Tuesday, April 24, 2018

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। গত কিছুদিন থেকেই ফেসবুক গ্রুপ ও ব্লগে আমাদের টীমকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন বিট কয়েন আয়ের ব্রাউজার মাইনিং বিষয়ে একটি পোষ্ট করতে।যাইহোক বর্তমানে ব্রাউজার অন রেখে Mining নিয়ে অনেক অনেক  Apps/Plugin বাহির হয়েছে।তবে সবগুলোর কাজ এক নই, কোনটির জন্য হাই পাওয়ার পিসি লাগে, আবার কোনটি স্ক্যাম ইত্যাদি। তথাপি স্বল্প সময়ে সবগুলোর কাজ চেক করা আমাদের পক্ষেও সম্ভব নই। তবুও আপনাদেরকে নিরাশ করব না ভেবে ৩-৪টি প্লাগিন দেখেছি। তার মধ্য হতে একটি বাছাই করলাম। এবার সেই সম্পর্কে আপনাদের বলব।

মূল আলোচনার পূর্বে প্রথমে জেনে নিই ব্রাউজার মাইনিং কি?

Browser Mining হল কোন ব্রাউজারে যেমনঃ Mozila, Chorome, Opera, UCC, Maxthon, IE ওপেন রেখে সেখানে একটি Plugin সক্রিয় করা। এই প্লাগিন অন রেখে যতক্ষন ব্রাউজার ওপেন থাকবে ততক্ষন আপনার Cyrpto Currency মাইনিং হতে থাকবে। সেটা হতে পারে Bitcoin, Dogecoin, Bitcoin cash, Peer coin সহ অন্যান্য। এখানে সামান্য নেট খরচ হতে থাকে এবং আপনার পিসি কিছু র‌্যাম রিসোর্স ব্যবহার করে মূল সার্ভারের ক্লাউড মাইনিং করার চেষ্টা করে। যার বিনিময়ে প্রতিদিন কিছু কিছু পরিমাণ Bitcoin ডিপোজিত পাবেন আপনার Mining কৃত একাউন্টে।

Mining সাইটের পরিচয়ঃ

তেমন একটি সাইট পাইলাম তার নাম হচ্ছে getcryptotab. এক নজরে এর বৈশিষ্টগুলো জেনে নিই-

  • ১। এই সাইটের একটি প্লাগিন আপনাকে ব্রাউজারে ইনস্টল করতে হবে। এবং ব্রাউজারটি শুধুমাত্র গুগল ক্রোমের যে কোন ভার্সন হলেই হবে।
  • ২। Ram ও Hardware উপর তেমন একটা চাপ সৃষ্টি করেনা।
  • ৩। যে কোন ভাবে Boost Mining করতে পারবেন যথারুপঃ Normal, Medium & High Moode
  • ৪। আনলিমিটেড রেফারেল করতে পারবেন। প্রতি রেফারেলে আপনি ০০.০৩ বিটিসি হিসাবে পাবেন।
  • ৫। ব্রাউজারে এটি সচল থাকলেও আপনি একই ব্রাউজারে অন্যান্য কাজ করলেও সমস্যা সৃষ্টি করবেনা।
  • ৬। নেট খরচ তেমন নাই বললেই চলে। মনে করি, আপনি ১ দিনে সর্বমোট ১৬ ঘন্টার মত মাইনিং করলেন। তাহলে নেট খরচ হবে প্রায় ১০-১৫ এমবির মত। 

কিভাবে একাউন্ট ওপেন ও মাইনিং করবেন?

১। প্রথমে আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করুন এবং রেজিঃ করতে কিংবা ক্লিক করুন এখানে অথবা, নিচের চিত্রে ক্লিক করলেও হবে।
২। নিচের মত একটি চিত্র আসবে


৩। এখানে Add to chrome and get bitcoin এ-ক্লিক করে প্লাগিনটি ইনস্টল করুন। ১ মিনিট মত সময় নিবে।


৪। নিম্নরুপ পপআপ বার্তা দিবে। এটি আসলে Add Extension অপশনে ক্লিক করুন।


৫। এরপর আপনার ব্রাউজারে উপরের ট্যাবে সর্বডানে লক্ষ্য করুন সেখানে হলুদ চিহৃর একটি আইকন যোগ হয়েছে।যদি যোগ হয় তাহলে বুঝবেন সঠিকভাবে ইনস্টল হয়েছে। নিম্নরুপঃ


৬। এবার সম্পূর্ণ ভাবে ওপেন হলে নিচের চিত্রের মত পাবেন। অনুগ্রহ করে বিষয়টি লক্ষ্য করুন। আরেকটি বিষয় এরপর অন্য কোন অপশন আসলে তাতে Skip করে এড়িয়ে যাবেন।



৭। অন্যান্য অপশন গুলো ঠিক করতে যেমনঃ উইথড্র বিষয়, মাইনিং ট্যাগ, রেফারেল শেয়ার প্রভৃতি বিষয়াদি জানতে ফ্লোট মেনুতে ক্লিক করলেই হবে। নিম্নরুপ চিত্র-


৮। এবার আপনার উক্ত একাউন্টে সেটিংস অপশনে গিয়ে Google Plus/Twitter/Facebook এর যে কোন একটি যোগ করলেই হবে। এর মানেটা হলঃ আপনার ব্রাউজার হতে কোন কারনে যদি প্লাগিনটা ডিলেট হয়ে যায় কিংবা হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে সময়ে আপনি Google Plus দ্বারা লগইন করলেই হবে। এটি যুক্ত করতে এই লিংকে ক্লিক করুন এখানে  অথবা নিচের চিত্রে ক্লিক করলে হবে কিংবা এটি কপি করে ক্রোমে ওপেন করে নিলেই হবে। 

কিভাবে উইথড্র করবেন?

Setting Option হতেই জানতে পারবেন। অবশ্য অপশনগুলো ২-৩ বার ঘাটাঘাটি করলেই নিজেই বুঝতে পারবেন।তবুও বলছি মিনিমাম ০.০০০৪১ বিটিসি হতে হবে। এই যেমন আমার এখনো ০.০২১ পয়েন্ট বাকি আছে। আমার একাউন্টের Live Image


সর্বশেষঃ 

টিউটোরিয়ালের একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, চিত্র অনুযায়ী নিজেই কাজগুলো করতে পারবেন। তারপরে সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন। এবং হ্যা আমি কিন্তু এই পরীক্ষাটি নিজে পিসিতে বসে করেছি। সুতরাং PC/Laptop/Tab যে কোনটাতেই কাজ করবে এবং অবশ্যই গুগল ক্রোম ব্রাউজার ইনস্টল থাকতে হবে। মোবাইলে কাজ করবে কিনা আমার জানা নাই। তবে মনে করি, Androit সেটে ক্রোম থাকলে সেখানেও কাজ করা যাবে। যদি কাজটি হয় তাহলে আমাদের জানাবেন। এবং হ্যা যারা Dualcore জাতীয় পিসি ব্যবহার করছেন তারা মাইনিং অপশনটি মিডিয়াম কিংবা নরমাল মুডে অন রেখে কাজ করলে ভাল ফল দিবে। এর থেকে হাই কনফিগারেশন পিসিতে যে কোন মুডে কাজ করলেই হবে। তবে মাঝে মধ্য রেস্টের জন্য মুড পরিবর্তন করলে ভাল হয়। আজ এই পর্যন্তই, সবাই ভাল থাকুন।
এখানে আপনার বিজ্ঞাপণ দিন

