Monday, February 19, 2018

আপনারা অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করতে খুবই আগ্রহী। এই টিউনে আমি আপনাদের সাথে  শেয়ার করব একটি মিনি অ্যাফিলিয়েট সাইট। যেখানে খুব সহজেই আপনি শুধুমাত্র ইউনিক ভিজিটর জেনারেটের মাধ্যমে একটি স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন। আমি নিচের দিকে ভিডিও এড করে দিয়েছি যাতে আপনারা ভাল করে বুঝতে পারেন।  একে মিনি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলার কারন হল  কাজটি একেবারে বিগেইনার দের জন্য। এটা প্রফেশনাল কোন কাজ না। তবে বিগেনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আপনার যাত্রা শুরু করে নিজেকে যাচাই করার জন্য এই সাইট বেস্ট। সাইটটির নাম BestChange অ্যাফিলিয়েট এর মাধ্যমে মাসে $200 থেকে $300 আয় করুন

BestChange কি?

এটি একটি অনলাইন ফ্রি সার্ভিস যারা একাধারে ইলেক্ট্রনিক মানি এক্সচেঞ্জার, অনলাইন ব্যাংকিং এবং মানি ট্রান্সফার সার্ভিস দিয়ে থাকে। এরা ৫০ টারও বেশি রেজিস্ট্রার্ড মানি এক্সচেঞ্জার আছে।

আপনি যদি যেকোন পেমেন্ট প্রসেসরের ডলার কে কনভার্ট করে অন্য পেমেন্ট প্রসেসরের ডলার চান তবে এটি আপনার কাছে বেস্ট সাইট। কারন এই সাইট আপনাকে বলে দিবে যে কোন কনভার্ট সাইটে রেট বেশি পাবেন। যেমনঃ বিটকয়েন থেকে পেজা, পেজা থেকে পেপাল, পেপাল থেকে নেটেলার ইত্যাদি।



BestChange এর বৈশিষ্ঠ্য

  • এক পেমেন্ট গেটওয়ের  থেকে অন্য পেমেন্ট গেটওয়েতে ডলার ট্রান্সফার করতে পারবেন।
  • Link Share দ্বারা Affiliate Marketing এর মাধ্যমে  ইনকাম করতে পারবেন।
  • Referral তৈরি করার মাধ্যমে রেফারেল ইনকাম করতে পারবেন।
  •  রেফারেল দের ইনকাম এর এক অংশও পাবেন।

BestChange এ কিভাবে কাজ করবেনঃ

প্রথম স্টেপঃ একাউন্ট তৈরি করা।


১.  এই লিঙ্কে  ক্লিক করুন।
২. লিঙ্ক ওপেন হলে Affiliate Program এ ক্লিক।
৩. Affiliate Registration এর প্যারাগ্রাফ থেকে follow this link  এ ক্লিক করুন।

৪. স্ক্রল করে একটু নিচে এসে ফরম পূরণ করুন। তবে ফরম পূরন করার জন্য কিছুটা টেকনিক ব্যবহার করবেন। কারন এই পদ্ধতিতে আপনি ফর্ম পূরন করলে আমার রেফারেল লিস্ট থেকে আপনার ই-মেইলে বিভিন্ন আয়ের টিপস  পাঠাবো।
  • Username:  ইউজারনেম হিসেবে আপনার জিমেইলের @gmail.com এর আগের অংশ দিবেন। যেমনঃ আপনার জিমেইল একেউন্টঃ [email protected]  সুতরাং আপনার ইউজারনেম হবেঃ Poisaclick
  • E-mail: আপনার একটা জিমেইল একাউন্ট দিন।
  • Password: আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড দিন letter ও সংখ্যাসহ (মাঝে মাঝে বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করবেন তাহলে পাসওয়ার্ড শক্ত হবে। )।
  • Repeat the Password:  একই পাসওয়ার্ড আবার দিন।
  • নিচের ৯ টা বক্সের মধ্য ১টা ফাকা রেখে বাকী ৮ টাতে  ক্লিক করে টিক চিহ্ন দিন।
  • Registration  বাটনে ক্লিক করুন।


