ওয়ালেট ঠিকানা আছে। তার মধ্য জনপ্রিয় হল Dogechaininfo তাহলে এবার দেখিয়ে দিই কিভাবে একটি ওয়ালেট ওপেন করবেন?
১। প্রথমে প্রবেশ করুন এখানে
২। নিচের মত চিত্র আসবে সেখানে Create Wallet এ-ক্লিক করুন



৩। নতুনভাবে একটি চিত্র আসবে। সেখানে আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড ইনপুট করে Create Wallet এ-ক্লিক করুন।> ইমেইলে বার্তা যাবে সেটি ভেরিফাই করুন।

সতর্কতা

আপনার মেইলে Dogecoin ওয়ালেটে লগইন করার একটি এড্রেস/কোড যাবে। সুতরাং পাসওয়ার্ডসহ সেটি আপনার ডায়েরী, ইমেইল কিংবা অন্য কোথাও টুকে রাখুন, ইমেজ করে রাখুন। হারিয়ে গেলে কিন্তু মহা সমস্যা! কোনভাবেই রিকভার করতে পারবেন না। তাছাড়া Dogecoin সাইট ও ওয়ালেটে লগিন করতেও কাজে লাগবে।

৪। ব্যাস এবার আপনার Dogecoin ওয়ালেট লগিন করলে নিম্নরুপ চিত্র আসবে। সেখানে আপনার যাবতীয় ট্রানজেকশন জমা ও হিষ্টরি দেখতে পাবেন। সুতরাং কয়েনবেইজ সাইটের মতই এই ওয়ালেট হইতে ডগি কয়েন সেন্ড/রিসিভ করতে পারবেন। এবং সেই সাথে ডগিকয়েন ওয়ালেট হইতে আপনার ৩৪ বর্ণের সংখ্যা/ঠিকানাটি নোট প্যাডে/ওয়ার্ডপ্যাডে কপি করে নিন। পরবর্তী ধাপে কাজে লাগাতে হবে।


কিভাবে Dogecoin সাইটে কাজ করবেন?

ব্যাস ওয়ালেট তো ওপেন করলেন! এবার ডগি কয়েন সাইটে সাইনআপ করার পালা। ডগি কয়েন সাইটে আয় করার অনেকগুলো সাইট আছে তার মধ্য জনপ্রিয় সাইট হল ডগিকয়েন ইন। তাহলে সাইনআপ করতে ক্লিক করুন এখানে
১। নিচের মত চিত্র আসবে। সেখানে Email Address, Password, Dogecoin Address টাইপ করে Signup বাটনে ক্লিক করলেই হবে। এবং আপনার মেইলটি চেক করুন। অতপর লগইন করুন।

(বি:দ্র: Dogecoin Address এ- আপনার ডগিকয়েন ওয়ালেটের ৩৪ বর্ণের সংখ্যাটি ইনপুট করতে হবে। যাহা প্রথমদিকে ওপের করেছিলেন)
২। লগইন করলে নিচের চিত্রটি পাবেন


এখানে কাজের কৌশল হুবহু বিটকয়েন ইন সাইটের মতই কার্বন কপি। প্রতি ১ ঘন্টাতে ক্যাপচা পূরন করতে হবে। এবং প্রতি সোমবারে অটোমেটিক পে করে। সুতরাং আর নতুন করে বলার কিছুই নাই। এবার নিজেই যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।

পেমেন্ট পাবার প্রমানাদি চিত্র

যেহেতু নিজের ব্যস্ততা, ছোটখাট ফ্রিল্যান্স ও ব্লগিং করার কারনে এই সকল সাইটে তেমন সময় দিতে পারি না। তবে এই টিউন লেখার পূর্বে কাজ করে পরীক্ষা করে দেখেছি। এবং ডগি কয়েনের উপার্জন ডগিকয়েন ওয়ালেটে ৬ বার ট্রানজেকশন করেছি। ট্রানজেকশনের চিত্র নিম্নরুপ-

 Dogecoin এর বেশ কিছু সাইটের সাথে পরিচয়

আপনার যারা পূর্বে বিট কয়েন সাইটে কাজ করেছেন ও করছেন তারা বোধ হয় অতিরিক্ত বিট কয়েন পাবার জন্য বেশ কিছু স্পেশাল সাইটে কাজ করেন যেখানে প্রতি মিনিট ঘন্টাতে ৫০০-১০০০০ পর্যন্ত সাতোশি পাওয়া যায়। মূলত এই সাইট গুলোকে Fauct Site বলা হয়। Dogecoin সাইটে বাড়তি সাতোশি ইনকাম করার জন্য ২/১ টি Fauct ‍সাইট আছে আমি সেগুলোর সাথে পরিচয় করাব। অবশ্য বিটকয়েন সাতোশির মত এখনো অতিরিক্ত ডগিকয়েন সাইটে সাতোশি প্রচলন হয়নি।

