Sunday, December 16, 2018

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের দিনের পোষ্ট। এখানে আলোচনার প্রধান বিষয় বস্তু হচ্ছে শুধুমাত্র একটি Cyrpto Mining সাইট ওপেন করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে Bitcoin, Litecoin, Dogecoin সহ আরো অনেক কিছুই আর্ণ করতে পারবেন। বিষয়টি একটু  ক্লিয়ারলি বলি, গত পর্বে একটি পোষ্টে আপনাদেরকে মাইনিং সাইটের পরিচয় করিয়ে ছিলাম। সেখানের কাজ ছিল ব্রাউজার ওপেন রেখে শুধুমাত্র ক্যাপচা পূরন।


অনেকেই হয়ত ভাবছেন আজকেরটাও বুঝি একই কাজ। না ভাই! আজকেরটা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। কাজের কথা শুনলে আপনাদের অনেকের চক্ষু কপালে উঠে যাবে। এখানে শুধুমাত্র একাউন্ট ওপেন করবেন, আর সারা জীবনেও কোন কাজ করা লাগবেনা! অর্থাৎ এই সাইট এমন একটি মাইনিং পদ্ধতি আছে যেখানে প্রতিদিনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন Cyrpto Coin আপনার একাউন্টে যোগ হবে এবং নিদিষ্ট এমাউন্ট হলেই আপনার বিভিন্ন  একাউন্ট যেমন Bitcoin, Litecoin, Dogecoin ওয়ালেটে করতে পারবেন।

হয়ত আমার এই কথাতে আপনাদের বিশ্বাস হচ্ছে না। প্রথমদিকে আমারও বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু ২/৩ বার পেমেন্ট পাবার পর বিশ্বাস হল। সুতরাং এই বিষয়টি আপনাদের জানানোর জন্যই লিখতে বসেছি। এখন কিভাবে কাজ করবেন সেই বিষয়ে নিম্নরুপ ব্যাখ্যা করব।

সাইটের পরিচয়

  • হ্যা এই রকম অবিশ্বাস্য সাইটের নাম হচ্ছে কয়েন প্রো
  • এটি একটি স্বয়ক্রিয় মাইনিং সাইট। এবং এদের অফিসিয়াল কার্য ক্রম রাশিয়া ফেডারেশন থেকে পরিচালিত
  • বর্তমানে ইউজার সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষের অধিক। ২০১৪ সাল হতে তারা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এলেক্সা রেটিং হিসাবে তাদের অবস্থান ১৬,০০ এর মত [নিচের চিত্র অনুযায়ী] ।

কিভাবে কাজ করবেন?

  • প্রথমে তাদের সাইটে সাইনআপ করতে হবে সুতরাং ক্লিক করুন এখানে 
  • সেখানে  SIGN UP FOR FREE অপশনে যান। নিচের চিত্রমত ইমেজ আসবে। 
  • এখানে আপনার ইমেইল ঠিকনা দিনযদি Referrer চাই তাহলে দিবেন Poisaclick
  • পরিশেষে ক্যাপচা ও টিকমার্ক দিয়ে SIGN UP FOR FREE অপশনে ক্লিক করুন।
  • আপনার ইমেইলে ২ টি ম্যাসেজ যাবে। সুতরাং মেইলের ইনবক্সে যান।
  • এবার আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে। এই জন্য মেইলে 
  • প্রাপ্ত https://qoinpro.com/registration/activate  এই লেখাটি কপি করে এনে আপনার ব্রাউজারে পেষ্ট করে এন্টার চাপুন।
  • নতুন উইন্ডো আসলে সেখানে মেইলে পাওয়া এক্টিভেট কোডটি কপি করে এনে ইনপুট করুন। ব্যাস কাজ শেষ এবার আপনার কয়েনপ্রো সাইটে লগইন করুন।
  • একাউন্ট লগইন করে আপনার Dashboard> profile অংশে যান। সেখানে ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড, ট্রানজেকশন পিন সেট করুন। [ ৪ ডিজিটের পিন নম্বরটি অবশ্যই মনে রাখবেন কিংবা সংরক্ষিত রাখবেন, না হলে বিপদ হবে]

মেইলের ২য় অংশঃ

অন্য মেইলটি Cheeck করলে আপনি দেখতে পাবেন Freely আপনি কত Ammount পেয়েছেন এবং প্রতিদিন কত % পাবেন।

একাউন্ট বিন্যাসকরন

Dashboard


লক্ষ করুন আপনার Dashboard প্রবেশ করলে নিম্নরুপ চিত্র দেখতে পাবেন। সেখানে বাম পাশের উইন্ডোতে আপনার একাউন্টে কত ব্যালান্স জমা হচ্ছে তা জানতে পারবেন। এটা মূলত স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে।


Profile


এখানে আপনার প্রোফাইলের যাবতীয় সেটিং মডিফাই কিংবা পরিবর্তন করতে পারবেন।


Reffer


এই অংশে ক্লিক করে আপনার Reffer কোড পাবেন এবং বিভিন্ন জায়গাতে শেয়ার করতে পারবেন।


আমার পেমেন্ট প্রুফ ও কিছু কথা


প্রথমেই বলেছি। এই সাইটে সাইনআপ করার পর কোন রকম কাজ নাই, যা হবে নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে কাজ করবে। তবে মাঝেমধ্য একাউন্ট লগইন করতে পারেন কি পরিমান বিটিসি আপনার একাউন্টে জমা হচ্ছে। আমি এখান হতে ২ বার উইথড্র করতে পেরেছি যথারুপ একবার বিট কয়েন এবং পরেরবার বিটকয়েন ক্যাশ হিসাবে। নিম্নে আমার পেমেন্ট চিত্র-

ক।
খ।


সর্বশেষ

পোষ্টের একদম অন্তিম পর্যায়ে। উপরের আলোচনা হতে বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছেন বলে মনে করি। যেহেতু এই সাইটে কোন ইনভেস্ট কিংবা ক্যাপচামূলক কোন প্রকার কাজের ঝামেলা নাই। সুতরাং সবাই একাউন্ট ওপেন করে রাখতে পারেন। সেখানে বিনাশ্রমে যদি বিট কয়েন সহ অন্যান্য কারেন্সী আর্ন করতে থাকেন তাহলে ক্ষতি কি? তাছাড়া বর্তমানে বিট কয়েন সহ অন্যান্য কারেন্সীর রেট যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে  সেখানে এই অফারগুলো লোভনীয় হয়ে উঠছে। 

এখানে আপনার বিজ্ঞাপণ দিন

Saturday, September 1, 2018

السلام عليكم আসসালামু আলাইকুম। 
সুপ্রিয় বিডি পয়সা ক্লিক সাইটের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছে আজকের টিউন। গতকালকের ১ম পর্বে মাডারবোর্ড বিষয়ে বেশ কিছু তথ্যাদি আলোচনা করেছিলাম, তারপরেও আরো কিছু তথ্য ছিল। আজকে ২য় পর্বে বাকি তথ্য গুলো আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করব। তথাপি যারা মাডারবোর্ড বিষয়ে গতকালকের টিউন দেখেন নাই তারা এক নজরে চোখ বুলাতে পারেন এখানে

দৃষ্টি আকর্ষণঃ হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত আমার অন্যান্য প্রকাশনা

কোন ব্যান্ডের মাডারবোর্ড গুলো ভাল?