Monday, April 23, 2018

আপনারা অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করতে খুবই আগ্রহী। এই টিউনে আমি আপনাদের সাথে  শেয়ার করব একটি মিনি অ্যাফিলিয়েট সাইট। যেখানে খুব সহজেই আপনি শুধুমাত্র ইউনিক ভিজিটর জেনারেটের মাধ্যমে একটি স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন। আমি নিচের দিকে ভিডিও এড করে দিয়েছি যাতে আপনারা ভাল করে বুঝতে পারেন।  একে মিনি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলার কারন হল  কাজটি একেবারে বিগেইনার দের জন্য। এটা প্রফেশনাল কোন কাজ না। তবে বিগেনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আপনার যাত্রা শুরু করে নিজেকে যাচাই করার জন্য এই সাইট বেস্ট। সাইটটির নাম BestChange অ্যাফিলিয়েট এর মাধ্যমে মাসে $200 থেকে $300 আয় করুন

BestChange কি?

এটি একটি অনলাইন ফ্রি সার্ভিস যারা একাধারে ইলেক্ট্রনিক মানি এক্সচেঞ্জার, অনলাইন ব্যাংকিং এবং মানি ট্রান্সফার সার্ভিস দিয়ে থাকে। এরা ৫০ টারও বেশি রেজিস্ট্রার্ড মানি এক্সচেঞ্জার আছে। আপনি যদি যেকোন পেমেন্ট প্রসেসরের ডলার কে কনভার্ট করে অন্য পেমেন্ট প্রসেসরের ডলার চান তবে এটি আপনার কাছে বেস্ট সাইট। কারন এই সাইট আপনাকে বলে দিবে যে কোন কনভার্ট সাইটে রেট বেশি পাবেন। যেমনঃ বিটকয়েন থেকে পেজা, পেজা থেকে পেপাল, পেপাল থেকে নেটেলার ইত্যাদি।



BestChange এর বৈশিষ্ঠ্য

  • এক পেমেন্ট গেটওয়ের  থেকে অন্য পেমেন্ট গেটওয়েতে ডলার ট্রান্সফার করতে পারবেন।
  • Link Share দ্বারা Affiliate Marketing এর মাধ্যমে  ইনকাম করতে পারবেন।
  • Referral তৈরি করার মাধ্যমে রেফারেল ইনকাম করতে পারবেন।
  • রেফারেল দের ইনকাম এর এক অংশও পাবেন।

    BestChange এ কিভাবে কাজ করবেনঃ

    প্রথম স্টেপঃ একাউন্ট তৈরি করা।

    ১.  এই লিঙ্কে  ক্লিক করুন।
    ২. লিঙ্ক ওপেন হলে Affiliate Program এ ক্লিক।
    ৩. Affiliate Registration এর প্যারাগ্রাফ থেকে follow this link
      এ ক্লিক করুন।



    ৪. স্ক্রল করে একটু নিচে এসে ফরম পূরণ করুন। তবে ফরম পূরন করার জন্য কিছুটা টেকনিক ব্যবহার করবেন। কারন এই পদ্ধতিতে আপনি ফর্ম পূরন করলে আমার রেফারেল লিস্ট থেকে আপনার ই-মেইলে বিভিন্ন আয়ের টিপস  পাঠাবো।

    ·       Username:  ইউজারনেম হিসেবে আপনার জিমেইলের @gmail.com এর আগের অংশ দিবেন।   যেমনঃ আপনার জিমেইল একেউন্টঃ [email protected]  সুতরাং আপনার ইউজারনেম   হবেঃ Poisaclick
    ·         E-mail: আপনার একটা জিমেইল একাউন্ট দিন।
    ·         Password: আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড দিন letter ও সংখ্যাসহ (মাঝে মাঝে বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করবেন তাহলে পাসওয়ার্ড শক্ত হবে। )।
    ·         Repeat the Password:  একই পাসওয়ার্ড আবার দিন।
    ·         নিচের ৯ টা বক্সের মধ্য ১টা ফাকা রেখে বাকী ৮ টাতে  ক্লিক করে টিক চিহ্ন দিন।
    ·         Registration  বাটনে ক্লিক করুন।


      ৫. E-mail চেক করুন। আপনার ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক, সাপোর্ট ই-মেইল ইত্যাদি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে (ইনবক্স এ না পেলে স্পাম ও চেক করুন


      তৃতীয় স্টেপঃ অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক খুঁজে বের করা।

      একাউন্ট করার পর একটা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক পাবেন। এই লিঙ্কের মধ্যে একটি ইউনিক কোড থাকবে যা দিয়ে নির্ধারন করবে যে, কোন ভিজিটর টা আপনার। অর্থাৎ আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ক্লিক করে কোন ভিজিটর এই সাইটে আসলে ঐ ইউনিক কোডের মাধ্যমে ট্রাকিং হবে যে, এই ভিজিটরটা আপনি পাঠিয়েছেন। আর এরজন্য সকল ইনকাম আপনার একাউন্টে জেনারেট হবে।
      লগিন করে ড্যাশবোর্ডে ঢুকলেই Affiliate link এর ডানপাশে একটা লিঙ্ক পাবেন। এটাই আপনার রেফারেল বা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক।

      চতুর্থ স্টেপঃ ইনকাম স্ট্রাটেজি সম্পর্কে জানা

      এই সাইট থেকে আপনি ৪ টা উপায়ে ইনকাম জেনারেট করতে পারেন।

      প্রথমতঃ বিটকয়ে​​​​​ন​ ক্লেইমের মাধ্যমে

      এখানে প্রতি ঘন্টায় একবার করে বিটকয়েন ক্লেইম করা যায়। এতে আপনি ১০ থেকে ১, ০০০ সাতোশি পর্যন্ত ফ্রি তে ইনকাম করতে পারবেন।

      নির্দেশনাঃ

      • এখানে প্রতি ২০ মিনিট পরপর ক্লেইম করতে পারবেন। এই যেমনঃ প্রেরিত চিত্র অনুযায়ী আমি ১১ সাতোশি আর্ন করেছি। 
      • ক্লাইম করতে আপনার বিটকয়েন ঠিকানা লাগবে। 
      • কিভাবে বিটকয়েন ঠিকানা পাবেন এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পোষ্ট করেছিলাম। সেটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে

      দ্বিতীয়তঃ ইউনিক ভিজিটর জেনারেটের মাধ্যমে 

      আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে যত ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করবেন। তার প্রত্যেকের জন্য আপনি ইনকাম পাবেন গড়ে ৪ সেন্ট। ভিজিটরের ধরনের উপর ভিত্তি করে এই পরিমানের তারতম্য হতে পারে। অর্থাৎ প্রতিদিন ১০০ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি  পাবেন গড়ে  ১০০*০.০৪= ২৫ ডলার।

      তৃতীয়তঃ Exchanger Monitoring Service ব্যবহারের মাধ্যমে

      আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে কোন কাসটমার এসে যদি ডলার কনভার্ট করার জন্য বেস্ট সাইট খুঁজে বের করতে চায়। তবে এই Exchanger Monitoring Service ব্যবহারের জন্য আপনি বাড়তি ইনকাম পাবেন।
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার “Exchanger Monitoring Service” ব্যবহার করলে আপনি বাড়তি পাবেনঃ $0.01 x 9;
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার  ৩  দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.02;
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার  ৭ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.03;
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার  ১৪ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.04;
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার ৩০ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.06;
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার ৬০ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.09;
      •  আপনার রেফারেল কাস্টমার ৯০ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.013;

      চতুর্থতঃ  রেফারেলের মাধ্যমে

      BestChange  থেকে আপনি ২ লেভেল পর্যন্ত রেফারেল ইনকাম পাবেন।
      •  প্রথম লেভেল থেকেঃ ৩০%
      •  দ্বিতীয়  লেভেল থেকেঃ ১০%
      আপনার BestChange এর অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ধরে যদি কেউ জয়েন করে তবে সে আপনার ডিরেক্ট রেফারেল বা প্রথম লেভেল রেফারেল। আর আপনার এই রেফারেলের লিঙ্ক দিয়ে যে জয়েন করবে সে আপনার দ্বিতীয় লেভেল রেফারেল।

      পঞ্চম স্টেপঃ প্রোমোশনাল ম্যাটেরিয়াল বাছাই করা

      BestChange এর নিজস্ব  অনেকগুলো প্রোমোশন ম্যাটেরিয়াল (টেক্স, ব্যানার, স্ক্রিপ্ট সহ অনেক) আছে। যা আপনার প্রোমোশনাল কাজকে অনেক সহজ করে দিবে। অর্থাৎ এই প্রোমোশনাল ম্যাটেরিয়াল গুলা দ্বারা আপনি সহজেই ভিজিটরকে আকৃষ্ট করে সাইটে পাঠিয়ে ইনকাম করতে পারেন।

      ১. লগিন করে একটু নিচে আসলেই Promotional materials এর আন্ডারে
      Affiliate link: এটি একটি রেফারেল বা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক।
      Affiliate link in the HTML code: ওয়েবসাইট বা ব্লগে পাবলিশ করার জন্য HTML কোড
      Hidden affiliate link in the HTML code: এটি একটি হিডেন অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক এর HTML কোড
      Affiliate link in BBCode: ফোরামে পাবলিশের জন্য বিবি কোড।
      ২. বাম দিকের মেনু হতেঃ
      Affiliate link code: এখানে আপনার জন্য বিভিন্ন ধরনের রেফারেল লিঙ্ক পাবেন।
      Banners: এখানে বিভিন্ন সাইজ ও বিভিন্ন স্টাইলের ব্যনার কোড পাবেন।
      Text Materials: এখানে ভিজিটরকে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন টেক্স ম্যাটেরিয়াল পাবেন।

      ষষ্ট স্টেপঃ প্রোমোশন করা

      এ পর্যায়ে আপনার কাজ হল যেকোন ভাবে হোক ইউনিক ভিজিটর (পেইড ট্রাফিক) জেনারেট করা। যারা  এর সার্ভিস ব্যবহার করে মানি এক্সচেঞ্জ করবে।
      বিভিন্নভাবে আপনি ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করতে পারেন। যথাঃ

      ১. সোসাল মিডিয়াঃ

      • বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমোট করতে পারেন।
      • বিভিন্ন ফেসবুক পেজে  আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমোট করতে পারেন।
      • বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক টিউনের টিউমেন্টের মাধ্যমে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমোট করতে পারেন।

      ২. ইউটিউব মার্কেটিংঃ

      • নিজের ভিডিও পাবলিশ এর মাধ্যমে।
      • রিলেভেন্ট ভিডিও এর টিউমেন্টের মাধ্যমে।
      ৩. নিজের ওয়েবসাইট / ব্লগঃ
      • কন্টেন্ট পাবলিশ এর মাধ্যমে।
      • ব্যানার এড সেটাপের মাধ্যমে।
      • টেক্স এড সেটাপের মাধ্যমে।

      ৪. ব্লগ টিউমেন্টিংঃ

      • রিলেভেন্ট টিউনের টিউমেন্টের মাধ্যমে।
      • নিশ রিলেটেড বিভিন্ন টপিকের আলোচনায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে।

      ৫. ফোরাম টিউনিংঃ

      • ফোরামে নতুন টপিক টিউন করার মাধ্যমে।
      • রিলেভেন্ট টপিকের রিপ্লায়ের মাধ্যমে।
      • ম্যাসেজ সিগনেচারে লিঙ্ক এড করার মাধ্যমে।

      সপ্তম স্টেপঃ উইথড্রো দেওয়া

      আপনি সর্বনিম্ন $1 ডলার ইনকাম হলেই আপনার ইনকাম করা ডলার উইথড্রো করে নিতে পারবেন। তবে উইথড্রো করার পর সাইট এডমিন আপনার একাউন্ট চেক করার পর ৫ বিজনেস দিবসের মধ্যে আপনার পছন্দের পেমেন্ট প্রসেসরে আপনি আপনার ডলার পেয়ে যাবেন।

      নিম্নলিখিত পেমেন্ট প্রসেসরে আপনি উইথড্রো করতে পারবেন।

      • Perfect Money (USD, EUR)
      • Payeer (USD, EUR)
      • QIWI (USD, EUR)
      • OKPay (USD, EUR)
      • AdvCash (USD, EUR)
      • Paypal (USD)
      • BitCoin (BTC)

      মাসে ১০০, ২০০, ৩০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি​ কি?