৫. E-mail চেক করুন। আপনার ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক, সাপোর্ট ই-মেইল ইত্যাদি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে (ইনবক্স এ না পেলে স্পাম ও চেক করুন)।



তৃতীয় স্টেপঃ অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক খুঁজে বের করা।

একাউন্ট করার পর একটা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক পাবেন। এই লিঙ্কের মধ্যে একটি ইউনিক কোড থাকবে যা দিয়ে নির্ধারন করবে যে, কোন ভিজিটর টা আপনার। অর্থাৎ আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ক্লিক করে কোন ভিজিটর এই সাইটে আসলে ঐ ইউনিক কোডের মাধ্যমে ট্রাকিং হবে যে, এই ভিজিটরটা আপনি পাঠিয়েছেন। আর এরজন্য সকল ইনকাম আপনার একাউন্টে জেনারেট হবে।
লগিন করে ড্যাশবোর্ডে ঢুকলেই Affiliate link এর ডানপাশে একটা লিঙ্ক পাবেন। এটাই আপনার রেফারেল বা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক।

চতুর্থ স্টেপঃ ইনকাম স্ট্রাটেজি সম্পর্কে জানা

এই সাইট থেকে আপনি ৪ টা উপায়ে ইনকাম জেনারেট করতে পারেন।

প্রথমতঃ বিটকয়ে​​​​​ন​ ক্লেইমের মাধ্যমে

এখানে প্রতি ঘন্টায় একবার করে বিটকয়েন ক্লেইম করা যায়। এতে আপনি ১০ থেকে ১, ০০০ সাতোশি পর্যন্ত ফ্রি তে ইনকাম করতে পারবেন।

নির্দেশনাঃ

  • এখানে প্রতি ২০ মিনিট পরপর ক্লেইম করতে পারবেন। এই যেমনঃ প্রেরিত চিত্র অনুযায়ী আমি ১১ সাতোশি আর্ন করেছি। 
  • ক্লাইম করতে আপনার বিটকয়েন ঠিকানা লাগবে। 
  • কিভাবে বিটকয়েন ঠিকানা পাবেন এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পোষ্ট করেছিলাম। সেটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে

দ্বিতীয়তঃ ইউনিক ভিজিটর জেনারেটের মাধ্যমে 

আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে যত ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করবেন। তার প্রত্যেকের জন্য আপনি ইনকাম পাবেন গড়ে ৪ সেন্ট। ভিজিটরের ধরনের উপর ভিত্তি করে এই পরিমানের তারতম্য হতে পারে। অর্থাৎ প্রতিদিন ১০০ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি  পাবেন গড়ে  ১০০*০.০৪= ২৫ ডলার।

তৃতীয়তঃ Exchanger Monitoring Service ব্যবহারের মাধ্যমে

আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে কোন কাসটমার এসে যদি ডলার কনভার্ট করার জন্য বেস্ট সাইট খুঁজে বের করতে চায়। তবে এই Exchanger Monitoring Service ব্যবহারের জন্য আপনি বাড়তি ইনকাম পাবেন।
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার “Exchanger Monitoring Service” ব্যবহার করলে আপনি বাড়তি পাবেনঃ $0.01 x 9;
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার  ৩  দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.02;
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার  ৭ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.03;
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার  ১৪ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.04;
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার ৩০ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.06;
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার ৬০ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.09;
  •  আপনার রেফারেল কাস্টমার ৯০ দিনের মধ্যে পুনরায় এই সাইট ব্যবহার করলে আপনি পাবেনঃ $0.013;

চতুর্থতঃ  রেফারেলের মাধ্যমে

BestChange  থেকে আপনি ২ লেভেল পর্যন্ত রেফারেল ইনকাম পাবেন।
  •  প্রথম লেভেল থেকেঃ ৩০%
  •  দ্বিতীয়  লেভেল থেকেঃ ১০%
আপনার BestChange এর অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ধরে যদি কেউ জয়েন করে তবে সে আপনার ডিরেক্ট রেফারেল বা প্রথম লেভেল রেফারেল। আর আপনার এই রেফারেলের লিঙ্ক দিয়ে যে জয়েন করবে সে আপনার দ্বিতীয় লেভেল রেফারেল।