হুম কঠিন একটি প্রশ্ন! উপরের আলোচনাতে বলেছিলাম প্রসেসর সমর্থিত দুটি কোম্পানীর বেজে (AMD, Intel)  বিভিন্ন কোম্পানীগুলো মাডারবোর্ড প্রস্তুত করে থাকে। পূর্বে ইন্টেল ব্যান্ড হিসাবে নিজেরাই মাডারবোর্ড বাজারজাত করত। বর্তমানে বন্ধ রেখেছে তবে ইউরোপ, আমেরিকার কিছু জায়গাতে চালাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকের অভিমত অন্যদের মত সস্তাতে ইন্টেল মাডারবোর্ড দিতে পারবেনা এবং তাদের রেপুটেশন নষ্ট করতে চাই না বলেই সম্ভাবত এশিয়াতে তা বন্ধ রেখেছে। আরেকটি বিষয় আমরা ইন্টেল মাডারবোর্ড হিসাবে যে নামে চিনতাম সেটি প্রস্তুত করত ফক্সকন নামে একটি কোম্পানী। যাইহোক ইন্টেল ব্যতিত বর্তমানে বেশ কয়েকটি কোম্পানী রয়েছে যারা বিশ্বখ্যাত, মাডারবোর্ড প্রস্তুতকরনে এ রেটিং এ- আছে। তারা হল- Asus, Gigabyte, MSI, Asrock অন্যতম। এদের বোর্ডের দামও কিছুটা হলেও বেশী। 
এর পরের অবস্থানে আছে Biostar, ECS, Mercury, Foxconn । এবং বাজারে আরো শত রকম নামের বোর্ড রয়েছে তবে তার অধিকাংশই নন ব্যান্ডের চাইনা হতে অর্ডারকৃত নামের। আপনার যদি ২-৩ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনিও আপনার নামে মাডারবোর্ড ছাড়তে পারবেন। তাই বোর্ড ক্রয়ের সময় অরজিনাল ব্যান্ড দেখে ক্রয় করাটা ভাল। এখানে ব্যক্তিগতভাবে আমার সবচেয়ে ভাল লাগে ও বিশ্ব জরিপে এগিয়ে আছে তাহলো Asus, Gigabyte কোম্পানী। দুটি প্রতিষ্ঠানই অসংখ্যক পুরস্কার ও খ্যাতি পেয়েছি। দুটি প্রতিষ্ঠানই ভিন্ন আঙ্গিকে, ডিজাইনের বোর্ড তৈরির চেষ্টা করে। যেমনঃ প্রথম পেন্টেড বাজারে ডুয়াল বায়োস সুবিধা মাডারবোর্ড এনেছিল গিগাবাইট। ডুয়াল প্রসেসর সমর্থিত বোর্ড এনছিল আসুস। তারা প্রতিনিয়তই প্রযুক্তিগত আপডেট করছে।
(বিঃদ্রঃ Asus, Gigabyte সহ যত কোম্পানী রয়েছে মূলত প্রসেসর যুক্ত চিপ তারা AMD, Intel হতে সরবরাহ করে থাকে। 

বিশ্বখ্যাত মাডারবোর্ড কোম্পানীগুলো যে সব প্রযুক্তি আপেডেট করছে তাদের মাডারবোর্ড গুলোতে

বিশ্বখ্যাত মার্ডারবোর্ড প্রতিষ্ঠান Asus, Gigabyte, MSI, Asrock তাদের মাডারবোর্ড গুলোতে যে প্রযুক্তি সংযোগ করছে তা নিম্নরুপঃ
  • Xpress Recovery2 Introduction
 এই টেকনোলজীর মাধ্যমে আপনার অপারেটিং সিস্টেম ক্রাশ করলে কিংবা ডিলেট হয়ে গেলে পূনরায় রিস্টোর করা যাবে এমনকি প্রয়োজনে ব্যাকআপ রাখা যাবে।

Q-flash bios 
বায়োস পদ্ধতির এটি একটি অভিনব পদ্ধতি। এমনিতেই বায়োস আপডেট করা হয়েছে। তথাপি বায়োসের তথ্য গুলো আপনার পেন ড্রাইভ কিংবা মেমোরি কার্ডে সংরক্ষন করা যাবে। কোন ক্রমে বায়োস ক্রাশ করলে মেমোরি কার্ড হতেই রিস্টোর করা যাবে।

Ultra Durable 3
এখানেও আধুনিক টেকের সমন্বয় প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্বের তুলনায় মাডার বোর্ডে অনেক যন্ত্রাংশ যেমন- ক্যাপাসিটর, রেজিঃ সংখ্যা কমানো হয়েছে এবং যা ব্যবহার করা হচ্ছে তা প্রভূত উন্নতি করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় সবাই কমবেশী সলিড ক্যাটাসিটর, ফেরিট কোর, মসফেট ব্যবহার করছে। যেখানে উল্লেখ থাকছে ক্যাটাসিটর গুলোর আয়ুকাল প্রায় ৫০,০০০ ঘন্টা এবং অধিক তাপমাত্রাতেও পিসির কোন ক্ষতি হবেনা, ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে তাপমাত্রা  হলেও তা চলতে থাকবে।

Dynamic Energy Saver

এই পদ্ধতিতে আপনার মাডারবোর্ডকে ক্লকিং স্পীডে মুড করতে পারবেন। বিভিন্ন যন্ত্রাংশের তাপমাত্রা জানতে পারবেন ও কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে। তথাপি বোর্ডগুলোতে বর্তমানে ROHS পদ্ধতির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে মাডারবোর্ডের সংযোগ হতে আপনার মোবাইল জাতীয় ডিভাইসগুলো চার্জ দেওয়া যাবে।

AMD ও Intel সর্মিথত প্রসেসরের মধ্য কোন মাডার বোর্ড ব্যবহার করবেন?

অাসলে AMD ও Intel হল দুটি মেরু। যেখানে ২ রকম সুবিধা বিদ্যমান। আমাদের উপ-মহাদেশ সহ এশিয়া মহাদেশে Intel অনেক জনপ্রিয়। সেই হিসাবে AMD কিছুটা হলেও নতুন। উপরন্তু ইউরোপ- আমেরিকা মহাদেশে AMD এর জয় জয়কার অনেকটা বেশী। তবে আমাদের Intel হতে AMD এর সমর্থিত প্রসেসরের দাম অনেকটা সাশ্রয়ী, বিশেষ করে বিল্টইন গ্রাফিক্স কার্ডের পারফরম্যন্স অনেক বেশী এবং তারাই ১ম থ্রিডি বৈশিষ্ট্য যুক্ত করেছিল তাদের প্রসেসরে। মনে করা হয়, বিশেষত তাদের মার্কেট সম্প্রসারন ও পন্যের গুনাগত মান বুঝানোর জন্য তাদের প্রসরের দাম অনেকটা কম। একটি উদাহরন হিসাবে বলিঃ যেখানে ইন্টেলের কোর আই-৭, ৪ মেগাবাইট ক্যাশ বিশিষ্ট প্রসরের দাম প্রায় ২০,০০০৳। সেখানে আপনি এরুপ সমমানের ৪ কোর বিশিষ্ট AMD প্রসেসর পাবে প্রায় ১০,০০০ টাকাতে যেখানে ক্যাশ মেমোরি প্রায় ৮ এমবি।


তথাপি গেমিং পারফরম্যান্স এর জন্য AMD প্রসেসরের কোন তুলনাই হয়না। তবে AMD বেইজ যুক্ত প্রসেসর/মাডারবোর্ড গুলো অতিরিক্ত তাপ তৈরি করে যাতে মনে হয় বোর্ডের ক্যাপাসিটরগুলো বোধ হয় উড়ে যাবে। অপরদিকে Intel এর এই সব বালাই নাই। সব Cool & Silent. ব্যক্তিগতভাবে দুটো কোম্পানীরই ব্যবহার করার সুবিধা হয়েছে। তবে মনে হয়েছে কি কারনে যেন তাপ বেশী হলেও এমএমডির গতিতা বেশী। যাইহোক আমার কথা শুনে হয়ত Intel অনুগামীরা খ্যাতে যেতে পারেন। এখানে মূলত আমি তর্কের জন্য আসি নাই, বিষয় গুলো শেয়ার করতে এসেছি। এবং মূল কথা হল আপনি যেটিই ক্রয় করুন না কেন তা ব্যান্ড দেখে ক্রয় করাটা ভাল।   

কোথায় পাওয়া যাবে মেইনবোর্ড এবং বাংলাদেশে অনুমেদিত পরিবেশকদের তালিকা

উপরে যে কয়েকটি ব্রান্ডের কথা বললাম তার প্রতিটিই বাংলাদেশে পাওয়া যায়। মূলত এই সকল বোর্ড গুলো বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান মূল কোম্পানী হইতে আমদানী করে থাকে। এবং মূল কোম্পানী চুক্তি মোতাবেক যাকে মনোনীনত করেন তাকে কান্ট্রি ডিস্ট্রিবিউটর বলা হয়। প্রথমত বাংলাদেশী ডিস্ট্রিবিউটর কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানী করেন অতপর তারা দেশের সকল জেলাতে তাদের রিসেলার নির্বাচিত করে উক্ত বোর্ডগুলো বাজার জাত করনের ব্যবস্থা করেন। সুতরাং আপনার নিকটস্থ শহরেই এই সকল যন্ত্রাংশটি সহজেই পাবেন।  বাংলাদেশে বিভিন্ন কোম্পানীর যারা মাডার বোর্ড আমদানী করেন সেই সকল কান্ট্রি ডিস্ট্রিবিউটর এর তালিকা আপনাদের সামনে পেশ করছি।