      মাসে ১০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি

      প্রতিদিন ১০০ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি সাধারন ইনকাম রুলে পাবেন= ১০০* ০.০৪= ৪ ডলার।অর্থাৎ প্রতিমাসে ইনকাম পাবেন= ৪*৩০=১২০ ডলার
      মাসে ২০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি


      প্রতিদিন ১৬৭ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি সাধারন ইনকাম রুলে পাবেন= ১৬৭* ০.০৪= ৬.৬৮ডলার।অর্থাৎ প্রতিমাসে ইনকাম পাবেন= ৬.৬৮*৩০=২০০ ডলার

      মাসে ৩০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি 

      প্রতিদিন ২৫০ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি সাধারন ইনকাম রুলে পাবেন= ২৫০* ০.০৪= ১০ ডলার। অর্থাৎ প্রতিমাসে ইনকাম পাবেন= ১০*৩০=৩০০ ডলার


      কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশনা

      • যে কোন অবৈধ উপায়ে  Fake click  করার চেষ্ঠা করবেন না। এতে আপনার আকাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
      • যে কোন অবৈধ উপায়ে  Fake Registration  করার চেষ্ঠা করবেন না। এতে আপনার আকাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
      • অবৈধ উপায়ে বা কোন সফটওয়ারের মাধ্যমে ট্রাফিক জেনারেট করবেন না।
      • অটো সার্ফ ভিজিটর দিলে আপনার আকাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।

      সর্বশেষ

      টিউটোরিয়ালের একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, একাউন্ট ওপেন হতে শুরু করে ইনকাম বিষয়ে আর কারোর সমস্যা হবার কথা নই। তারপরও সমস্যা থাকলে কমেন্ট করতে পারেন, সাধ্যমত সমাধানের চেষ্টা করব। তথাপি টিউটোরিয়াল অনুসরন করে কারোর সামান্যতম উপকার হলেও লেখার স্বাথৃকতা খুঁজে পাব। আরেকটি কথা এই পোষ্টটি সংগ্রহ বশত নিজে মডিফাই, অলংকরন করেছি। এই পোষ্টের ধন্যবাদ পাবার প্রাপ্য হলেন টেকটিউন সাইটের নবীন লেখক সবুজ আলী ভাই। বিডি পয়সাক্লিক টীমের পক্ষ হতে তাকে অসংখ্যক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সুতরাং আজ এই পর্যন্তই। আগামী পর্বে অন্য কোন বিষয় নিয়ে লেখা হবে। সবাই ভাল থাকুন।

      Monday, April 9, 2018

      আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন আর ভাল থাকবেন এটাই কামনা করি সারাক্ষন। ফ্রিল্যান্সিং এর যুগে অনলাইন আর্নিং এর প্রতি কম বেশী সবার আগ্রহ। কিন্তু অনেকেই অহেতুক সময় নষ্ট করে এই ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য। আজ আমি আপনাদের নিয়ে আলোচনা করব কিভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করবেন। প্রথমে আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ঘুরে আসুন আর আমার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন। আপনারা অনুপ্রনিত হবেন এবং আমাকেও অনুপ্রানিত করবেন।


      ১. চলুন একটি একাউন্ট তৈরি করি  

      প্রথমেই একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করুন নামটাই অনেক কিছু। তাই প্রথমেই এমন একটি নাম চিন্তা করুন যা এর আগে কেউ ব্যবহার করেনি। নামটি আপনি যে কোন বিষয়ের উপর নিতে পারেন, সেটা হতে পারে রান্না বিষয়ক, গেমস নিয়ে, স্বাস্থ্য নিয়ে বা যে কোন বিষয়। কিন্তু সাবধান একবার যদি আপনি আপনার চ্যানেলের নাম ঠিক করে ফেলেন তাহলে তা আর কখনো পরিবর্তন করতে পারবেন না। দরকার হলে অনেক সময় নিয়ে চিন্তা করুন, ভাবুন তারপর ঠিক করুন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম। তবে নামটি অবশ্যই এমন একটি নাম দিবেন যাতে আপনার চ্যানেলের নাম খুব সহজে মনে রাখা যায়। ভুল করেও কখনো সংখ্যা দিয়ে নাম ব্যবহার করবেন না। এই সাইটে গিয়ে আপনি চেক করে নিতে পারেন আপনি কোন নামটি দিবেন। সাইটটির ঠিকানা – http://socialblade.com/youtube  এই ঠিকানায় গিয়ে চেক করে নিতে পারেন আপনার নামটি ঠিক আছে কিনা? 
      একটি ইমেইল নিবার্চন করুন আপনার চ্যানেল এর জন্য   আমরা সবাই জানি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে একটি ইমেইল লাগবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে জিমেইল ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রথমেই একটি নতুন জিমেইল একাউন্ট খুলে নিতে হবে। একাউন্টটি অবশ্যই ভেরিভাই করে নিতে হবে। আর মনে রাখবেন ২ ধাপ এর ভেরিফিকেশন দিয়ে রাখবেন আপনার একাউন্টে। তাহলে আপনি ছাড়া আর কেউ এই একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না।


      ২. কপিরাইট এবং ফেয়ার ইউজেস 

      কপিরাইট এড়িয়ে চলুন আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ফেলেছেন তখন আপনি ইউটিউব এর পার্টনার। আর পার্টনার থাকা অবস্থায় এমন কোন ভিডিও আপলোড করবেন না, যাতে কপিরাইট থাকে। যেমন অন্যের গান এর মিউজিক নকল করে আপনার ভিডিওতে ব্যবহার, অন্য কোন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান। আপনি আপনার ভিডিওতে ইউটিউবের নিজস্ব কিছু গানের ট্রাক থেকে গান নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারেন। কখনোই নকল করবেন না, কারণ ইউটিউব জানে আপনি কোথা থেকে কি ব্যবহার করেছন। সুতরাং সাবধান। এরপরও যদি আপনি এরকম কোন ভিডিও আপলোড করেন, তারা আপনাকে কয়েকবার সাবধান করে দিবে, আপনার কপিরাইট ভিডিও আপলোড এর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে আপনার একাউন্টটি তারা ব্যন করে দিবে। আমি আপনাদেরকে সাজেশন দিতে পারি এই  http://youtube.com/erait ভিডিওটি দেখার জন্য। এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন ইউটিউবে কি করা উচিত কি করা উচিত নয়।

      ৩. কি কি প্রোগাম আর সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন?  

      ভিডিও এডিটর 

      ভিডিও এডিট করার জন্য অবশ্যই ভালো কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। ফ্রি তে অনেক ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার পাবেন, কিন্তু আমি বিশেষভাবে ব্যবহার করেত বলবো অফড়নব চৎবসরবৎব.। এই সফটওয়্যারটি আপনি ম্যক ও উইনডোজ দুটোতেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অবশ্যই যে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না কেন তা কিনে ব্যবহার করুন। আর ভিডিও এডিটিং করা অনেক সহজ একটি কাজ যদি আপনি অনেকটা ধৈর্য ধরে এই কাজটি শিখতে পারেন। এছাড়াও আরো যে যে এডিটিং সফটওয়্যার আছে সেগুলোও ট্রাই করতে পারেন। আপনি আপনার মোবাইল কিংবা ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে যা ভিডিও করেছেন, তা প্রথমে এডিট করে নিন, এরপর আপলোড করুন ইউটিউবে।