পঞ্চম স্টেপঃ প্রোমোশনাল ম্যাটেরিয়াল বাছাই করা

BestChange এর নিজস্ব  অনেকগুলো প্রোমোশন ম্যাটেরিয়াল (টেক্স, ব্যানার, স্ক্রিপ্ট সহ অনেক) আছে। যা আপনার প্রোমোশনাল কাজকে অনেক সহজ করে দিবে। অর্থাৎ এই প্রোমোশনাল ম্যাটেরিয়াল গুলা দ্বারা আপনি সহজেই ভিজিটরকে আকৃষ্ট করে সাইটে পাঠিয়ে ইনকাম করতে পারেন।

১. লগিন করে একটু নিচে আসলেই Promotional materials এর আন্ডারে
Affiliate link: এটি একটি রেফারেল বা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক।
Affiliate link in the HTML code: ওয়েবসাইট বা ব্লগে পাবলিশ করার জন্য HTML কোড
Hidden affiliate link in the HTML code: এটি একটি হিডেন অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক এর HTML কোড
Affiliate link in BBCode: ফোরামে পাবলিশের জন্য বিবি কোড।
২. বাম দিকের মেনু হতেঃ
Affiliate link code: এখানে আপনার জন্য বিভিন্ন ধরনের রেফারেল লিঙ্ক পাবেন।
Banners: এখানে বিভিন্ন সাইজ ও বিভিন্ন স্টাইলের ব্যনার কোড পাবেন।
Text Materials: এখানে ভিজিটরকে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন টেক্স ম্যাটেরিয়াল পাবেন।

ষষ্ট স্টেপঃ প্রোমোশন করা

এ পর্যায়ে আপনার কাজ হল যেকোন ভাবে হোক ইউনিক ভিজিটর (পেইড ট্রাফিক) জেনারেট করা। যারা  এর সার্ভিস ব্যবহার করে মানি এক্সচেঞ্জ করবে।
বিভিন্নভাবে আপনি ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করতে পারেন। যথাঃ

১. সোসাল মিডিয়াঃ

  • বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমোট করতে পারেন।
  • বিভিন্ন ফেসবুক পেজে  আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমোট করতে পারেন।
  • বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক টিউনের টিউমেন্টের মাধ্যমে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমোট করতে পারেন।

২. ইউটিউব মার্কেটিংঃ

  • নিজের ভিডিও পাবলিশ এর মাধ্যমে।
  • রিলেভেন্ট ভিডিও এর টিউমেন্টের মাধ্যমে।
৩. নিজের ওয়েবসাইট / ব্লগঃ
  • কন্টেন্ট পাবলিশ এর মাধ্যমে।
  • ব্যানার এড সেটাপের মাধ্যমে।
  • টেক্স এড সেটাপের মাধ্যমে।

৪. ব্লগ টিউমেন্টিংঃ

  • রিলেভেন্ট টিউনের টিউমেন্টের মাধ্যমে।
  • নিশ রিলেটেড বিভিন্ন টপিকের আলোচনায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে।

৫. ফোরাম টিউনিংঃ

  • ফোরামে নতুন টপিক টিউন করার মাধ্যমে।
  • রিলেভেন্ট টপিকের রিপ্লায়ের মাধ্যমে।
  • ম্যাসেজ সিগনেচারে লিঙ্ক এড করার মাধ্যমে।

সপ্তম স্টেপঃ উইথড্রো দেওয়া

আপনি সর্বনিম্ন $1 ডলার ইনকাম হলেই আপনার ইনকাম করা ডলার উইথড্রো করে নিতে পারবেন। তবে উইথড্রো করার পর সাইট এডমিন আপনার একাউন্ট চেক করার পর ৫ বিজনেস দিবসের মধ্যে আপনার পছন্দের পেমেন্ট প্রসেসরে আপনি আপনার ডলার পেয়ে যাবেন।

নিম্নলিখিত পেমেন্ট প্রসেসরে আপনি উইথড্রো করতে পারবেন।
  • Perfect Money (USD, EUR)
  • Payeer (USD, EUR)
  • QIWI (USD, EUR)
  • OKPay (USD, EUR)
  • AdvCash (USD, EUR)
  • Paypal (USD)
  • BitCoin (BTC)

মাসে ১০০, ২০০, ৩০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি​ কি?