১। গিগাবাইট ব্রান্ড নামে সকল প্রডাক্ট যেমনঃ মাডারবোর্ড, ডিভিডি রম আমদানীতে অনুমোদিত পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিস লিঃ। 
ওয়েব সাইটঃ www.smart-bd.com
২। আসুস ব্রান্ড নামে সকল প্রডাক্ট যেমনঃ মাডারবোর্ড, ডিভিডি রম, মনিটর আমদানীতে অনুমোদিত পরিবেশক গ্লোবাল ব্রান্ড প্রাঃ লিঃ
ওয়েব সাইটঃ www.globalbrand.com.bd
৩। এম.এস.আই ব্রান্ড নামে সকল প্রডাক্ট যেমনঃ মাডারবোর্ড, ডিভিডি রম, এজিপি কর্ড আমদানীতে অনুমোদিত পরিবেশক কম্পিউটার সোর্স লিঃ এবং ইউসিসি প্রাঃ লিঃ
ওয়েব সাইটঃ www.ucc-bd.comhttp://www.computersourcebd.com/         
৪। ফক্সকন ব্রান্ড নামে সকল প্রডাক্ট যেমনঃ মাডারবোর্ড, এজিপি কর্ড আমদানীতে অনুমোদিত পরিবেশক কম্পিউটার সোর্স লিঃ
 ওয়েব সাইটঃ http://www.computersourcebd.com/
৫। বায়োস্টার  ব্রান্ড নামে সকল প্রডাক্ট যেমনঃ মাডারবোর্ড, এজিপি কর্ড আমদানীতে অনুমোদিত পরিবেশক বিসনেসলিংক কম্পিউটারস লিঃ
ওয়েব সাইটঃ http://www.businesslinkbd.com/
৬। এসরক ব্রান্ডের মাডারবোর্ড আমদানীতে অনুমোদিত পরিবেশক কম্পিউটার সিটি টেকনোলজিস লিঃ
ওয়েব সাইটঃ www.comcitybd.com

 সর্বশেষ

আলোচনার একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, প্রকাশনাটি অনুসরন করে এবার নিজেই আপনার পিসির যাবতীয় যন্ত্রাংশ ক্রয়ে সম্যক ধারনা পাবেন। এবং এই টিউন অনুসরন করে কারোর সামান্যতম উপকারে হলেও লেখার স্বার্থকতা খুঁজে পাব। পরিশেষে সবাইকে দীর্ঘ সময় পড়ার জন্য অসংখ্যক ধন্যবাদ। পরবর্তী টিউনে অন্য কোন হার্ডওয়্যার বিষয়ে আলোচনা করব। সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন। -আল্লাহ্ হাফেয-

Tuesday, May 1, 2018

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি, সবাই ভাল আছেন। মনে করেছিলাম আইটি বিষয়ে কোন পোস্ট করব, কিন্তু ৭/৫ কারনে অনলাইনে আয় নিয়ে রিভিউ করছি। তথাপি পোস্টে বানান কিংবা ছন্দগত ভূল হবার কারনে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবান করছি। গত কিছুদিন থেকেই ফেসবুক গ্রুপ ও ব্লগে আমাদের টীমকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন বিট কয়েন আয়ের ব্রাউজার মাইনিং বিষয়ে একটি পোষ্ট করতে।যাইহোক বর্তমানে ব্রাউজার অন রেখে Mining নিয়ে অনেক অনেক  Apps/Plugin বাহির হয়েছে।তবে সবগুলোর কাজ এক নই, কোনটির জন্য হাই পাওয়ার পিসি লাগে, আবার কোনটি স্ক্যাম ইত্যাদি। তথাপি স্বল্প সময়ে সবগুলোর কাজ চেক করা আমাদের পক্ষেও সম্ভব নই। তবুও আপনাদেরকে নিরাশ করব না ভেবে ৩-৪টি প্লাগিন দেখেছি। তার মধ্য হতে একটি বাছাই করলাম। এবার সেই সম্পর্কে আপনাদের বলব।

মূল আলোচনার পূর্বে প্রথমে জেনে নিই ব্রাউজার মাইনিং কি?

Browser Mining হল কোন ব্রাউজারে যেমনঃ Mozila, Chorome, Opera, UCC, Maxthon, IE ওপেন রেখে সেখানে একটি Plugin সক্রিয় করা। এই প্লাগিন অন রেখে যতক্ষন ব্রাউজার ওপেন থাকবে ততক্ষন আপনার Cyrpto Currency মাইনিং হতে থাকবে। সেটা হতে পারে Bitcoin, Dogecoin, Bitcoin cash, Peer coin সহ অন্যান্য। এখানে সামান্য নেট খরচ হতে থাকে এবং আপনার পিসি কিছু র‌্যাম রিসোর্স ব্যবহার করে মূল সার্ভারের ক্লাউড মাইনিং করার চেষ্টা করে। যার বিনিময়ে প্রতিদিন কিছু কিছু পরিমাণ Bitcoin ডিপোজিত পাবেন আপনার Mining কৃত একাউন্টে।

Mining সাইটের পরিচয়ঃ

তেমন একটি সাইট পাইলাম তার নাম হচ্ছে getcryptotab. এক নজরে এর বৈশিষ্টগুলো জেনে নিই-

  • ১। এই সাইটের একটি প্লাগিন আপনাকে ব্রাউজারে ইনস্টল করতে হবে। এবং ব্রাউজারটি শুধুমাত্র গুগল ক্রোমের এবং মজিলার যে কোন ভার্সন হলেই হবে।
  • ২। Ram ও Hardware উপর তেমন একটা চাপ সৃষ্টি করেনা।
  • ৩। যে কোন ভাবে Boost Mining করতে পারবেন যথারুপঃ Normal, Medium & High Moode
  • ৪। আনলিমিটেড রেফারেল করতে পারবেন। প্রতি রেফারেলে আপনি ০০.০৩ বিটিসি হিসাবে পাবেন।
  • ৫। ব্রাউজারে এটি সচল থাকলেও আপনি একই ব্রাউজারে অন্যান্য কাজ করলেও সমস্যা সৃষ্টি করবেনা।
  • ৬। নেট খরচ তেমন নাই বললেই চলে। মনে করি, আপনি ১ দিনে সর্বমোট ১৬ ঘন্টার মত মাইনিং করলেন। তাহলে নেট খরচ হবে প্রায় ১০-১৫ এমবির মত। 
  • ৭। অবশ্যই পিসিতে/ল্যাপটপে কাজ করা যাবে। কোন ট্যাব কিংবা  এন্ড্রয়েড ফোনে কাজ করা যাবেনা (কারন, এই গুলোতে তেমন হাই কনফিগারের র‌্যাম, রম নাই)
  • সাইটের নীতিমালা, প্রশ্নবিষয়ক, পেমেন্ট বিষয়ক বিস্তারিত তথ্যর জন্য অনুসরন করুন এখানে

কিভাবে একাউন্ট ওপেন ও মাইনিং করবেন?