      ইনট্রো নির্বাচন করুন

      আপনি আপনার চ্যানেলের জন্য সুন্দর একটি ইনট্রো নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন এই ইনট্রোর উপর নির্ভর করবে আপনার অনেক কিছু। আপনার হাতে অনেক সময় আছে, আস্তে ধীরে তৈরি করুন আপনার ইনট্রো। ইনট্রোর সময় বেঁধে দেয়া আছে ১০ সেকেন্ড। এই ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনাকে আপনার চ্যানেলের একটি সুন্দর ইনট্রো বানাতে হবে। আপনার চ্যানেলের একটি লোগো বানিয়ে নিন, এরপর গুগোল থেকে অনেক টেমপ্লেট পাবেন ইনট্রো বানানোর জন্য; একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে লোগো সহ ১০ সেকেন্ড এর একটি ইনট্রো বানিয়ে ফেলুন। আপনি ভিডিও তৈরি করার যে কোর সফটওয়্যার দিয়ে এই ইনট্রো বানাতে পারেন, তবে মনে রাখবেন আপনার ইনট্রোটি যেন ভিডিও ফরমেট এর হয়। এরপর থেকে আপনি যে ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটা শুরু হবার আগে এই ইনট্রোটি দেখা যাবে। ইনট্রো করার পর তা আপনি আপলোড করেবন আপনার চ্যানেলের ইন ভিডিও প্রোগ্রাম এর ভিতরে- ইন ভিডিও প্রোগ্রাম পাবেন আপনার চ্যানেলের ড্যাশবোর্ড এর চ্যানলে সেটিংস এর ভিতর। এখানে যাবার পর এরকম কয়েকটি ছবি দেখতে পাবেন, তারমধ্যে Add a branding intro এখানে আপনার তৈরি ইনট্রোটি আপ করবেন।

      অডিও এডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স 

      অডিও এডিটিং অনেক গুরত্বপূর্ণ আপনার ভিডিওটির জন্য। আর অডিও এডিটিং এর উপর নির্ভর করে ইউটিউব আপনার ভিডিওটি মনটানাইজেশন করতে দিবে কি দিবে না। আমি আপনাদেরকে কিছু টিপস বলে দিব সেগুলো যদি ঠিকমতো মেনে চলেন তাহলে আশা করি আপনি একটি ভালো রেজাল্ট পাবেন ইউটিউব এর কাছ থেকে।
      • ক. প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার তৈরি করা অডিও ফাইলে কোন ধরনের ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ নেই। ভয়েজ রেকর্ডিং – এ অনেক সময় এসি বা ফ্যান এর শব্দ শোনা যায়, চেষ্টা করবেন এই জাতীয় নয়েজগুলো এড়িয়ে যেতে।
      • খ. একটি ভালো ভিডিও একটি খারাপ অডিও এর কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো অডিও দিতে। দরকার হলে নিজেই অডিও বানিয়ে নিন। অন্যের অডিও কখনোই ব্যবহার করবেন না। অডিও বানানোর জন্য অনলাইনে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়; সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
      • গ. আপনার অডিওটি আপনি নিজেই কয়েকবার শুনুন, আপনার কাছে ভালো লাগলে এরপর আপনার ভিডিওর সাথে যোগ করুন।
      • চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানান   আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানিয়ে ফেলুন। কাভার এবং লোগো বানানো জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করতে পারেন।

      ৪. টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ 

      টাইটেল  টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ হচ্ছে একটি ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার ভিডিও যত ভালোই হোক না কেন, এই তিনটি ছাড়া এর কোন মূল্য নেই। কয়েক হাজার ভিডিও এর মধ্য থেকে মানুষ আপনার ভিডিও তখনই দেখবে যখন আপনার ভিডিওতে এই তিনটির সমন্বয় থাকবে। শুরুতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আকর্ষণীয় টাইটেল তৈরি করুন। আর আপনার টাইটেল তৈরি করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। চলুন দেখি কি কি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।


      ক. কিওয়ার্ড রিসার্চ 

      পদ্ধতি–১ 
      ইউটিউবে সার্চ দিতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ভিডিওর সাথে মিল রেখে। যেমন ধরুন আপনার ভিডিওটি যদি হয় মানি মেকিং নিয়ে তাহলে ইউটিউবে সার্চ দিন- যড়ি ঃড় সধশব সড়হবু ড়হষরহব। এবার দেখুন কি কি রেজাল্ট দেখায়, এখান থেকেই বেচে নিতে পারেন আপনার টাইটেল টি অথবা নিজেই এই সমস্ত টাইটেল থেকে আপনারটা বানিয়ে নিতে পারেন।
      পদ্ধতি– ২ 
      আর একটু নিশ্চিত হতে ব্যবহার Google Adword Tools  গিয়ে আপনার কাঙ্খিত কিওয়ার্ড লিখে করেতে পারেন নিচের লি্কংটি। সার্চ দিন।
      পদ্ধতি– ৩ 
      • ক। আপনি যে টাইটেল দিতে চাচ্ছেন তা ইউটিউবে লিখে সার্চ দিন, এবং দেখুন একদম প্রথমে কোনটি আছে। সেটার কাছাকাছি একটি টাইটেল তৈরি করতে পারেন। শুধু টাইটেল নয়, আপনি ভালো করে দেখে নিন সেই ভিডিওতে কি কি ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে, আর বর্ণনাতে কি লেখা আছে। আপনি চাইলে সেগুলোও আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটা নিজের মতো করে বানিয়ে নিবেন।
      • খ. বর্ণনা  বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনি যুক্ত আছেন সেগুলো।
      • গ. ট্যাগ এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকওে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ করুন আপনার ভিডিওটির; এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।