মাসে ১০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি

প্রতিদিন ১০০ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি সাধারন ইনকাম রুলে পাবেন= ১০০* ০.০৪= ৪ ডলার।অর্থাৎ প্রতিমাসে ইনকাম পাবেন= ৪*৩০=১২০ ডলার

মাসে ২০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি


প্রতিদিন ১৬৭ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি সাধারন ইনকাম রুলে পাবেন= ১৬৭* ০.০৪= ৬.৬৮ডলার।অর্থাৎ প্রতিমাসে ইনকাম পাবেন= ৬.৬৮*৩০=২০০ ডলার

মাসে ৩০০ ডলার ইনকাম স্ট্রাটেজি 

প্রতিদিন ২৫০ ইউনিক ভিজিটর জেনারেট করলে আপনি সাধারন ইনকাম রুলে পাবেন= ২৫০* ০.০৪= ১০ ডলার। অর্থাৎ প্রতিমাসে ইনকাম পাবেন= ১০*৩০=৩০০ ডলার


কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশনা

  • যে কোন অবৈধ উপায়ে  Fake click  করার চেষ্ঠা করবেন না। এতে আপনার আকাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
  • যে কোন অবৈধ উপায়ে  Fake Registration  করার চেষ্ঠা করবেন না। এতে আপনার আকাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
  • অবৈধ উপায়ে বা কোন সফটওয়ারের মাধ্যমে ট্রাফিক জেনারেট করবেন না।
  • অটো সার্ফ ভিজিটর দিলে আপনার আকাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।

সর্বশেষ

টিউটোরিয়ালের একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, একাউন্ট ওপেন হতে শুরু করে ইনকাম বিষয়ে আর কারোর সমস্যা হবার কথা নই। তারপরও সমস্যা থাকলে কমেন্ট করতে পারেন, সাধ্যমত সমাধানের চেষ্টা করব। তথাপি টিউটোরিয়াল অনুসরন করে কারোর সামান্যতম উপকার হলেও লেখার স্বাথৃকতা খুঁজে পাব। আরেকটি কথা এই পোষ্টটি সংগ্রহ বশত নিজে মডিফাই, অলংকরন করেছি। এই পোষ্টের ধন্যবাদ পাবার প্রাপ্য হলেন টেকটিউন সাইটের নবীন লেখক সবুজ আলী ভাই। বিডি পয়সাক্লিক টীমের পক্ষ হতে তাকে অসংখ্যক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সুতরাং আজ এই পর্যন্তই। আগামী পর্বে অন্য কোন বিষয় নিয়ে লেখা হবে। সবাই ভাল থাকুন।
এখানে আপনার বিজ্ঞাপণ দিন

Wednesday, February 14, 2018

সুপ্রিয় কমিউনিটি সাইটের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের দিনের টিউন। উপরের শিরোনাম দেখে বোধ হয় অনেকেরই চমকে উঠবার কথা! এই প্রেক্ষিতে অনেকেই বলবেন এতদিন ধরে তো কম্পিউটার/পিসি অপারেট করছি কিন্তু এই টিপসের কথা শুনি নাই। তথাপি যারা ইতিপূর্বে জানেন তাদের তো ভিন্ন কথা! বলতে গ্রেট দ্যা বস!! যাইহোক এবার মূল আলোচনাতে আসি-

যে কারনে আপনার কম্পিউটারের/পিসির বয়স জানা প্রয়োজন?


উদাহরন হিসাবে বলি আমরা অনেকেই পুরাতন কম্পিউটার, নোটবুক, ল্যাপটপ কিনি বা অনেকেই ভাবছেন পুরাতন কম্পিউটার, ল্যাপটপ, নোটবুক ক্রয় করবেন কিন্তু সমস্যার বিষয়টা হল এটা কতদিনের পুরাতন তা জানাটা অতিব জরুরী। কারন, যিনি বিক্রি করবেন সে সঠিক তারিখ নাও বলতে পারেন কিংবা অপারগতা প্রকাশ করতে পারেন। অপরদিকে আপনি আপনার আত্নীয় কিংবা বন্ধুর বাসাতে গেলেন সেখানেও পিসির বয়স জানার ইচ্ছাটাও প্রকাশ করতে পারেন।সুতরাং বুঝতেই পারছেন নিজে যদি পিসির বয়স বাহির করার টিপসটি জেনে নিতে পারেন তাহলে কতইনা মজাটা পাবেন!!