১। প্রথমে আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করুন এবং রেজিঃ করতে কিংবা ক্লিক করুন এখানে অথবা, নিচের চিত্রে(০২ নং)ক্লিক করলেও হবে।

২। নিচের মত একটি চিত্র আসবে


৩। এখানে Add to chrome and get bitcoin এ-ক্লিক করে প্লাগিনটি ইনস্টল করুন। ১ মিনিট মত সময় নিবে।


৪। নিম্নরুপ পপআপ বার্তা দিবে। এটি আসলে Add Extension অপশনে ক্লিক করুন।


৫। এরপর আপনার ব্রাউজারে উপরের ট্যাবে সর্বডানে লক্ষ্য করুন সেখানে কমলা কালারের একটি আইকন যোগ হয়েছে। যদি যোগ হয় তাহলে বুঝবেন সঠিকভাবে ইনস্টল হয়েছে। নিম্নরুপঃ


৬। এবার সম্পূর্ণ ভাবে ওপেন হলে নিচের চিত্রগুলোর মত পাবেন। অনুগ্রহ করে বিষয়টি লক্ষ্য করুন। আরেকটি বিষয় এরপর অন্য কোন অপশন আসলে তাতে Skip করে এড়িয়ে যাবেন।



৭। অন্যান্য অপশন গুলো ঠিক করতে যেমনঃ উইথড্র বিষয়, মাইনিং ট্যাগ, রেফারেল শেয়ার প্রভৃতি বিষয়াদি জানতে ফ্লোট মেনুতে ক্লিক করলেই হবে। নিম্নরুপ চিত্র-


৮। এবার আপনার উক্ত একাউন্টে সেটিংস অপশনে গিয়ে Google Plus/Twitter/Facebook এর যে কোন একটি যোগ করলেই হবে। এর মানেটা হলঃ আপনার ব্রাউজার হতে কোন কারনে যদি প্লাগিনটা ডিলেট হয়ে যায় কিংবা হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে সময়ে আপনি Google Plus দ্বারা লগইন করলেই হবে। এটি যুক্ত করতে কিংবা লগইন করতে এই লিংকে ক্লিক করুন এখানে  অথবা নিচের চিত্রে ক্লিক করলে হবে কিংবা এটি কপি করে ক্রোমে ওপেন করে নিলেই হবে। 


৯। এবং হ্যা মাইনিং করার জন্য ব্রাউজারে এটাকে ট্যাব হিসাবে ওপেন করে রাখবেন। এবং একই ব্রাউজারে যদি অন্য কাজ করতে চান তাহলে আলাদা ট্যাব ওপেন করে নিয়ে কাজগুলো করতে পারবেন।

কিভাবে উইথড্র করবেন?

Setting Option হতেই জানতে পারবেন। অবশ্য অপশনগুলো ২-৩ বার ঘাটাঘাটি করলেই নিজেই বুঝতে পারবেন। তবুও বলছি মিনিমাম ০.০০০৪১ বিটিসি হতে হবে অর্থাৎ বাংলাদেশী কারেন্সী হিসাবে প্রায় ৩৫০৳ সমমান হতে হবে। এই যেমন আমার হয়েছে প্রায় ৮০৳ মত । Payment/Widthdraw করতে নিচের চিত্রগুলো অনুসরন করুন

A.

B.

 পেমেন্ট ও রেফারেল  বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানেআমার এই পর্যন্ত কত ইনকাম  হয়েছে নিচের ইমেজটি দেখলেই বুঝতে পারবেন।


আপডেট তথ্য ও আমার পেমেন্টপ্রুফ (০৮/০৮/২০১৮ইং)

সম্মানীত ভিজিটরদের জন্য সুসংবাদ যে, এই সাইট হতে আমি আমার ১ম পেমেন্ট পেয়েছি প্রায় ৩.৩০$ মত। এবং উক্ত এমাউন্ট কয়েনবেইজ সাইটে সঠিক ভাবে ডিপোজিত হয়েছে। মূলত পেমেন্ট অর্ডার করার মিনিমাম ৩ দিনের মত সময় লাগে একাউন্টে ফান্ড যোগ হতে। সুতরাং আপনারা এখানে নিশ্চিতভাবে কাজ করতে পারেন কোনরুপ সমস্যা ছাড়াই। নিচে আমার পেমেন্ট প্রুফের কিছু স্কীণর্ট প্রদান করছি।
A.

B.


C.


D.

সর্বশেষঃ 

টিউটোরিয়ালের একদম শেষ পর্যায়ে। আশা করি, চিত্র অনুযায়ী নিজেই কাজগুলো করতে পারবেন। তারপরে সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন। এবং হ্যা আমি কিন্তু এই পরীক্ষাটি নিজে পিসিতে বসে করেছি। সুতরাং PC/Laptop যে কোনটাতেই কাজ করবে এবং অবশ্যই মজিলা কিংবা গুগল ক্রোম ব্রাউজার ইনস্টল থাকতে হবে। আমি পোস্টের টিউটোরিয়াল গুগল ক্রোম দ্বারা দেখিয়েছি তথাপি মজিলাতে ব্যবহার সিস্টেমও একই। অপরদিকে যারা Dualcore জাতীয় পিসি ব্যবহার করছেন তারা মাইনিং অপশনটি মিডিয়াম কিংবা নরমাল মুডে অন রেখে কাজ করলে ভাল ফল দিবে। এর থেকে হাই কনফিগারেশন পিসিতে যেমনঃ Core I-3,5,7, Server, AMD Athlon, Phenom যে কোন মুডে কাজ করলেই হবে। তবে মাঝে মধ্য রেস্টের জন্য মুড পরিবর্তন করলে ভাল হয়। আজ এই পর্যন্তই, সবাই ভাল থাকুন।

Monday, April 9, 2018

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন আর ভাল থাকবেন এটাই কামনা করি সারাক্ষন। ফ্রিল্যান্সিং এর যুগে অনলাইন আর্নিং এর প্রতি কম বেশী সবার আগ্রহ। কিন্তু অনেকেই অহেতুক সময় নষ্ট করে এই ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য। আজ আমি আপনাদের নিয়ে আলোচনা করব কিভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করবেন। প্রথমে আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ঘুরে আসুন আর আমার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন। আপনারা অনুপ্রনিত হবেন এবং আমাকেও অনুপ্রানিত করবেন।


১. চলুন একটি একাউন্ট তৈরি করি  

প্রথমেই একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করুন নামটাই অনেক কিছু। তাই প্রথমেই এমন একটি নাম চিন্তা করুন যা এর আগে কেউ ব্যবহার করেনি। নামটি আপনি যে কোন বিষয়ের উপর নিতে পারেন, সেটা হতে পারে রান্না বিষয়ক, গেমস নিয়ে, স্বাস্থ্য নিয়ে বা যে কোন বিষয়। কিন্তু সাবধান একবার যদি আপনি আপনার চ্যানেলের নাম ঠিক করে ফেলেন তাহলে তা আর কখনো পরিবর্তন করতে পারবেন না। দরকার হলে অনেক সময় নিয়ে চিন্তা করুন, ভাবুন তারপর ঠিক করুন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম। তবে নামটি অবশ্যই এমন একটি নাম দিবেন যাতে আপনার চ্যানেলের নাম খুব সহজে মনে রাখা যায়। ভুল করেও কখনো সংখ্যা দিয়ে নাম ব্যবহার করবেন না। এই সাইটে গিয়ে আপনি চেক করে নিতে পারেন আপনি কোন নামটি দিবেন। সাইটটির ঠিকানা – http://socialblade.com/youtube  এই ঠিকানায় গিয়ে চেক করে নিতে পারেন আপনার নামটি ঠিক আছে কিনা? 
একটি ইমেইল নিবার্চন করুন আপনার চ্যানেল এর জন্য   আমরা সবাই জানি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে একটি ইমেইল লাগবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে জিমেইল ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রথমেই একটি নতুন জিমেইল একাউন্ট খুলে নিতে হবে। একাউন্টটি অবশ্যই ভেরিভাই করে নিতে হবে। আর মনে রাখবেন ২ ধাপ এর ভেরিফিকেশন দিয়ে রাখবেন আপনার একাউন্টে। তাহলে আপনি ছাড়া আর কেউ এই একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না।


২. কপিরাইট এবং ফেয়ার ইউজেস 

কপিরাইট এড়িয়ে চলুন আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ফেলেছেন তখন আপনি ইউটিউব এর পার্টনার। আর পার্টনার থাকা অবস্থায় এমন কোন ভিডিও আপলোড করবেন না, যাতে কপিরাইট থাকে। যেমন অন্যের গান এর মিউজিক নকল করে আপনার ভিডিওতে ব্যবহার, অন্য কোন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান। আপনি আপনার ভিডিওতে ইউটিউবের নিজস্ব কিছু গানের ট্রাক থেকে গান নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারেন। কখনোই নকল করবেন না, কারণ ইউটিউব জানে আপনি কোথা থেকে কি ব্যবহার করেছন। সুতরাং সাবধান। এরপরও যদি আপনি এরকম কোন ভিডিও আপলোড করেন, তারা আপনাকে কয়েকবার সাবধান করে দিবে, আপনার কপিরাইট ভিডিও আপলোড এর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে আপনার একাউন্টটি তারা ব্যন করে দিবে। আমি আপনাদেরকে সাজেশন দিতে পারি এই  http://youtube.com/erait ভিডিওটি দেখার জন্য। এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন ইউটিউবে কি করা উচিত কি করা উচিত নয়।

৩. কি কি প্রোগাম আর সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন?  