      চলুন আমরা এতক্ষণ যা পড়লাম তার একটি উদাহরণ দেখে আসি

      TITLE  : Comedy Youtube Channel  – LEVEL NAME

      • DESCRIPTION
      Your best funny and comedy youtube channel – Aeireensultana – LEVEL NAME (notice the title is repeated in the first line of the description) describe the content of the video repeating important keywords such as the game title, level name and featured game characters. Subscribe for more Videos
      • TITLE videos
      Youtube link Check out Video Title Walkthrough Part 2
      PLAYLIST LINK “Like” me on Facebook FACEBOOK LINK Follow me on
      Twitter TWITTER LINK
      • Tags
      “bangla comedy,
      bangla funny sms,
      bangla comedy natok,
      bangla natok comedy,
      bangla funny video,
      bangla comedy video,
      bangla funny natok,
      comedy natok,
      bangla jokes,
      bangladeshi funny video,
      bengali jokes,
      bangladeshi comedy natok,
      jokes bangla,
      bangla funny jokes,
      funny video bangla,
      bengali funny jokes,
      jokes in bengali,
      funny bengali jokes,
      bangla joks,
      funny bangla jokes, (tags are repeated in the bottom of the description) 
      ৫. ভিডিও তৈরি করুন 
      এতক্ষণতো আমার কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করবেন, আপলোড করার নিয়মগুলো জানলাম। এবার চলুন যে ভিডিওটি আপনি আপ করবেন তা তৈরি করি।
      • 1.ক্যামেরা এবং লাইটিং আমরা অনেকেই ক্যামেরা এবং লাইটিং এর ব্যবহার সর্ম্পকে ভালোভাবে জানি না। ক্যামেরা এবং লাইটিং এর উপরে সল্প সময়ে একটি কোর্স করে নিতে পারি আমরা। এটি পরবর্তী জীবনে আপনার অনেক কাজে দিবে। ভালো একটি ভিডিও তৈরি করার পিছনে অনেক সাধনা করতে হয়। আর লাইটিং সমন্ধে যদি আপনার ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনি ভালো একটি ভিডিও বানাতে পারবেন। তাই ভালো একটি ভিডিও তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।
      • 2. এনকোডিং ভিডিওটি যখন বানাবেন তখন খেয়াল রাখবেন এর এনকোডিং এর দিকে। সঠিকভাবে এনকোডিং নির্বাচন না করলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউবে লাইভ নাও হতে পারে। আর একটি ব্যপার এনকোডিং যদি ঠিকমতো করতে না পারেন, তাহলে আপনার ভিডিওর রেজুলেশন এতটাই কমে যাবে যার কারণে আপনার ভিডিও আপলোড করার অনুপোযোগী হয়ে যাবে।

      ৬. আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ান 


      প্রতিদিন সময় করে ইউটিউবের অন্য যে ভিডিওগুলো কয়েক লাখ ভিজিটর আছে সেগুলোতে টিউমেন্ট করুন। টিউমেন্ট টি অবশ্যই এমনভাবে করুন যাতে লেখা থাকবে আপনি তার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবেন তার বদলে সে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে।  আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন, সেগুলোর বর্ণনাতে অবশ্যই আপনার অন্য ভিডিওর লিংক যোগ করবেন। এছাড়া আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে অনুরোধ করবেন। সম্ভব হলে মজাদার জোকস বলে আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন।  অনেকেই মনে করেন চ্যানেলে অনেকগুলো ভিডিও থাকলে অনেক বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। এটি একটি ভুল ধারনা। আপনি যদি কয়েক শো ভিডিও আপ করেন যেগুলো কোন কাজেরই না, তাহলে আপনি কোনদিনও সাবস্ক্রাইবার পাবেন না, বরং সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। কারণ কেউই চায় না অন্যের ভিডিও দিয়ে তার ইফটিউব একাউন্ট ভরে থাক।   ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্র্দিষ্ট একটি দিন বেচে নিন; এবং নির্দিষ্ট একটি সময়। কারণ আপনার যারা সাবস্ক্রাইবার তারা ওই দিনটি মাথায় রাখবে, এবং নির্দিষ্ট ওই সময়েই আপনার চ্যানেলে ঢুকবে আপনার ভিডিওটি দেখার জন্য। আপনি যখনই সিডিউল মেইনটেনন করে আপনার ভিডিও আপলোড করবেন, তখন আপনার ভিডিওটি ইফটিউব তার সার্চ রেজাল্টে এক নাম্বারে নিয়ে আসবে। তবে একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন যাই আপলোড করেন না কেন, তা যেন সকলের উপকারে আসে। আপনার ভিডিও যখন কারো উপকারে আসবে, তখন আপনি আপনার ভিডিও থেকে উপকৃত হবেন। মানে আপনার ভিডিও থেকে তখন টাকা আসা শুরু হবে।  আর একটি কাজ করতে পারেন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য। সেটা হলো অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েটরদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বলতে পারেন, যে আপনার   ভিডিওর মধ্যে আপনি তাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবেন, বিনিময়ে তারা তাদের ভিডিওর মধ্যে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবে। এতে দু পক্ষই লাভবান হবেন।

      ৭. গোপন ফরমুলা 

      আপনাদের সাথে এখন একটি গোপন ফরমুলা নিয়ে কথা বলবো, যে ফরমুলা ব্যবহার করলে অতি সহজে আপনি আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারেন। আমি নিজেই এই ফরমুলা ব্যবহার করি। ধরুন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১৫০ জন। এখন আপনার চ্যানেলের ভিডিওর সাথে মিলে যায় এরকম আর একটি চ্যানেল খুজে বের করুন যার সাবস্ক্রাইবার ২৫০ থেকে ৩০০ জনের মত। তাকে একটি ম্যসেজ পাঠান যে আপনি একটি ভিডিও তৈরি করেছেন যাতে বলা আছে এই চ্যানেলটি কি কি কারণে অনেক ভালো। এবং এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করলে আপনি আরো ভালো ভালো ভিডিও পেতে পারেন। আপনি এখন চাচ্ছেন তার চ্যানেলে এবং আপনার চ্যানেলে এই ভিডিওটি আপলোড করতে। আপনি আপনার চ্যানেলে যখন এই ভিডিওটি আপলোড করবেন তখন লিংক হিসেবে ওই চ্যানেলের লিংক ব্যবহার করবেন, এবং ওই চ্যানেলের মালিক আপনার লিংক ব্যবহার করবে। এতে করে আপনি মিনিমাম একটি চ্যানেলে থেকে ১০০ থেকে ২০০ এর মত সাবস্ক্রাইবার পেতে পারেন। তাহলে আপনার এখন মোট সাবস্ক্রাইবার দাড়ালো ২৫০ জনে। এবার আপনি খুজবেন ৩০০ থেকে ৫০০ সাবস্ক্রাইবওয়ালা চ্যানেল। এখানেও একই কাজ করবেন। এভাবে আপনার সাবস্ক্রাইবার যত বাড়বে আপনি তার চেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার ওয়ালা চ্যানেল খুজবেন। এভাবে বাড়তে বাড়তে বাড়তে একদিন নিশ্চয়ই আপনার সাবস্ক্রাইবার কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যাবে।
      ৮. আপনার চ্যানেলের বন্ধু বাড়ান 
      আপনার চ্যানেলের পেজে যত বন্ধুর আমন্ত্রণ আসবে সব গ্রহন করুন। তাদের সঙ্গে ম্যাসেজ আদান প্রদান করুন। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন যাতে তারা আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে। আপনিও তাদের যদি চ্যানেল থাকে সেখানে সাবস্ক্রাইব করুন। এতে করে আপনার এবং তার দুজনেরই উপকার হবে, দুজনেরই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে।
      ৯. অন্যের চ্যানেলের ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন 
      আপনার চ্যানেলের ভিডিও এর ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য অন্যে চ্যানেলগুলোর ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন। অবশ্যই টিউমেন্ট করার সময় আপনার চ্যানেলের লিংকটি দিয়ে সেখানে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে ভুলবেন না। কারন যত বেশি টিউমেন্ট করবেন তত আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে সঙ্গে বাড়বে আপনার চ্যানেলের ভিডিওর ভিউয়ার।
      ১০. ভিডিও এমবেড কোড 
      আপনার যদি অনেক টুইটার ফলোয়ার থাকে, কিংবা অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেলের জন্য অনেক ভালো। যদি আপনার ৫০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে তাহলেও আপনার জন্য শুভ সংবাদ। কারণ এরাই আপনার রিয়েল ফ্রেন্ড। ভুয়া ফ্রেন্ড দিয়ে কোন লাভ নাই। আপনি আপনার টুইটার আর ফেসবুকে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন, তারপর আপনি এই ৫০ জন ফ্রেন্ডকেই বলেন সারাদিনে কয়েক সেকেন্ড বের করতে আপনার জন্য। তারা আপনার ভিডিওটি ৩০ সেকেন্ডের জন্য হলেও দেখবে, একটি করে লাইক দিবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে একটি করে টিউমেন্ট করবে। প্রতিদিন আপনিও তাদের জন্য নতুন নতুন ভিডিও নিয়ে আসবেন। এভাবে আপনার ভিডিও রিলেটেড ফেনবুকে যে গ্রুপগুলো রয়েছে সেগুলোতে জয়েন করুন। সেখানে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন। এভাবেই দিনে অন্তত ১০ জন করে ফ্রেন্ড আপনি আপনার একাউন্টে যোগ করুন। যকন আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড এর সংখ্যা ৫,০০০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের একটি ভিডিও লিংক এর ভিউয়ার সংখ্যাও বাড়বে। যেখানে আগে প্রতিদিন আপনার ভিডিও এর ভিউ হতো ২০০, সেখানে আপনার ভিউয়ের সংখ্যা বেড়ে দাড়াবে ১০০০ এরও বেশি। একই কাজ আপনি আপনার টুইটার একাউন্টে করতে পারেন। পাশাপাশি অন্যান্য যে সকল সোস্যাল সাইটগুলো রয়েছে সেখানেও আপনি আপনার ভিডিওটি শেয়ার করতে পারেন। এয়াড়া আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেখানেও ভিডিওটি এমবেড করে বসাতে পারেন। এখান থেকেও আপনি ভালো ভিউয়ার পাবেন।