কিভাবে কম্পিউটারের/পিসির বয়স বাহির করবেন?

  • প্রথমে Start মেনু তে যান।
  • Search Option থেকে cmd টাইপ করুন এবং ফাইল টিকে run as administration হিসেবে চালু করুন অথবা cmd চালু করুন।
  • সেখানে Type করুন নিচের Code অর্থাৎ DEBUG টাইপ করে এন্টার দিন।
  • অতপর সেখানে Type করুন DF000:FFF5 এবং এন্টার দিন।
  •  এখন দেখুন মজা আপনার কম্পিউটার এর বয়স বের হয়ে আসবে।

তারপরেও যাদের বুঝতে সমস্যা তাদের কথা মাথাই রেখে নিচে স্ক্রীনশট সহ ছবি দেয়া হল আশা করি আর বুঝতে সমস্যা হবে না।

সারকথা

আলোচনার একদম শেষ পর্যায়ে। টিউটোরিয়ালটি অনেক ছোট হলেও বেশ কার্যকারী। অর্থাত বলা চলে ছোট মরিচের ঝাল বেশী। তথাপি চিত্র ও বর্ননা অনুযায়ী কাজ করতে সমস্যা হবার কথা নই। সুতরাং বিষয়টি নিজে জানুন, বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন। আজ এই পর্যন্তই। বিদায় নিতে হচ্ছে আবার কথা হবে অন্য কোন পর্বে। সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, অপরকে সুস্থ রাখুন। -আল্লাহ হাফেয-

Tuesday, February 13, 2018

সুপ্রিয় বিডি পয়সাক্লিক কমিউনীটি সাইটের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকের টিউনে আপনাদেরকে অন্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা টিউনের শিরোনামে উল্লেখ করেছি।  আসলে বিট কয়েন সাইট নিয়ে নতুন করে রিভিউ কিংবা ব্যাখা করার ইচ্ছা আমার নাই।  তার কারন হল-এই বিষয় নিয়ে টিটিতে বেশ কয়েকটি টিউন রয়েছে। তাছাড়া কিছুদিন পূর্বে এই বিষয় নিয়ে চিত্রসহ বিস্তারিত একটি টিউন করেছিলাম বিটকয়েন আয়।

আপনার বিট কয়েন আয়কে মোবাইলে রিচার্জ করুন

শিরোনাম দেখে নিশ্চয় চমকে উঠলেন! হ্যা এবার আপনিও আপনার বিট কয়েন আয়কে মোবাইলে রিচার্জ করতে পারবেন। আসলে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সাইট এই সুবিধা যোগ করেছে। তার মধ্যে এমন একটি সাইটের সাথে আপনাদেরকে পরিচয় করাব যেখানে আপনি বাংলাদেশের প্রায় সকল মোবাইল সীমে রিচার্জ করতে পারবেন। অবশ্য আপনি সেখানে সর্বনিম্ন  ৳১০ রিচার্জ করার সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশের যে সকল মোবাইল অপারেটর সাপোর্ট করছে

  • গ্রামীনফোন
  • এয়ারটেল
  • টেলিটক
  • রবি
  • বাংলালিংক

কাজের প্রক্রিয়া

১। প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন এখানে এবং সেই সাথে নতুন ট্যাব ওপেন করে কয়েন বেইজ সাইট লগইন করুন।
  • বিঃদ্রঃ কিভাবে কয়েন বেইজ একাউন্ট ওপেন করতে হয় বিস্তারিত পোষ্ট।
২। এবার বাম পাশের প্যানেল হতে Supported Country হতে Bangladesh নির্বাচন করুন > যে  কোন একটি অপারেটর লোগে নির্বাচন করুন যেমন: রবি