ভিডিও এডিটর 

ভিডিও এডিট করার জন্য অবশ্যই ভালো কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। ফ্রি তে অনেক ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার পাবেন, কিন্তু আমি বিশেষভাবে ব্যবহার করেত বলবো অফড়নব চৎবসরবৎব.। এই সফটওয়্যারটি আপনি ম্যক ও উইনডোজ দুটোতেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অবশ্যই যে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না কেন তা কিনে ব্যবহার করুন। আর ভিডিও এডিটিং করা অনেক সহজ একটি কাজ যদি আপনি অনেকটা ধৈর্য ধরে এই কাজটি শিখতে পারেন। এছাড়াও আরো যে যে এডিটিং সফটওয়্যার আছে সেগুলোও ট্রাই করতে পারেন। আপনি আপনার মোবাইল কিংবা ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে যা ভিডিও করেছেন, তা প্রথমে এডিট করে নিন, এরপর আপলোড করুন ইউটিউবে।

ইনট্রো নির্বাচন করুন

আপনি আপনার চ্যানেলের জন্য সুন্দর একটি ইনট্রো নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন এই ইনট্রোর উপর নির্ভর করবে আপনার অনেক কিছু। আপনার হাতে অনেক সময় আছে, আস্তে ধীরে তৈরি করুন আপনার ইনট্রো। ইনট্রোর সময় বেঁধে দেয়া আছে ১০ সেকেন্ড। এই ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনাকে আপনার চ্যানেলের একটি সুন্দর ইনট্রো বানাতে হবে। আপনার চ্যানেলের একটি লোগো বানিয়ে নিন, এরপর গুগোল থেকে অনেক টেমপ্লেট পাবেন ইনট্রো বানানোর জন্য; একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে লোগো সহ ১০ সেকেন্ড এর একটি ইনট্রো বানিয়ে ফেলুন। আপনি ভিডিও তৈরি করার যে কোর সফটওয়্যার দিয়ে এই ইনট্রো বানাতে পারেন, তবে মনে রাখবেন আপনার ইনট্রোটি যেন ভিডিও ফরমেট এর হয়। এরপর থেকে আপনি যে ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটা শুরু হবার আগে এই ইনট্রোটি দেখা যাবে। ইনট্রো করার পর তা আপনি আপলোড করেবন আপনার চ্যানেলের ইন ভিডিও প্রোগ্রাম এর ভিতরে- ইন ভিডিও প্রোগ্রাম পাবেন আপনার চ্যানেলের ড্যাশবোর্ড এর চ্যানলে সেটিংস এর ভিতর। এখানে যাবার পর এরকম কয়েকটি ছবি দেখতে পাবেন, তারমধ্যে Add a branding intro এখানে আপনার তৈরি ইনট্রোটি আপ করবেন।

অডিও এডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স 

অডিও এডিটিং অনেক গুরত্বপূর্ণ আপনার ভিডিওটির জন্য। আর অডিও এডিটিং এর উপর নির্ভর করে ইউটিউব আপনার ভিডিওটি মনটানাইজেশন করতে দিবে কি দিবে না। আমি আপনাদেরকে কিছু টিপস বলে দিব সেগুলো যদি ঠিকমতো মেনে চলেন তাহলে আশা করি আপনি একটি ভালো রেজাল্ট পাবেন ইউটিউব এর কাছ থেকে।
  • ক. প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার তৈরি করা অডিও ফাইলে কোন ধরনের ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ নেই। ভয়েজ রেকর্ডিং – এ অনেক সময় এসি বা ফ্যান এর শব্দ শোনা যায়, চেষ্টা করবেন এই জাতীয় নয়েজগুলো এড়িয়ে যেতে।
  • খ. একটি ভালো ভিডিও একটি খারাপ অডিও এর কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো অডিও দিতে। দরকার হলে নিজেই অডিও বানিয়ে নিন। অন্যের অডিও কখনোই ব্যবহার করবেন না। অডিও বানানোর জন্য অনলাইনে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়; সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
  • গ. আপনার অডিওটি আপনি নিজেই কয়েকবার শুনুন, আপনার কাছে ভালো লাগলে এরপর আপনার ভিডিওর সাথে যোগ করুন।
  • চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানান   আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানিয়ে ফেলুন। কাভার এবং লোগো বানানো জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করতে পারেন।

৪. টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ 

টাইটেল  টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ হচ্ছে একটি ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার ভিডিও যত ভালোই হোক না কেন, এই তিনটি ছাড়া এর কোন মূল্য নেই। কয়েক হাজার ভিডিও এর মধ্য থেকে মানুষ আপনার ভিডিও তখনই দেখবে যখন আপনার ভিডিওতে এই তিনটির সমন্বয় থাকবে। শুরুতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আকর্ষণীয় টাইটেল তৈরি করুন। আর আপনার টাইটেল তৈরি করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। চলুন দেখি কি কি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।


ক. কিওয়ার্ড রিসার্চ 

পদ্ধতি–১ 
ইউটিউবে সার্চ দিতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ভিডিওর সাথে মিল রেখে। যেমন ধরুন আপনার ভিডিওটি যদি হয় মানি মেকিং নিয়ে তাহলে ইউটিউবে সার্চ দিন- যড়ি ঃড় সধশব সড়হবু ড়হষরহব। এবার দেখুন কি কি রেজাল্ট দেখায়, এখান থেকেই বেচে নিতে পারেন আপনার টাইটেল টি অথবা নিজেই এই সমস্ত টাইটেল থেকে আপনারটা বানিয়ে নিতে পারেন।
পদ্ধতি– ২ 
আর একটু নিশ্চিত হতে ব্যবহার Google Adword Tools  গিয়ে আপনার কাঙ্খিত কিওয়ার্ড লিখে করেতে পারেন নিচের লি্কংটি। সার্চ দিন।
পদ্ধতি– ৩ 
  • ক। আপনি যে টাইটেল দিতে চাচ্ছেন তা ইউটিউবে লিখে সার্চ দিন, এবং দেখুন একদম প্রথমে কোনটি আছে। সেটার কাছাকাছি একটি টাইটেল তৈরি করতে পারেন। শুধু টাইটেল নয়, আপনি ভালো করে দেখে নিন সেই ভিডিওতে কি কি ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে, আর বর্ণনাতে কি লেখা আছে। আপনি চাইলে সেগুলোও আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটা নিজের মতো করে বানিয়ে নিবেন।
  • খ. বর্ণনা  বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনি যুক্ত আছেন সেগুলো।
  • গ. ট্যাগ এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকওে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ করুন আপনার ভিডিওটির; এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।