      ১১. এনোটেশন  

      এনোটেশন হচ্ছে আপনার ভিডিওটির ওপর আপনার অন্য এশটি ভিডিও এর লিংক দেয়া। আপনার চলতি ভিডিওটি দেখতে দেখতে আপনার যে কোন ভিউয়ার যেন আপনার অন্য ভিডিওগুলো সর্ম্পকে জানতে পারে, সেজন্য আপনার প্রতিটি ভিডিওতে এনোটেশন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। যখন কোন ভিউয়ার আপনার ভিডিওটি দেখবে তখন আপনি যে লিংকটি এনোটেশন করে দিয়েছেন সে যদি সেই লিংক এ ক্লিক করে তাহলে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হবে এবং সে তখন ওই ভিডিওটি দেখতে পাবে। আপনার ভিডিওটি আপলোড হওয়ার পর ভিডিও ম্যানেজারে গেলেই পাবেন এই অপশনগুলো। সেখান থেকে অহহড়ঃধঃরড়হং বাটনে ক্লিক করলেই পৌছে যাবেন এনোটেশন করার পেজে। এরপর আপনি এখান থেকে অহহড়ঃধঃরড়হং যোগ করতে পারবেন।
      ১২. সময়  
      আপনার চ্যানেলের জন্য সময় অতন্ত্য গুরত্বপূর্ণ। একটি ডাইরিতে নোট করে রাখুন, প্রতিদিন কোন সময়টি আপনি আপনার ভিডিওগুলো আপলোড করবেন। ভিডিও কখনো রাত ৩ টায় আপলোড করবেন না। যদি সম্ভব হয় ভিডিও সকালের দিকে আপলোড করুন। টার্গেট অডিয়েন্স সব সময় ১৮+ চিন্তা করবেন। আর একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন আপনার ভিডিও এর বর্ণনাতে যদি সম্ভব হয় এর তৈরির তারিখটি বসাবেন। রবিবার ইউটিউবে ভিউয়ার বেশি হয়, আপনি চাইলে এই দিনটিকে মাথায় রেখে আপনার ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

      ১৩. চেষ্টা করবেন সবার আগে দেওয়ার 

      আপনার চ্যানেলকে পপুলার করতে চাইলে সব সময় চেষ্টা করবেন সবার আগে আপনার তৈরি করা ভিডিটি দিতে। যদি আপনি তা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভিডিওটি ইউটিউব তার সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখাবে।

      ১৪. ভালো ছবি নির্বাচন করুন 

      আপনার আপলোড কৃত ভিডিওটি আপনার ভিউয়ারকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো একটি ছবি নির্বাচন করুন। আপনার ভিডিওটির কাভার ফটোটি যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে দর্শক আকৃষ্ট করতে পারবে না, আর দর্শক আকৃষ্ট না হলে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার বাড়বে না। তাই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আর ভিউয়ার বাড়াতে চাইলে ভালো ছবি নির্বাচণ করুন।
      ভাল টাম্বনেল বানানোর জন্য নিচের ভিডিওটা ফলো করতে পারেন।


      ১৫. উপসংহার 

      আমি বিশ্বাস করি আপনার যদি এই কাজগুলো ধাপে ধাপে করতে পারেন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সফলতা অবশ্যই আসবে। মনে রাথবেন কোন কিছুই শেখার উর্দ্ধে নয়, তাই যত পারেন শিখতে থাকুন, একদিন আপনিও হয়তো ইউটিউব নিয়ে আমার মতো কিছু লিখে ফেলবেন। আর আনন্দ নিয়ে কাজ করুন ইউটিউবে। আপনি যদি শুধূ টাকা ইনকাম করার জন্য ইউটিউবে আসতে চান তাহলে এতক্ষন ধরে যা যা পড়লেন তা ভুলে যান। কারণ আপনি যে কাজ করে আনন্দ পাবেন না সে কাজে অন্যকে কিভাবে আনন্দ দিবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য… ধৈর্য… এবং ধৈর্য ধরুন।   আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তীতে ইউটিউবের আরো খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনাদের জন্য কিছু নিয়ে আসবো ইনশা আল্লাহ।

      Saturday, April 7, 2018

      সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি ভাল আছেন। আজ আপনাদেরকে একটি শেয়ারিং সাইটের সাথে পরিচয় করাব যেখানে তেমন কোন কাজ ছাড়াই বেশ কিছু ডলার আয় করতে পারবেন। উক্ত সাইটের কাজ হল তাদের অ্যাপ ব্যবহার করা, বিভিন্ন লিংক সোস্যাল সাইট সহ বিভিন্ন স্থানে শেয়ার করা এবং মাঝেমধ্য সার্ভে ও ভোট প্রদান করা। আপনারা অনেকেই ভূইফোড় পিটিসি সাইট সহ ভূয়া ইনভেস্ট সাইটে এত পরিশ্রম ও সময় ব্যয় করছেন। আমার মনে হয় এর হতে এই সাইটে একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন। এখানে ১০০% কোন ইনভেস্ট করতে হয়না। যাইহোক এবার এই সাইট সম্পর্কে একটু রিভিউ প্রদান করছি-