৩। নতুন একটি প্যানেল ওপেন হবে > সেখানে কত টাকা রিচার্জ  করতে চান তা সিলেক্ট করুন > অতপর ডানপাশে আপনার মোবাইল নং ও ইমেইল ঠিকানা  ইনপুট করে চেক বাটনে ক্লিক করুন
৪। এর পর একটি অর্ডার কনফারমেশন আসবে সেখানে বিট কয়েন সংখ্যা এবং বিট কয়েন এড্রেস দেওয়া হবে। সেই ঠিকানাতে আপনাকে বিট কয়েন সেন্ড করতে হবে। সুতরাং প্রেরিত ঠিকানাটি কপি করুন

৫। এবার কয়েন বেইজ সাইটে যান> সেখানে সেন্ড অংশে প্রেরিত বিট কয়েনের পরিমান এবং ঠিকানা উল্লেখ করে সেন্ড করুন। প্রায় ১ মিনিটের মধ্যই আপনার মোবাইলে রিচার্জ পেয়ে যাবেন। এবং সেই সাথে মোবাইলে ও মেইল বার্তা পাবেন।

কাজের প্রমাণাদি (স্কীনশর্ট)

ক।

খ।

সর্বশেষ

পরিশেষে প্রসেস করার পূর্বে নিশ্চিত হয়ে যাবতীয় ডাটা/তথ্য ইনপুট করবেন। এবং প্রাথমিকভাবে রিচার্জ করতে গিয়ে সবচেয়ে ছোট এমাউন্ট সিলেক্ট করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। মুল কথা  কয়েন বেইজ সাইটে আপনার  বিট কয়েন এমাউন্টের পরিমান 0.003050 BTC কিংবা ০.৮০ ডলারের মত হয় তাহলেই মোবাইলে রিচার্জ করতে পারবেন। অবশ্য আমি নিজেই গতকালকে প্রায় ১০ ডলারের মত বিভিন্ন সীমে রিচার্জ করেছি, কাজের প্রমাণ পেয়েছি ও বিষয়টা বেশ ভাল লাগলো। যাইহোক টিউনটি অনুসরন করে কেউ উপকৃত হোক এটাই কামনা করি। তারপরেও কোন সমস্যা থাকলে টিউমেন্ট করতে পারেন।

Monday, February 12, 2018

পয়সাক্লিক টীমের পক্ষ হতে সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। উপরের শিরোনাম দেখে বুঝতে পেরেছেন যে, কোন বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করব। হ্যা বন্ধুরা বিট কয়েন আয়ের মাইনিং বিষয়ে আলোচনা ও কাজ করার কৌশলাদি সম্পর্কে জানাব। বিট কয়েন এই বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নাই। এটা অনেকটাই পূরনো বিষয় হতে চলেছে তথাপি অনেকেই এই সকল সাইট হতে আয় করছেন। তারপরও এই সকল বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য নিচের পোষ্টগুলো অনুসরন করতে পারেন।
বিট কয়েনের বর্তমান প্রেক্ষাপত

বর্তমানে বিটকয়েনের মুল্য বৃদ্ধি পেয়ে ১ বিটকয়েন= ১৫,০০০ ডলার ছাড়িয়েছে যা একসময় ৫০০-৭০০ ডলারের মধ্যে ছিলআসলে এটা অনেকটা শেয়ার বাজরের মত। যারা গতবছর অল্প টাকাতে বিট কয়েন ক্রয় করে কিংবা উপার্জন করে রেখে দিয়েছিল। তারা অনেক লাখে সেইগুলো বিক্রি করতে পেরেছে। সুতরাং দিন দিন ক্রিপ্টোকারেন্সীর গুরুত্ব বেড়েই চলছে যার ফলশ্রুতিতে অনেক নিত্য নতুন ডিজিটাল কারেন্সী মার্কেটে আসছে আমাদের উচিত এই সকল  নতুন কয়েন রির্জাভ করা যেমনঃ ডগি কয়েন, লাইট কয়েন, ইথারাম ইত্যাদি এজন্য মাইনিং হচ্ছে একমাত্র উপায়

মাইনিং কি?