চলুন আমরা এতক্ষণ যা পড়লাম তার একটি উদাহরণ দেখে আসি

TITLE  : Comedy Youtube Channel  – LEVEL NAME

  • DESCRIPTION
Your best funny and comedy youtube channel – Aeireensultana – LEVEL NAME (notice the title is repeated in the first line of the description) describe the content of the video repeating important keywords such as the game title, level name and featured game characters. Subscribe for more Videos
  • TITLE videos
Youtube link Check out Video Title Walkthrough Part 2
PLAYLIST LINK “Like” me on Facebook FACEBOOK LINK Follow me on
Twitter TWITTER LINK
  • Tags
“bangla comedy,
bangla funny sms,
bangla comedy natok,
bangla natok comedy,
bangla funny video,
bangla comedy video,
bangla funny natok,
comedy natok,
bangla jokes,
bangladeshi funny video,
bengali jokes,
bangladeshi comedy natok,
jokes bangla,
bangla funny jokes,
funny video bangla,
bengali funny jokes,
jokes in bengali,
funny bengali jokes,
bangla joks,
funny bangla jokes, (tags are repeated in the bottom of the description) 
৫. ভিডিও তৈরি করুন 
এতক্ষণতো আমার কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করবেন, আপলোড করার নিয়মগুলো জানলাম। এবার চলুন যে ভিডিওটি আপনি আপ করবেন তা তৈরি করি।
  • 1.ক্যামেরা এবং লাইটিং আমরা অনেকেই ক্যামেরা এবং লাইটিং এর ব্যবহার সর্ম্পকে ভালোভাবে জানি না। ক্যামেরা এবং লাইটিং এর উপরে সল্প সময়ে একটি কোর্স করে নিতে পারি আমরা। এটি পরবর্তী জীবনে আপনার অনেক কাজে দিবে। ভালো একটি ভিডিও তৈরি করার পিছনে অনেক সাধনা করতে হয়। আর লাইটিং সমন্ধে যদি আপনার ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনি ভালো একটি ভিডিও বানাতে পারবেন। তাই ভালো একটি ভিডিও তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।
  • 2. এনকোডিং ভিডিওটি যখন বানাবেন তখন খেয়াল রাখবেন এর এনকোডিং এর দিকে। সঠিকভাবে এনকোডিং নির্বাচন না করলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউবে লাইভ নাও হতে পারে। আর একটি ব্যপার এনকোডিং যদি ঠিকমতো করতে না পারেন, তাহলে আপনার ভিডিওর রেজুলেশন এতটাই কমে যাবে যার কারণে আপনার ভিডিও আপলোড করার অনুপোযোগী হয়ে যাবে।

৬. আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ান 


প্রতিদিন সময় করে ইউটিউবের অন্য যে ভিডিওগুলো কয়েক লাখ ভিজিটর আছে সেগুলোতে টিউমেন্ট করুন। টিউমেন্ট টি অবশ্যই এমনভাবে করুন যাতে লেখা থাকবে আপনি তার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবেন তার বদলে সে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে।  আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন, সেগুলোর বর্ণনাতে অবশ্যই আপনার অন্য ভিডিওর লিংক যোগ করবেন। এছাড়া আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে অনুরোধ করবেন। সম্ভব হলে মজাদার জোকস বলে আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন।  অনেকেই মনে করেন চ্যানেলে অনেকগুলো ভিডিও থাকলে অনেক বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। এটি একটি ভুল ধারনা। আপনি যদি কয়েক শো ভিডিও আপ করেন যেগুলো কোন কাজেরই না, তাহলে আপনি কোনদিনও সাবস্ক্রাইবার পাবেন না, বরং সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। কারণ কেউই চায় না অন্যের ভিডিও দিয়ে তার ইফটিউব একাউন্ট ভরে থাক।   ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্র্দিষ্ট একটি দিন বেচে নিন; এবং নির্দিষ্ট একটি সময়। কারণ আপনার যারা সাবস্ক্রাইবার তারা ওই দিনটি মাথায় রাখবে, এবং নির্দিষ্ট ওই সময়েই আপনার চ্যানেলে ঢুকবে আপনার ভিডিওটি দেখার জন্য। আপনি যখনই সিডিউল মেইনটেনন করে আপনার ভিডিও আপলোড করবেন, তখন আপনার ভিডিওটি ইফটিউব তার সার্চ রেজাল্টে এক নাম্বারে নিয়ে আসবে। তবে একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন যাই আপলোড করেন না কেন, তা যেন সকলের উপকারে আসে। আপনার ভিডিও যখন কারো উপকারে আসবে, তখন আপনি আপনার ভিডিও থেকে উপকৃত হবেন। মানে আপনার ভিডিও থেকে তখন টাকা আসা শুরু হবে।  আর একটি কাজ করতে পারেন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য। সেটা হলো অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েটরদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বলতে পারেন, যে আপনার   ভিডিওর মধ্যে আপনি তাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবেন, বিনিময়ে তারা তাদের ভিডিওর মধ্যে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবে। এতে দু পক্ষই লাভবান হবেন।

৭. গোপন ফরমুলা 

আপনাদের সাথে এখন একটি গোপন ফরমুলা নিয়ে কথা বলবো, যে ফরমুলা ব্যবহার করলে অতি সহজে আপনি আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারেন। আমি নিজেই এই ফরমুলা ব্যবহার করি। ধরুন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১৫০ জন। এখন আপনার চ্যানেলের ভিডিওর সাথে মিলে যায় এরকম আর একটি চ্যানেল খুজে বের করুন যার সাবস্ক্রাইবার ২৫০ থেকে ৩০০ জনের মত। তাকে একটি ম্যসেজ পাঠান যে আপনি একটি ভিডিও তৈরি করেছেন যাতে বলা আছে এই চ্যানেলটি কি কি কারণে অনেক ভালো। এবং এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করলে আপনি আরো ভালো ভালো ভিডিও পেতে পারেন। আপনি এখন চাচ্ছেন তার চ্যানেলে এবং আপনার চ্যানেলে এই ভিডিওটি আপলোড করতে। আপনি আপনার চ্যানেলে যখন এই ভিডিওটি আপলোড করবেন তখন লিংক হিসেবে ওই চ্যানেলের লিংক ব্যবহার করবেন, এবং ওই চ্যানেলের মালিক আপনার লিংক ব্যবহার করবে। এতে করে আপনি মিনিমাম একটি চ্যানেলে থেকে ১০০ থেকে ২০০ এর মত সাবস্ক্রাইবার পেতে পারেন। তাহলে আপনার এখন মোট সাবস্ক্রাইবার দাড়ালো ২৫০ জনে। এবার আপনি খুজবেন ৩০০ থেকে ৫০০ সাবস্ক্রাইবওয়ালা চ্যানেল। এখানেও একই কাজ করবেন। এভাবে আপনার সাবস্ক্রাইবার যত বাড়বে আপনি তার চেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার ওয়ালা চ্যানেল খুজবেন। এভাবে বাড়তে বাড়তে বাড়তে একদিন নিশ্চয়ই আপনার সাবস্ক্রাইবার কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যাবে।
৮. আপনার চ্যানেলের বন্ধু বাড়ান 
আপনার চ্যানেলের পেজে যত বন্ধুর আমন্ত্রণ আসবে সব গ্রহন করুন। তাদের সঙ্গে ম্যাসেজ আদান প্রদান করুন। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন যাতে তারা আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে। আপনিও তাদের যদি চ্যানেল থাকে সেখানে সাবস্ক্রাইব করুন। এতে করে আপনার এবং তার দুজনেরই উপকার হবে, দুজনেরই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে।
৯. অন্যের চ্যানেলের ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন 
আপনার চ্যানেলের ভিডিও এর ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য অন্যে চ্যানেলগুলোর ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন। অবশ্যই টিউমেন্ট করার সময় আপনার চ্যানেলের লিংকটি দিয়ে সেখানে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে ভুলবেন না। কারন যত বেশি টিউমেন্ট করবেন তত আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে সঙ্গে বাড়বে আপনার চ্যানেলের ভিডিওর ভিউয়ার।
১০. ভিডিও এমবেড কোড 
আপনার যদি অনেক টুইটার ফলোয়ার থাকে, কিংবা অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেলের জন্য অনেক ভালো। যদি আপনার ৫০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে তাহলেও আপনার জন্য শুভ সংবাদ। কারণ এরাই আপনার রিয়েল ফ্রেন্ড। ভুয়া ফ্রেন্ড দিয়ে কোন লাভ নাই। আপনি আপনার টুইটার আর ফেসবুকে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন, তারপর আপনি এই ৫০ জন ফ্রেন্ডকেই বলেন সারাদিনে কয়েক সেকেন্ড বের করতে আপনার জন্য। তারা আপনার ভিডিওটি ৩০ সেকেন্ডের জন্য হলেও দেখবে, একটি করে লাইক দিবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে একটি করে টিউমেন্ট করবে। প্রতিদিন আপনিও তাদের জন্য নতুন নতুন ভিডিও নিয়ে আসবেন। এভাবে আপনার ভিডিও রিলেটেড ফেনবুকে যে গ্রুপগুলো রয়েছে সেগুলোতে জয়েন করুন। সেখানে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন। এভাবেই দিনে অন্তত ১০ জন করে ফ্রেন্ড আপনি আপনার একাউন্টে যোগ করুন। যকন আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড এর সংখ্যা ৫,০০০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের একটি ভিডিও লিংক এর ভিউয়ার সংখ্যাও বাড়বে। যেখানে আগে প্রতিদিন আপনার ভিডিও এর ভিউ হতো ২০০, সেখানে আপনার ভিউয়ের সংখ্যা বেড়ে দাড়াবে ১০০০ এরও বেশি। একই কাজ আপনি আপনার টুইটার একাউন্টে করতে পারেন। পাশাপাশি অন্যান্য যে সকল সোস্যাল সাইটগুলো রয়েছে সেখানেও আপনি আপনার ভিডিওটি শেয়ার করতে পারেন। এয়াড়া আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেখানেও ভিডিওটি এমবেড করে বসাতে পারেন। এখান থেকেও আপনি ভালো ভিউয়ার পাবেন।