      এই সাইটের নাম হচ্ছে ডকিও। ২০১১ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারী হতে লাঞ্চ হয়েছে। গো-ড্যাডি হতে তাদের ডোমেইন নিববন্ধনকৃত। ইচ্ছা করলে তাদের তথ্য হুইস সাইট হতে দেখে নিতে পারেন। এবং অ্যালেক্সা রেটিং অনুযায়ী তাদের অবস্থান প্রায় ৩০,০০০ এর মধ্য। তাদের মোট ইউজার সংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষের অধিক (নিচের চিত্র অনুযায়ী)।এবং তারা তাদের ইউজারদেরকে নীতিমালা অনুযায়ী পে করে আসছে।

      কিভাবে কাজ করবেন?

      ১। সাইনআপ তথা কাজ করতে হলে রেজিঃ করুন এখানে > নিচের মত ইমেজ আসবে সেখানে Acept Invite এ- ক্লিক করুন।


      ২। আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখে Continue ক্লিক করুন।


       Email ঠিকানাতে একটি বার্তা যাবে সেটি Verify করে নিন।


      ৩। অতপর নিচের মত ইমেজ আসবে। সেখানে আপনার ছবি আপলোড এবং নাম, পাসওয়ার্ড সেট করে Let get started এ-ক্লিক করুন। কোন কিছু পূরন না করতে চাইলে  No skipped করবেন। (বিঃদ্রঃ অবশ্য এই বিষয়টি আপনি লগইন করেও পরবর্তী সময়েও করতে পারবেন)

      ৪। এবার লগইন করে আপনার Dashboard> Profile- যান > । সেখানে যাবতীয় তথ্য পূরন করুন। যেমনঃ ট্যাগে ১০ শব্দের মধ্য একটি শিরোনাম দিন।


      এইভাবে প্রফাইলের অন্যান্য অংশ যেমনঃ General info, Contact information, About me, Experience, Skills, Education পূরন করুন।


      ৫। এবার প্রফাইল ভেরিফাই করার পালা। ভেরিফাই করতে নিচের মত চিত্র পাবেন। এখানে দুটি অংশ ভেরিফাই করতে হবে। যথারুপঃ Verify social accounts: এখানে আপনার সোস্যাল একাউন্টের Twitter, Facebook, Google Plus, Linkedin যোগ করতে হবে।
      Verify with Telegram: এখানে আপনার মোবাইল নম্বর যোগ করে টেলিগ্রামে যুক্ত হতে হবে।

      একাউন্ট Verify ১০০% করলে নিচের চিত্রের মত দেখাবে এবং হ্যা Verify না করলে কোনরুপ আয় করতে পারবেন না।

      কিভাবে রেফার করবেন এবং লিংকডিন সাইটে যুক্ত হবেন? 

      Linkedin সাইটে যুক্ত হলে ড্যাশবোর্ডের অপশনে ক্লিক করুন > নিম্নরুপ চিত্র আসবে

      ক। এখানে Open বাটনে ক্লিক করে Linkedin সাইট লগইন করুন। সেখান হতে Linkedin এর তথ্য গুলো জিপ পদ্ধতিতে ডাউনলোড করে নিবেন। অতপর এখানে তা আপলোড করতে হবে।
      খ। Refferal লিংক পাইতে Personal refferal link অপশনে গেলেই পাবেন। এবং সেটি ইমেইল, সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। 
      গ। আপনার প্রফাইল অংশ অবশ্যই ১০০% সম্পূর্ণ করতে হবে। অসম্পূর্ণ থাকলে ভাল আয় হবেনা।

      আয়ের বিবরণ ও উইথড্র

      পোষ্টের বিবরনীতে বলেছি এখানে তেমন কাজ নাই। আপনি যদি লিংক শেয়ার করেন তাহলে কেউ অনুসরন করে একাউন্ট ওপেন করলে আপনি ৩ ডলার বোনাস পাবেন। অর্থাৎ প্রতি রেফারে ৩ ডলার পাবেন। সাথে আছে আরো কিছু বোনাস যাহা ভোট/রিভিউ করলে যোগ পাবেন। সহজভাবে বলি, আপনার রেফার লিংক অনুসরন করে কেউ সঠিক ও ভেরিফাইকৃত একাউন্ট ওপেন করলে আপনার একাউন্টে ৩ ডলার করে যোগ হবে।


      একাউন্টে  মিনিমাম ১০০ ডলার জমা হলে কনভার্ট করে    তাহা  Ethereum network, blockchain, Bitcoin, Ethereum, or any other crypto currency তে পাবেন। প্রতি মাসের শেষের দিকে এরা পে করে। এই পে গ্রহন করতে হলে আপনাকে প্রথমত DOCK পদ্ধতি গ্রহন করতে হবে। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে
      • দৃষ্টি আকর্ষণঃ আমি এখনো পেমেন্ট পাইনি কাজ করছি। যদি পেমেন্ট পাই তাহলে জানাব। একাউন্টে কেবল ৪৫ ডলার জমা হয়েছে। তবে আমার বন্ধুদের অনেকেই এখান হতে ২/১ বার পেমেন্ট পেয়েছে। সুতরাং তাদের কাছ হতে জেনে ও পরীক্ষা করে এই পোস্ট শেয়ার করলাম। অপরদিকে আপনারা একের অধিক একাউন্ট ক্রিয়েট করার চেষ্টা করবেন না। ব্লক হতে পারেন চিরতরে। সো! সাবধান।

      উপসংহার

      পোষ্টের একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, টিউটোরিয়াল অনুযায়ী আপনারা সকল কাজ করতে পারবেন। তারপরেও একাউন্ট ভেরিফাই কিংবা অন্য কোন সমস্যা জনিত কারনে কমেন্ট করতে পারেন। আমি আপনাদেরকে Verify করে দিব। অপরদিকে আরেকটি কথা, আপনারা কখনো এই জাতীয় পোস্টকে ফ্রিল্যান্স কাজ হিসাবে ভূল করবেন না। কারন, ফ্রিল্যান্স সম্পূর্ণ আলাদা। সুতরাং প্রফেশনালী কিছু আয় করতে ফ্রিল্যান্স জানার চেষ্টা চেষ্টা করুন, বিভিন্ন ব্লগে টিউটোরিয়াল দেখুন, অভিজ্ঞজনদের রিভিউ করুন। 
       
      Copyright © বিডি.পয়সা ক্লিক,নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত. মডিফাইঃ পিসি টীম, সার্ভার হোস্টেডঃ গুগল সার্ভিস