মাইনিং বিষয়ে কমবেশি হয়ত সবাই জানে। সাধারণত মাইনিং বলতে নিজ কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপের মাধ্যমে একটি মাইনিং সফটওয়্যার চালিয়ে মাইন করাকেই বুঝায়। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্রিপ্টোকারেন্সীই মাইন করা হয়ে থাকে। পিসিতে মাইনিং সফটওয়্যার চালিয়ে আয় করা করা সম্ভব কিন্তু এরকম মাইনিং কিছু সমস্যা আছে যেমন পিসি বা ল্যাপটপ যেখানে মাইনিং সফটওয়্যার থাকবে সেটা সবসময় চালিয়ে রাখতে হবে এতে পিসির আয়ু কমে যায় অথবা বিদ্যুৎ বিল বেশী উঠে। ওপরে যে সমস্যাটির কথা বলা হল, সেই সমস্যার সমাধানের জন্যই ক্লাউড মাইনিং এর উৎপত্তি। 

এখানে মুলত আপনি নিজেই নিজের কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে মাইন না করে, আপনি কোন থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠান মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ইনভেস্ট করবেন এবং তারা আপনার জন্য তাদের হার্ডওয়্যার এবং মাইনিং সেটাপ ব্যবহার করে মাইন করবে এবং আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান প্রোফিট দেবে।
ক্লাউড মাইনিং ইনভেস্টমেন্ট লাভজনক কিন্তু সমস্যা অনেক কারন আপনি ট্রাষ্ট করার মত ওয়েবসাইট পাবেন না। বেশীরভাগ ওয়েবসাইটই স্ক্যাম। তারা আপনার কাছ থেকে ইনভেস্টমেন্ট নিবে এবং কয়েকদিন আপনাকে প্রোফিট দিবে এবং এরপর আরো বেশি লাভ পাওয়ার জন্য আপনি আরো বেশি ইনভেস্ট করবেন এবং সর্বশেষে দেখবেন ওয়েবসাইট উধাও। আপনাকে স্ক্যাম করে চলে যাবে বা সাইট ডাউন করে দেবে।
কিন্তু তার মানে এই না যে পৃথিবীর সব ক্লাউড মাইনিং সাইটই স্ক্যাম।


মাইনিং নিয়ে কাজ করবেন এই রকম একটি সাইটের পরিচয়ঃ

পূর্বেই বলেছি মাইনিং বিষয়ে অনেক সাইট আছে যা ইন্টারনেটে সার্চ দিলে পাবেন। কিন্তু সেই গুলো সবাই স্ক্যাম পর্যায়ে। দেখা যাবে আপনাকে প্রফিট বেশী দেবার আকর্ষণ করছে। অপরদিকে আপনার হার্ডওয়্যার কিংবা ইন্টারনেটের অযথা প্রেশার সৃষ্টি করবে। সুতরাং মাইনিং বিষয়ে জেনে বুঝে সঠিক সাইটে কাজ করাটা হবে ‍বুদ্ধিমানের পরিচয়। তাহলে আজ কাজ করা যায় এই রকম একটি জনপ্রিয় ফ্রি মাইনিং সাইট সম্পর্কে জেনে নিই।

  • এই রকম একটি সাইটের নাম হচ্ছে Eobot Mining

১। এটি বিশ্বের এক নম্বর মাইনিং সাইট।অ্যালেক্সা র্যাংক সবার উপরে (নিচে চিত্র অনুযায়ী)।