১১. এনোটেশন  

এনোটেশন হচ্ছে আপনার ভিডিওটির ওপর আপনার অন্য এশটি ভিডিও এর লিংক দেয়া। আপনার চলতি ভিডিওটি দেখতে দেখতে আপনার যে কোন ভিউয়ার যেন আপনার অন্য ভিডিওগুলো সর্ম্পকে জানতে পারে, সেজন্য আপনার প্রতিটি ভিডিওতে এনোটেশন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। যখন কোন ভিউয়ার আপনার ভিডিওটি দেখবে তখন আপনি যে লিংকটি এনোটেশন করে দিয়েছেন সে যদি সেই লিংক এ ক্লিক করে তাহলে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হবে এবং সে তখন ওই ভিডিওটি দেখতে পাবে। আপনার ভিডিওটি আপলোড হওয়ার পর ভিডিও ম্যানেজারে গেলেই পাবেন এই অপশনগুলো। সেখান থেকে অহহড়ঃধঃরড়হং বাটনে ক্লিক করলেই পৌছে যাবেন এনোটেশন করার পেজে। এরপর আপনি এখান থেকে অহহড়ঃধঃরড়হং যোগ করতে পারবেন।
১২. সময়  
আপনার চ্যানেলের জন্য সময় অতন্ত্য গুরত্বপূর্ণ। একটি ডাইরিতে নোট করে রাখুন, প্রতিদিন কোন সময়টি আপনি আপনার ভিডিওগুলো আপলোড করবেন। ভিডিও কখনো রাত ৩ টায় আপলোড করবেন না। যদি সম্ভব হয় ভিডিও সকালের দিকে আপলোড করুন। টার্গেট অডিয়েন্স সব সময় ১৮+ চিন্তা করবেন। আর একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন আপনার ভিডিও এর বর্ণনাতে যদি সম্ভব হয় এর তৈরির তারিখটি বসাবেন। রবিবার ইউটিউবে ভিউয়ার বেশি হয়, আপনি চাইলে এই দিনটিকে মাথায় রেখে আপনার ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

১৩. চেষ্টা করবেন সবার আগে দেওয়ার 

আপনার চ্যানেলকে পপুলার করতে চাইলে সব সময় চেষ্টা করবেন সবার আগে আপনার তৈরি করা ভিডিটি দিতে। যদি আপনি তা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভিডিওটি ইউটিউব তার সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখাবে।

১৪. ভালো ছবি নির্বাচন করুন 

আপনার আপলোড কৃত ভিডিওটি আপনার ভিউয়ারকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো একটি ছবি নির্বাচন করুন। আপনার ভিডিওটির কাভার ফটোটি যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে দর্শক আকৃষ্ট করতে পারবে না, আর দর্শক আকৃষ্ট না হলে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার বাড়বে না। তাই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আর ভিউয়ার বাড়াতে চাইলে ভালো ছবি নির্বাচণ করুন।
ভাল টাম্বনেল বানানোর জন্য নিচের ভিডিওটা ফলো করতে পারেন।


১৫. উপসংহার 

আমি বিশ্বাস করি আপনার যদি এই কাজগুলো ধাপে ধাপে করতে পারেন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সফলতা অবশ্যই আসবে। মনে রাথবেন কোন কিছুই শেখার উর্দ্ধে নয়, তাই যত পারেন শিখতে থাকুন, একদিন আপনিও হয়তো ইউটিউব নিয়ে আমার মতো কিছু লিখে ফেলবেন। আর আনন্দ নিয়ে কাজ করুন ইউটিউবে। আপনি যদি শুধূ টাকা ইনকাম করার জন্য ইউটিউবে আসতে চান তাহলে এতক্ষন ধরে যা যা পড়লেন তা ভুলে যান। কারণ আপনি যে কাজ করে আনন্দ পাবেন না সে কাজে অন্যকে কিভাবে আনন্দ দিবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য… ধৈর্য… এবং ধৈর্য ধরুন।   আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তীতে ইউটিউবের আরো খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনাদের জন্য কিছু নিয়ে আসবো ইনশা আল্লাহ।

Monday, March 19, 2018

কেমন আছেন সবাই, আশাকরি ভালই আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি অনলাইন থেকে আয়ের একটা নতুন পদ্ধতি নিয়ে। আপনারা আমার সম্পূর্ণ  টিউনটি মনযোগ দিয়ে পড়বেন সেই প্রত্যাশা করি। বন্ধুরা, অনলাইন থেকে আয় করতে কে না চায়? কিন্তু সবার ভাগ্য একরকম হয়না। সবার দ্বারা সকল কাজ করাও সম্ভব হয়না। তো আমার টিউনটি আপনার পছন্দ হলে আমার স্টেপ অনুযায়ী কাজ করতে সামর্থ্য হলে এবং আপনার মনভূত হলে তবেই করবেন। আর আপনি যদি সফলভাবে করতে পারেনে এবং ভালো আয় করতে পারেন তবে আমি নিজেকে ধন্য মনে করবো।


আমার আজকের টিউনের বিষয়: Google Recaptcha Solve করে আয় করুন প্রতিদিন ১ থেকে ৫ ডলার

Captcha Entry কত প্রকার ও কি কি?

Captcha Entry বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে তারমধ্যে প্রধাণত ৩ ্প্রকার যথা:
১) Numeric = এই ধরণের Captcha তে শুধুমাত্র সংখ্যা থাকে হাত দিয়ে টাইপ করতে হয়।
2. Alphabetic = এই ধরণের Captcha তে শুধুমাত্র অক্ষর থাকে হাত দিয়ে টাইপ করতে হয়।
3. AlphaNumeric = এই ধরণের Captcha তে সংখ্যা এবং অক্ষর থাকে হাত দিয়ে টাইপ করতে হয়।

Google এর প্রকাশিত Captcha Entry ২ প্রকার যথা

১) Solvemedia = এই ধরণের Captcha তে সংখ্যা এবং অক্ষর থাকে হাত দিয়ে টাইপ করতে হয়।
2) Recaptcha = এই ধরণের Captcha তে শুধুমাত্র ছবি থাকে হাত দিয়ে টাইপ করতে হয় না। 3 টি ছবিতে ক্লিক করলেই সলভ হয়ে যায়।

Google Recaptcha কি?

প্রথমেই প্রশ্ন আসতে পারে Google Recaptcha কি। হয়তো সবাই জানেন তারপরও বলছি। Google Recaptcha হচ্ছে Google এর একটি ফ্রী সিকিউরিটি সার্ভিস যেটা কোন ওয়েবসাইটকে স্পেম অথবা অপব্যবহার থেকে রক্ষা করে। এটা খুব সহজেই চিনতে পারে ভিজিটরটি মানুষ নাকি বুট। কোন বুটের পক্ষে এই সিকিউরিটি অতিক্রম করা সহজ নয়। তাই ওয়েবসাইটটি থাকে নিরাপদ।

Google Recaptcha দেখতে কেমন?

এমন একজনও নেই যিনি Google Recaptcha দেখেন নি। আর অন্যকোথাও না হলেও আমাদের প্রাণ প্রিয় টেকটিউনসে প্রবেশ বা লগইন করার সময় অবশ্যই দেখেছেন। “আমি রোবট নই” এটাই হচ্ছে Google Recaptcha

Google Recaptcha থেকে কিভাবে আয় করা যায়?