 ক। মুনডগিকয়েন

এই সাইটে সাইনআপ করলে প্রতি ৫ মিনিট পর ১৩.৬০ ডগি পাইবেন। রেজি: এর কোন ঝামেলা নাই। শুধুমাত্র ডগি ওয়ালেট ঠিকানা ইনপুট করলেই হবে। কাজ করতে ক্লিক করুন এখানে

 খ। কয়েন প্রো

সাইন আপ করতে কাজ করুন এখানে। এই সাইটের প্রধান বৈশিষ্ট হল একবার রেজিঃ করলেই হবে। কোন ক্যাপচা কিংবা ইমেজ মিল করনের কোন কাজ নাই। অর্থাত কোন কাজ না করেই প্রতিদিন নিদিষ্ট পরিমান ডগিকয়েন জমা হতে থাকবে।


শুধু এখানে ডগিকয়েন নই বিট কয়েনসহ আরো ১০ টি সাইটের বিট পাইবেন ফ্রিভাবে প্রতিদিন। অতপর সাইটের নিয়মানুযায়ী নিদিষ্ট পরিমান বিট জমা হলেই ওয়ালেটে উইথড্র করা যাবে।

ডগি কয়েনকে কিভাবে আপনি বিটিসি কিংবা অন্য কোন মুদ্রাতে কনভার্ট করবেন?

হ্যা এই রকম বেশ কিছু সাইট আছে যেমন এক মুদ্রা হইতে খুব সহজেই  অন্য মুদ্রা যেমন বিট কয়েন, লাইট কয়েনে রুপান্তর করা যাবে। এমনকি ডলারে কনভার্ট করতে পারবেন। তবে তার জন্য নিদিষ্ট পরিমাণ চার্জ আছে। আলফাক্যাশিয়ার, গোল্ড ডাস্ক সাইটের মত জনপ্রিয় সাইটে ডগি কয়েনকে যে কোন মুদ্রা/ডলারে রুপান্তর করতে পারবেন। অবশ্য যদি সুযোগ হয় তাহলে পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। তবে তার পূর্বে আপনাকে এখানে কাজ করতে হবে, ভাল পরিমান ডগি কয়েন অর্জন করতে হবে।


শেষ আলোচনা

টিউনের আলোচনার একদম শেষ সময়ে।  আশা করি উপরোক্ত আলোচনা হতে বিট কয়েনের ন্যায় ডগি কয়েন সম্পর্কে সম্যক ধারনা পেয়েছেন এবং আশা করি এখন হতে যাবতীয় কাজ গুলো নিজেই করতে পারবেন। তথাপি ডগি কয়েন সম্পর্কে টিউন করার উদ্দেশ্য হল এই বিষয় সম্পর্কে ধারনা লাভ করা এবং যে ডগি কয়েনগুলো আয় করবেন তা পরবর্তীতে কনভার্ট করে যে কোন মুদ্রাতে যেমন বিটকিয়েনে রুপান্তর করে বিটিসি আয় বৃদ্ধি করা। অপরদিকে যারা কোন ফ্রিল্যান্স সম্পর্কে কাজ জানেন না কিন্তু নেটে একটু হলেও নিয়মিত সময় দেন তারা কিছুটা মামুলি আয় করতে পারবেন। তথাপি  মানে এই নই যে, আমি বিট কয়েন/ডগি কয়েন সাইটে সর্বদা কাজ করার জন্য প্রমোট করছি?? আমি পূর্বের টিউন সহ পুনরায় রিপিট হিসাবে বলছি আপনি এই সকল কাজ করার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্স শেখার চেষ্টা করুন। টিটি সহ বিভিন্ন ব্লগ সাইটে সার্চ করলেই অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন অপরদিকে বাজারে টিউটোরিয়াল ভিডিও, প্রশিক্ষণ সেন্টার, এবং সহায়িকা বইয়ের তো অভাব নাই। সুতরাং আপনার যখনই সময় হবে একটু করে ফ্রিল্যান্স জানার ও শেখার চেষ্টা করুন। সবাই ভাল থাকবেন, পাশের মানুষটিকে ভাল রাখবেন।
 
Copyright © বিডি.পয়সা ক্লিক,নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত. মডিফাইঃ পিসি টীম, সার্ভার হোস্টেডঃ গুগল সার্ভিস