এটার মাইনিং ২০১৩ থেকে শুরু হয়েছিলো।ফ্রিতে মাইনিং করা যায়,,আবার ডিপোজিট করেও।কোনো রিস্ক নেই।মাইনিং হবে তাদের মেশিনে।আপনি জাস্ট তাদের মেম্বার হবেন। তাছাড়া থাকছে ১৯ ঘন্টায় শুধুমাত্র একবার ফসেট ক্লেইম করে বিটিসি রিওয়ার্ড পাওয়ার সুযোগ।
২। এটা ক্লাউড মাইনিং।এরকম মাইনিং আপনি তাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক কাজ করবেন।বিনিময়ে তারা তাদের মাইনিং সিপিইউ প্রসেসর ব্যবহারেরর সুযোগ দেবে আপনাকে।তাদের রয়েছে মাইনিং এর বিখ্যাত প্রজেক্ট যা বেস্ট কোয়ালিটির গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত মাইনিং প্রসেসর বা সিপিউ। মাইনিং করতে পারবেন প্রায় ৩০ প্লাস কয়েন।
৩। এটা বর্তমানে ১০০% বিশ্বস্ত ক্লাউড মাইনিং সাইট দিচ্ছি যেখানে ইনভেস্ট না করে আপনি ইনকাম করতে পারবেন কারন এখানে আপনি অ্যাকাউন্ট খুললে ওরা আপনাকে ১০০ GH/S দিবে যা দিয়ে আপনি মাইনিং শুরু করতে পারবেন আর প্রতিদিন যে পরিমান আয় হবে তা দিয়ে আপনি আরো Hash-rate কিনবেন।

কিভাবে কাজ করবেন?

  • রেজিস্টেশন করতে পারবেন যে কেউ।রেজিস্টেশন এর পর বাকি স্টেপগুলো বুঝিয়ে দিতে পারবো নিচে  সাইটটিতে সাইনআপ করুন
তারপর আপনার মেইল এ ভেরিফিকেশন লিংক এ ক্লিক করে একাউন্ট ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করুন।মেইল এ ভেরিফিকেশন করার পর কার্সর এই বক্সে রেখে GHS 4.0  সিলেক্ট করুন:

তারপর Products এ গিয়ে Faucet  সিলেক্ট করেন।

রিলোড হয়ে নীম্নরুপ একটি ক্যাপসা আসবে, ক্যাপসা পুরন করে প্রতিদিন আপনার ফ্রি মাইনিং পাওয়ার নিবেন।

মাইনিং পাওয়ারটি হবে নীম্নরুপ:

এবার Accounts এ  ক্লিক করুন Cloud Mining এ আপনার মাইনিং পাওয়ার দেখাবে।
এটাকে বলা হয়  GHS 4.0 পাওয়ার। এই GHS 4.0 পাওয়ার দিয়ে আপনি পিসি অন রেখে প্রতি দিন Cloud Mining করে বিটকয়েন, লাইট কয়েন, ডগি কয়েন সহ অন্যান্য সকল কয়েন আয় করতে পারবেন। এবার আসুন কিভাবে Cloud Mining করবেন ? ধরুন আপনি ডগি কয়েন মাইটিং করতে চাচ্ছেন, তাহলে বক্সে ডগি কয়ে সিলেক্ট করুন। অটো মাইনিং শুরু হয়ে যাবে।

  • আমার মাইনিং এর প্রমানাদি

আমার একাউন্ট করেছি প্রায় ৭ দিন পূর্বে। যখনই নেটে কাজ করি তখনই মাইনিং অন করে রাখি। এই পর্যন্ত প্রায় 10 ডগি কযেন আর্ন করতে পেরেছি। নিচের চিত্র দেখলেই বুঝতে পারবেন-

সর্বশেষ

আশা করি, টিউটোরিয়াল অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন। এবং হ্যা যখনই লগইন করে কাজ করতে যাবেন সর্ব প্রথম GHS 4.0 পাওয়ার অন অবশ্যই করবেন। এটি মূলত প্রতি ১৮ ঘন্টাতে ১ বার লগইন করতে হয়।এবং অবশ্যই একের অধিক একাউন্ট ওপেন করা যাবে না।তথাপি শুধুমাত্র ব্রাউজার অন করে রাখলেই ইনকাম তথা মাইনিং হতে থাকবে।এখানে ইন্টারনেটের তেমন এমবি কাটবেনা।এবং পিসির র‌্যামেরও চাপ পড়েনা (পরীক্ষিত)। এই পোষ্ট সম্পর্কে কোন অভিমত থাকলে কমেন্ট করার প্রত্যাশা রাখছি।আজ এই পর্যন্তই, সবাই ভাল থাকুন। 
 
Copyright © বিডি.পয়সা ক্লিক,নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত. মডিফাইঃ পিসি টীম, সার্ভার হোস্টেডঃ গুগল সার্ভিস