“আমি রোবট নই” এর সামনের বক্সে মাউস দিয়ে ক্লিক করলে অনেক সময় টিক চিহ্ন চলে আসে আবার অনেক সময় অনেকগুলো ছবি আসে। সেই ছবিগুলোতে সঠিকভাকে ক্লিক করে ভেরিফাই করলেই তারপর টিক চিহ্ন আসে এবং আমরা লগইন করতে পারি। এই রকম ছবি ক্লিক করে ভেরিফাই করেই আমরা প্রতিদিন 1 থেকে ৫ ডলার আয় করতে পারি।

আমরা কাজ করবো কোথায় এবং কে আমাদের পেমেন্ট দিবে?

এবার আসুন আসল কথায় যে আমরা কাজ করবো কোথায় আর আমাদের পেমেন্ট দিবে কে। এই কাজটা দেখে কি মনেহয়? এটাও এক ধরনের Captcha Entry কাজ। এবং যারা Captcha Entry কাজ দেয় তারাই ReCaptcha Entry কাজ দেয়। কিন্তু আমি শুধুমাত্র একটি কোম্পানিকে  ReCaptcha Entry কাজ দিতে দেখেছি। রাশিয়ান কোম্পানি  Mega index Incorporation. তাদের ডেটা এন্ট্রি এবং ক্যাপচা এন্ট্রি কাজের অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে। আর আমি গত ১ বছর ধরে ওদের একটি ওয়েবসাইটে কাজ করতেছি সেটার নাম হলো 2captcha
সম্প্রতি 2captcha আমাদেরকে একটি সফটওয়্যার দিয়েছে ফ্রীতে এবং সেই সফটওয়্যারে Google Recaptcha Entry কাজ দিয়েছে। যা দিয়ে আগের থেকে 4গুন বেশি ইনকাম করা যাচ্ছে। আর সেই জন্যই আমার এই টিউনটি লিখা। যেহেতু আমি বেশি আয় করতে পারছি তাই সবাইকে সেই সুযোগটা দিতে চাই।

প্রতিটি Captcha Solve কত করে মানে  Captcha Rate কত?

শুধুমাত্র Google Recaptcha এর প্রতিটি Captcha Solve করলে আপনি পাবেন 0.001$
0.001$ এর থেকে কমও না বেশিও না। এই রুপে 1 হাজার Solve করলে আপনার আয় হবে 1$ বাংলাদেশী টাকায় ৮০ টাকা।
আপনি যদি ভালো সময় দিতে পারেন। এবং দ্রুত Solve করতে পারেন তবে দিনে ১ থেকে ৫ ডলার খুব সহজেই আয় করতে পারবেন।

মিনিমাম কত হলে পেমেন্ট পাওয়া যায়?

মিনিমাম ১ ডলার হলেই আপনি পেমেন্ট নিতে পারবেন। পেমেন্ট পেতে কারো কাছে যেতে হবেনা। সরাসরি ওই সাইটে গিয়ে Withdraw দিবেন 1 থেকে 5 মিনিজের মধ্যে আপনার পেমেন্ট পেয়ে যাবেন। এরা Payza, Perfect Money, Bitcoin এ পেমেন্ট করে যথারুপঃ
  • Payza: মিনিমাম ১ ডলার হলে পেইজা দিয়ে তুলতে পারবেন।
  • Bitcoin: বিটকয়েন এ তুলতে হলেও মিনিমাম ১ ডলার হতে হবে।
  • Web Money: আর ওয়েবমানিতে ৫০ সেন্ট হলেই তুলতে পারবেন।
  • Perfect Money: পারফেক্ট মানি দিয়ে তুলতে চাইলে আপনার ১ ডলার ৩০ সেন্ট আর্ন করতে হবে।
আমার একটি পেমেন্ট প্রুফ দেখুন আমি এই পর্যন্ত অনেকবার পেমেন্ট পেয়েছি।

কাজ করতে কি কি লাগবে?

  • ১) একটি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার: Android মোবাইল দিয়েও করা যায় কিন্তু অনেক সময় ব্যয় হয়। কম্পিউটার না থাকালে চেষ্টা করতে পারেন
  • ২) ভালো নেট স্পিড: নেট স্পিড বেশি থাকলে Captcha দ্রুত আসে
  • ৩)  Letest Microsoft .net framework  এখান থেকে ডাউনলোড দিন
  • (এটা ইনস্টল না দিলে সফটওয়্যারটা  ইনস্টল হবেনা।)
  • ৪) 2captcha Only Recaptcha Typing Software
  • Windows 7, 8, 10 এর জন্য এখান থেকে ডাউনলোড করুন।
  • Windows XP, Vista এর জন্য এখান থেকে ডাউনলোড করুন।
  • Android Software শিগ্রই আসবে আপাতত মোবাইল Cabinet থেকে কাজ করতে পারবেন। রেজিষ্টারের পরে মোবাইল কেবিনেট এখান থেকে কাজ করতে পারবেন।
  • ৫) যেকোন একটি Payment Method একাউন্ট: (Payza, Perfect Money,  Bitcoin) এখান থেকে যে কোন একটি দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন Payza সবথেকে ভালো Payza একাউন্ট না থাকলে এখান থেকে খুলে নিন।
  • ৬) অত:পর ধৈর্য থাকতে হবে প্রথম প্রথম Captcha Solve করতে অসুবিধা হলেও প্রেকটিস করলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ভালো আয় করতে হলে্ ধৈর্য থাকতে হবে। আর এটা কোন পিটিসি বা ইনভেস্ট সাইট নয় যে হারিয়ে যাবে। লাইফ টাইম ইনকাম করতে পারবেন এটা থেকে।

কিভাবে একাউন্ট ওপেন ও কাজ করবেন?

ইন্টারনেট এ ক্যাপচা টাইপ করে আয় করতে হলে আপনার কম্পিউটার/মোবাইল এবং ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে। তারপর ক্যাপচা পূরণ করার সাইটে রেজিস্ট্রেশন করা লাগবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য এখানে যান।


তারপর  Register অথবা  Quick Start এ ক্লিক করুন। এরপর একটি রেজিস্ট্রেশন ফর্ম আসবে সেখানে আপনার ইমেইল, পাসওয়ার্ড দিয়ে ক্যাপচা পূরণ করে রেজিস্টার করুন। আপনার ইমেইলে এড্রেস এ একটা ইমেইল যাবে। ভেরিফাই লিংক এ ক্লিক করে আপনার একাউন্টটি এক্টিভ করুন। আপনার একাউন্টটি এবার কাজ করার জন্য রেডী। একাউন্ট এ লগিন করুন উপরের মেনু থেকে StartWork সিলেক্ট করুন। নতুন একটি পেজ আসবে সেখানে স্টার্ট এ ক্লিক করে কাজ শুরু করে দিন। প্রতি ১০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য আপনি ১ ডলার পাবেন, তারপর এই রেট আরও বেড়ে প্রতি ১০০০ ক্যাপচা টাইপ করার জন্য ৩ ডলার দিবে। যদিও ইনকাম টা অনেক অল্প কিন্তু এটাই হতে পারে আপনার অনলাইন ইনকাম এর শুরু।

সর্বশেষ

আশা করি, উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী একাউন্ট ক্রিয়েট করতে পেরেছেন। এবার তাহলে কাজ শুরু করুন ও অভিজ্ঞতা নিন। আপনার সুবিধামত সেটিং গুলো সাজিয়ে নিতে পারবেন। তথাপি ড্যাশবোর্ড/লগইন প্যানেল একটু ঘাঁটাঘাটি করলেই বাকি অপশন গুলো বুঝতে পারবেন। অপরদিকে এখানে আপনিও একাউন্ট লগইন করে কাজ করতে পারবেন আবার ইচ্ছা করলেও সফটওয়্যার/অ্যাপস পিসিতে কিংবা মোবাইলে ইনস্টল করেও কাজ করা যাবে। সফটওয়্যারের অপশনগুলো আমি পোস্টের মধ্য লিংক অাকারে প্রদান করেছি। সুতরাং লিংক হতেও আপলোড/ইনস্টল করতে পারবেন। এখানে শুধু সামান্য কিছু আয় নই, ডাটা এন্ট্রির দিক হতেও আপনার হাত চালু ও অভিজ্ঞতা অর্জন হবে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরিশেষে কোন অভিমত থাকলে কমেন্ট করুন।
 
Copyright © বিডি.পয়সা ক্লিক,নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত. মডিফাইঃ পিসি টীম, সার্ভার হোস্টেডঃ গুগল সার্ভিস